চাঁদপুর। বৃহস্পতিবার ১১ অক্টোবর ২০১৮। ২৬ আশ্বিন ১৪২৫। ৩০ মহররম ১৪৪০
redcricent
jibon dip

সর্বশেষ খবর :

  • -
হেরার আলো
বাণী চিরন্তন
আল-হাদিস

৪২-সূরা শূরা


৫৪ আয়াত, ৫ রুকু, মক্কী


পরম করুণাময় ও অসীম দয়ালু আল্লাহর নামে শুরু করছি।


 


৩০। তোমাদের যে বিপদ-আপদ ঘটে তা তো তোমাদেরই হাতের কামাইয়ের ফল এবং তোমাদের অনেক অপরাধ তিনি ক্ষমা করে দেন।


৩১। তোমরা পৃথিবীতে (আল্লাহকে) ব্যর্থ করতে পারবে না এবং আল্লাহ ব্যতীত তোমাদের কোনো অভিভাবক নেই, সাহায্যকারীও নেই।


৩২। তাঁর মহা নিদর্শনের অন্তর্ভুক্ত হলো পর্বত সদৃশ সমুদ্রে চলমান নৌযানসমূহ।


৩৩। তিনি ইচ্ছা করলে বায়ুকে স্তব্ধ করে দিতে পারেন; ফলে নৌযানসমূহ অচল হয়ে পড়বে সমুদ্র পৃষ্ঠে। নিশ্চয়ই এতে নিদর্শন রয়েছে ধৈর্যশীল ও কৃতজ্ঞ ব্যক্তির জন্যে।


দয়া করে এই অংশটুকু হেফাজত করুন


 


 


প্রাচীন মহিলার দেহের গহনা অবশ্যই খাদবিহীন হবে।


-জুভেনাল।


 


 


ধরেন যদি সদ্ব্যবহার করা হয় তবে তা সুখের বিষয় এবং সদুপায়ে ধন বৃদ্ধির জন্য সকলেই বৈধভাবে চেষ্টা করতে পারে।


 


 


 


 


 


 


 


ফটো গ্যালারি
ভুয়া কাগজপত্র প্রদান
আলুমুড়া নূরিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে দপ্তরি নিয়োগে অনিয়ম
সোহাঈদ খান জিয়া
১১ অক্টোবর, ২০১৮ ০০:০০:০০
প্রিন্টঅ-অ+

চাঁদপুর সদরের ৪নং শাহমাহমুদপুর ইউনিয়নের ১৩৫নং আলুমুড়া নূরিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে দপ্তরি নিয়োগে অনিয়মের অভিযোগ পাওয়া গেছে।

জানা যায়, গত ৪ সেপ্টেম্বর উক্ত বিদ্যালয়ে দপ্তরী নিয়োগ দেয়া হয়। সে নিয়োগে রাজন দে নামের এক ব্যক্তি নিয়োগ পায়। কিন্তু তার জন্ম নিবন্ধনের বয়সের সাথে বাস্তবতার কোনো মিল নেই। প্রকৃত জন্ম নিবন্ধনে তার বয়স ১১/১১/১৯৯৩। কিন্তু ভুয়া জন্ম নিবন্ধন সনদে তার বয়স দেখানো হয়েছে ১১/১১/১৯৯০ খ্রিঃ। তার ভোটার আইডিতে নাম হলো রাজন দে, আর জন্ম নিবন্ধন ও বিদ্যালয়ের ৮ম শ্রেণী পাসের সার্টিফিকেটে নাম হচ্ছে রাজন চন্দ্র দে। তার ৮ম শ্রেণী পাসের সার্টিফিকেট বিদ্যালয়ের একটি প্যাডে লিখে দেয়া হয়। এমনকি সে যে বিদ্যালয় থেকে ৮ম শ্রেণী পাস করেছে সে বিদ্যালয়ের নাম হচ্ছে কাঞ্চনপুর বহুমুখী উচ্চ বিদ্যালয়, ডাকঘর : সাফলীপাড়া, উপজেলা-ফরিদগঞ্জ, জেলা-লক্ষ্মীপুর। কিন্তু ফরিদগঞ্জ উপজেলায় কাঞ্চনপুর বহুমুখী উচ্চ বিদ্যালয় নামে কোনো বিদ্যালয় নেই। আর এ নামে বিদ্যালয় থাকলেও সে বিদ্যালয়ের জেলার নাম লক্ষ্মীপুর না হয়ে হবে চাঁদপুর।

তার জন্ম নিবন্ধন অনুযায়ী অষ্টম শ্রেণীর পাসের সাল ২০০১ অনুযায়ী বয়স হচ্ছে ১১ বছর ১ মাস ১৯দিন। তাহলে সে কীভাবে ১১ বছর ১ মাস ১৯ দিনে ৮ম শ্রেণী পাস করে। রাজন দে প্রকৃত জন্ম নিবন্ধন সনদ না দিয়ে ভুয়া জন্ম নিবন্ধন সনদ ও ৮ম শ্রেণী পাস সার্টিফিকেট তৈরি করে চাকুরি পায়।

এ ব্যাপারে বিদ্যালয়ে প্রধান শিক্ষিকা শাহিনা বেগম বলেন, আমরা কাগজপত্র যেভাবে পেয়েছি সেভাবেই অফিসে পাঠিয়ে দিয়েছি। অফিস নিয়োগ দিয়েছে। যারা ইন্টারভিউ বোর্ডে ছিলেন তারাই নিয়োগ দিয়েছেন। নিয়োগ কমিটি আমাদেরকে কিছুই জানায়ওনি। ইন্টারভিউ বোর্ডে আমি ও আমার বিদ্যালয়ের সভাপতি উপস্থিত ছিলাম। আমি কাগজে স্বাক্ষর করে সভাপতিসহ চলে আসি। কাগজপত্র অফিস যাচাই-বাচাই করে।

বিদ্যালয় ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি মোঃ শাহজালাল দেওয়ান বলেন, এ নিয়োগ নিয়ে আমাদের কোনো হাত নেই। সেটা নিয়োগ কমিটি জানে। এ ব্যাপারে ইউপি চেয়ারম্যান স্বপন মাহমুদের মুঠোফোনে যোগাযোগ করে তাকে পাওয়া যায়নি।

এ ব্যাপারে উপজেলা শিক্ষা অফিসার নাজমা বেগম বলেন, এ রকম কোনো অভিযোগ আমার কাছে আসেনি। অভিযোগ পেলে আমি তাদেরকে ডেকে আনবো।

আজকের পাঠকসংখ্যা
৫৯৯৭৭৯
পুরোন সংখ্যা