চাঁদপুর। বৃহস্পতিবার ১৮ অক্টোবর ২০১৮। ৩ কার্তিক ১৪২৫। ৭ সফর ১৪৪০
jibon dip

সর্বশেষ খবর :

  • চাঁদপুর ডায়াবেটিক হাসপাতালের প্রতিষ্ঠাতা সাধারণ সম্পাদক, কিংবদন্তীতুল্য সমাজসেবক আলহাজ্ব ডাঃ এম এ গফুর আর বেঁচে নেই। আজ ভোর ৪টায় ঢাকার শমরিতা হাসপাতালে ইন্তেকাল করেছেন।ইন্নালিল্লাহে ওয়া ইন্না ইলাইহে রাজিউন।বাদ জুমা পৌর ঈদগাহে জানাজা শেষে বাসস্ট্যান্ড গোর-এ-গরিবা কবরস্থানে তাঁকে দাফন করা হবে।
হেরার আলো
বাণী চিরন্তন
আল-হাদিস

৪২-সূরা শূরা

৫৪ আয়াত, ৫ রুকু, মক্কী

পরম করুণাময় ও অসীম দয়ালু  আল্লাহর নামে শুরু করছি।

৫০। অথবা তাদেরকে দান করেন পুত্র ও কন্যা উভয়ই এবং যাকে ইচ্ছা তাকে করে দেন বন্ধ্যা, তিনি সর্বজ্ঞ, সর্বশক্তিমান।

৫১। মানুষের জন্য অসম্ভব যে, আল্লাহ তার সাথে কথা বলবেন ওহীর মাধ্যম ছাড়া, অথবা পর্দার অন্তরাল ব্যতিরেকে অথবা এমন দূত প্রেরণ ছাড়া, যে দূত তাঁর অনুমতিক্রমে তিনি যা চান তা ব্যক্ত করে, তিনি সমুন্নত, প্রজ্ঞাবান।

৫২। আর এভাবেই আমি তোমার প্রতি ওহী করেছি রূহ (কুরআন) আমার নির্দেশে; তুমি তো জানতে না কিতাব কি ও ঈমান কি পক্ষান্তরে আমি একে করেছি আলো যা দ্বারা আমি আমার বান্দাদের মধ্যে যাকে ইচ্ছা পথ-নির্দেশ করি; তুমি অবশ্যই প্রদর্শন কর সরল পথ-

দয়া করে এই অংশটুকু হেফাজত করুন


প্রতিভাবানদের আবিষ্কৃত জিনিস কখনো মৃল্যহীন হয় না।                           


-কুপ।


যে ব্যক্তি আল্লাহ ও পরকালে বিশ^াস করে (অর্থাৎ মুসলমান বলে দাবি করে) সে ব্যক্তি যেন তার প্রতিবেশীর কোন প্রকার অনিষ্ট না করে।



 


ফটো গ্যালারি
মা ইলিশ রক্ষা অভিযানে চেয়ারম্যান কাশেম খান
সোহাঈদ খান জিয়া
১৮ অক্টোবর, ২০১৮ ০০:০০:০০
প্রিন্টঅ-অ+


মা ইলিশ রক্ষায় চাঁদপুরের মেঘনা নদীতে প্রশাসনের অভিযানের পাশাপাশি নদীতে নেমেছেন চেয়ারম্যান আলহাজ্ব মোঃ কাশেম খান। চাঁদপুর সদর উপজেলার ১১নং ইব্রাহিমপুর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান আলহাজ্ব মোঃ কাশেম খান ক'বছর ধরেই জাটকা নিধন ও মা ইলিশ রক্ষায় নিজেই নদীতে অভিযানে নেমে যান।



বর্তমানে মা ইলিশ রক্ষা অভিযানে প্রশাসনের পাশাপাশি গ্রাম পুলিশ ও নিজস্ব লোকজনকে সাথে নিয়ে মা ইলিশ রক্ষাকল্পে জেলে, জাল ও নৌকা আটক করার জন্যে তিনি নদীতে নামছেন। তিনি আলুর বাজার ফাঁড়ি পুলিশকে অভিযানে সহযোগিতা করে যাচ্ছেন। এমনকি জেলে, নৌকা ও অবৈধ জাল ধরার জন্যে তিনি প্রশাসনকে সহযোগিতা করেন। আবার যাত্রীবাহী ট্রলারের যাত্রীদেরকে সাথে নিয়ে জাল, নৌকা আটক করে থাকেন। এটি করে বিরল দৃষ্টান্ত সৃষ্টি করছেন চেয়ারম্যান আলহাজ্ব মোঃ কাশেম খান। এলাকাবাসী মনে করে, কাশেম খানের মতো নদীর তীরবর্তী এলাকার চেয়ারম্যানরা অভিযানে অংশ নিলে মা ইলিশ নিধন আরো কমতো।



কাশেম খান বলেন, আমরা মা ইলিশ, জাটকা, নৌকা ও জাল আটক করে চাঁদপুরের নৌ পুলিশের কাছে জমা দিই। ভবিষ্যতেও অভিযানে প্রশাসনকে সহযোগিতার জন্যে প্রস্তুত আছি।



এ ব্যাপারে আলুর বাজার ফাঁড়ির আইসি শহীদ জানান, চেয়ারম্যান কাশেম খান মা ইলিশ রক্ষার অভিযানসহ সকল অভিযানে আমাদের সহযোগিতা করে থাকেন। নিজেই লোকজন সাথে নিয়ে নদীতে নেমে যান জাল, নৌকা ও জেলেদেরকে আটক করার জন্যে।



 


এই পাতার আরো খবর -
আজকের পাঠকসংখ্যা
৪০৫৬০০
পুরোন সংখ্যা