চাঁদপুা। শনিবার ১০ নভেম্বর ২০১৮। ২৬ কার্তিক ১৪২৫। ১ রবিউল আউয়াল ১৪৪০
redcricent
jibon dip

সর্বশেষ খবর :

  • --
হেরার আলো
বাণী চিরন্তন
আল-হাদিস

৪৩-সূরা যুখ্রুফ


৮৯ আয়াত, ৭ রুকু,' মক্কী


পরম করুণাময় ও অসীম দয়ালু আল্লাহর নামে শুরু করছি।


৭৩। সেথায় তোমাদের জন্যে রহিয়াছে প্রচুর ফলমূল, তাহা হইতে তোমরা আহার করিবে।


৭৪। নিশ্চয় অপরাধীরা জাহান্নামের শাস্তিতে থাকিবে স্থায়ীভাবে;


৭৫। উহাদের শাস্তি লাঘব করা হইবে না এবং উহারা উহাতে হতাশ হইয়া পড়িবে।


 


 


assets/data_files/web

বীরত্বের নির্যাস হলো আত্মবিশ্বাস। -ইমারসন।


 


 


বিদ্যা শিক্ষার্থীগণ বেহেশতের ফেরেশতাগণ কৃর্তক অভিনন্দিত হবেন।


 


 


 


ফটো গ্যালারি
শাহরাস্তিতে উচ্ছেদের পরও দখলমুক্ত হয়নি সরকারি রাস্তা
উচ্ছেদ অভিযানে কাজ করা শ্রমিকরা এখন মামলার আসামী
শাহরাস্তি ব্যুরো
১০ নভেম্বর, ২০১৮ ০০:০০:০০
প্রিন্টঅ-অ+


শাহরাস্তি উপজেলার মেহার দক্ষিণ ইউনিয়নের ভোলদিঘি গ্রামে উচ্ছেদের পর পুনরায় দখল করা হয়েছে জনচলাচলের সরকারি রাস্তা। ওই গ্রামের মৃত আঃ জাব্বারের পুত্র সফিকুর রহমান স্থানীয় প্রশাসনকে বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখিয়ে দখলদারিত্ব অব্যাহত রেখেছেন দীর্ঘদিন ধরে। উপরন্তু ভূমি দখলমুক্ত করার আবেদনকারীরা উচ্ছেদের ঘটনায় প্রশাসনকে সহায়তা করায় ফৌজদারি মামলায় আসামী হয়ে বিপাকে পড়েছেন।



জানা যায়, অভিযুক্ত সফিকুর রহমান দীর্ঘদিন ধরে সাবেক ৩৭০নং দাগে হাল ৬৫নং ভোলদিঘি মৌজার সি এস ১৫২ ও বিএস ২৭৯ এবং ৩০৯নং দাগে সরকারি রাস্তার জায়গা অবৈধভাবে ভোগ দখল করে আসছেন। সরকারি রাস্তা ব্যক্তিগত দখলে চলে যাওয়ায় স্থানীয়দের ব্যক্তিগত জায়গার উপর দিয়ে ভোলদিঘি আল-আমিন একাডেমি হতে দেহেলা যাদবপুর সড়কটির ভোলদিঘি অংশের লোকজন এবং যানবাহন চলাচল করে। ২০১৫ সালের ১৫ নভেম্বর ওই রাস্তা দখলমুক্ত করার লক্ষ্যে ভোলদিঘি গ্রামের মৃত আঃ সোবহানের পুত্র মোঃ আজমুল হক সহকারী কমিশনার (ভূমি)-এর নিকট একটি অভিযোগ দায়ের করেন। যার প্রেক্ষিতে ২০১৬ সালের ১৮ জুলাই তৎকালীন সহকারী কমিশনার (ভূমি) মোসাঃ জেসমিন আকতার বানু প্রয়োজনীয় সংখ্যক পুলিশ নিয়ে ওই রাস্তা দখলমুক্ত করে দেন। উচ্ছেদের ক'দিনের মাথায় সফিকুর রহমান একই রাস্তা পুনরায় দখলে নেন এবং উচ্ছেদের ঘটনাকে ফৌজদারি অপরাধ আখ্যা দিয়ে অভিযোগকারী, তার পুত্র, স্থানীয় বেসরকারি স্কুলের প্রধান শিক্ষকসহ দৈনিক মজুরির ভিত্তিতে উচ্ছেদ অভিযানে অংশ নেয়া শ্রমিকদের আসামী করে আদালতে একটি মামলা দায়ের করেন। যা এখনো চলমান।



এ বিষয়ে মোঃ আজমুল হক জানান, সরকারি রাস্তা দখলকারীর হাত থেকে উদ্ধারের অভিযোগ করে আমি ও উচ্ছেদ অভিযানে অংশ নেয়া শ্রমিকরা মামলার আসামী হয়েছি। উচ্ছেদের কয়েকদিনের মধ্যে ওই ভূমি পুনরায় দখল হয়েছে। সরকারি রাস্তা দখলদারদের বিরুদ্ধে কথা বলায় আমরা মামলার ঘানি টানছি।



সফিকুর রহমানের সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি জানান, তৎকালীন সহকারী কমিশনার (ভূমি) মোসাঃ জেসমিন আকতার বানু না বুঝেই উক্ত রাস্তা হতে তাকে উচ্ছেদ করেছেন। এতে তার অনেক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। এই রাস্তা লীজ নেয়ার বিষয়টি প্রক্রিয়াধীন। সেদিন যারা উচ্ছেদের নামে গাছপালা কেটেছে আমি তাদের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেছি।



সহকারী কমিশনার (ভূমি) লিটুস লরেন্স চিরান বলেন, সরকারি রাস্তার জন্য নির্ধারিত ভূমি ব্যক্তিগতভাবে কেউ দখলে নিলে আইন অনুযায়ী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থাগ্রহণ করা হবে।



 



 



 


এই পাতার আরো খবর -
আজকের পাঠকসংখ্যা
৪৯৬৭৩৪
পুরোন সংখ্যা