চাঁদপুর। শুক্রবার ১২ অক্টোবর ২০১৮। ২৭ আশ্বিন ১৪২৫। ১ সফর ১৪৪০
redcricent
jibon dip

সর্বশেষ খবর :

  • চাঁদপুর সদর উপজেলার ৫ নং রামপুর ইউনিয়নের দেবপুর বড়হুজুরের বাড়িতে ২ শিশুসন্তানসহ একই পরিবারের ৪জন মারা গেছেন। || চাঁদপুর সদর উপজেলার ৫ নং রামপুর ইউনিয়নের দেবপুর বড়হুজুরের বাড়িতে ২ শিশুসন্তানসহ একই পরিবারের ৪জন মারা গেছেন। || চাঁদপুর সদর উপজেলার ৫ নং রামপুর ইউনিয়নের দেবপুর বড়হুজুরের বাড়িতে ২ শিশুসন্তানসহ একই পরিবারের ৪জন মারা গেছেন। || চাঁদপুর সদর উপজেলার ৫ নং রামপুর ইউনিয়নের দেবপুর বড়হুজুরের বাড়িতে ২ শিশুসন্তানসহ একই পরিবারের ৪জন মারা গেছেন।
হেরার আলো
বাণী চিরন্তন
আল-হাদিস

৪২-সূরা শূরা


৫৪ আয়াত, ৫ রুকু, মক্কী


পরম করুণাময় ও অসীম দয়ালু আল্লাহর নামে শুরু করছি।


 


৩৪। অথবা তিনি তাদের কৃতকর্মের ফলে সেগুলোকে ধ্বংস করে দিতে পারেন এবং অনেককে তিনি ক্ষমাও করেন।


৩৫। আর আমার নিদর্শনাবলি সম্পর্কে যারা তর্কে লিপ্ত হয়, তারা যেন অবহিত থাকে যে, তাদের (আযাব হতে) কোনো মুক্তি নেই।


৩৬। বস্তুতঃ তোমরা যা প্রদত্ত হয়েছে তা পার্থিব জীবনের ভোগ; কিন্তু আল্লাহর নিকট যা আছে তা উত্তম ও স্থায়ী, (ওগুলি) তাদের জন্যে যারা ঈমান আনে ও তাদের প্রতিপালকের উপর নির্ভর করে।


৩৭। (ওগুলি তাদের জন্য) যারা কবিরা গোনাহসমূহ ও অশ্লীল কর্ম হতে বেঁচে থাকে এবং যখন তারা ক্রোধান্বিত হয় ক্ষমা করে দেয়।


দয়া করে এই অংশটুকু হেফাজত করুন


 


 


 


ধনে এবং জ্ঞানে বড় হলেই মানুষ মনের দিক থেকে বড় হয় না। -স্মিথ।


 


 


 


যাবতীয় পাপ থেকে বেঁচে থাকার উপায় হলো রসনাকে বিরত রাখা।


 


ফটো গ্যালারি
আখেরি চাহার শোম্বা ৭ নভেম্বর
স্টাফ রিপোর্টার
১২ অক্টোবর, ২০১৮ ০০:০০:০০
প্রিন্টঅ-অ+

বাংলাদেশের আকাশে বুধবার সফর মাসের চাঁদ দেখা যায়নি। তাই গতকাল বৃহস্পতিবার মহররম মাস ত্রিশদিন পূর্ণ হয়ে আজ শুক্রবার থেকে সফর মাস গণনা শুরু হয়েছে। সে হিসেবে সফর মাসের শেষ বুধবার পড়েছে আগামী ২৮ সফর, যার খ্রিস্টাব্দ তারিখ হচ্ছে ৭ নভেম্বর। যে দিনটি পবিত্র আখেরি চাহার শোম্বা নামে উদ্যাপিত হয়ে থাকে।

গতকাল বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় ঢাকা ইসলামিক ফাউন্ডেশন বায়তুল মোকাররম সভাকক্ষে জাতীয় চাঁদ দেখা কমিটির সভায় এ সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়। এতে সভাপতিত্ব করেন ধর্ম সচিব মোঃ আনিছুর রহমান।

উল্লেখ্য, আখেরি চাহার শোম্বা তথা সফর মাসের শেষ বুধবার অত্যন্ত মর্যাদাপূর্ণ একটি স্মারক দিবস। এদিন প্রিয় নবী (দঃ) বেশ কিছুদিন রোগ ভোগের পর সুস্থতা অনুভব করেন। যার খবরে তখন প্রিয় নবীর সাহাবাগণের মাঝে আনন্দের বন্যা বয়ে যায়। তাঁরা এর শোকরিয়া জ্ঞাপনার্থে অকাতরে দান-খয়রাত করতে থাকেন। তাই দিবসটি মূলত 'শোকরিয়া দিবস' হিসেবে পালিত হয়। এদিন সাধারণত গোসল শেষে রোগ থেকে মুক্তির দোয়া ও দান-খয়রাত করা হয়। এদিন বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান সরকারিভাবে বন্ধ রাখার পাশাপাশি অফিস-আদালতে ঐচ্ছিক ছুটির দিন হিসেবে বিবেচনা করা হয়।

এই পাতার আরো খবর -
আজকের পাঠকসংখ্যা
৮৯৭১৬৫
পুরোন সংখ্যা