চাঁদপুর। বৃহস্পতিবার ৬ ডিসেম্বর ২০১৮। ২২ অগ্রহায়ণ ১৪২৫। ২৭ রবিউল আউয়াল ১৪৪০
redcricent
jibon dip

সর্বশেষ খবর :

  • -
হেরার আলো
বাণী চিরন্তন
আল-হাদিস

৪৪-সূরা দুখান


৫৯ আয়াত, ৩ রুকু, 'মক্কী


পরম করুণাময় ও অসীম দয়ালু আল্লাহর নামে শুরু করছি।


 


২২। অতঃপর মূসা তাহার প্রতিপালকের নিকট আবেদন করিল, ইহারা তো এক অপরাধী সম্প্রদায়।


২৩। আমি বলিয়াছিলাম, 'তুমি আমার বান্দাদিগকে লইয়া রজনী যোগে বাহির হইয়া পড়, তোমাদের পশ্চাদ্ধাবন করা হইবে।


২৪। সমুদ্রকে স্থির থাকিতে দাও, উহারা এমন এক বাহিনী যাহা নিমজ্জিত হইবে।


দয়া করে এই অংশটুকু হেফাজত করুন


 


 


 


যারা যত বেশি টাকার পেছনে ছোটে, তারা জীবনে ততটাই অসুখী হয়। -সৌরভ মাহমুদ।


 


 


নামাজে তোমাদের কাতার সোজা কর, নচেৎ আল্লাহ তোমাদের অন্তরে মতভেদ ঢালিয়া দিবেন।


ফটো গ্যালারি
তাবলীগের মুরুব্বী ও স্থানীয় ওলামায়ে কেরামদের নিয়ে পুলিশের বৈঠকে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মোঃ জাহেদ পারভেজ
নির্বাচনী পরিবেশে জুমার খুৎবায় তাবলীগের অতীত-বর্তমান নিয়ে কথা বলার প্রয়োজন নেই
মুহাম্মদ আবদুর রহমান গাজী
০৬ ডিসেম্বর, ২০১৮ ০০:০০:০০
প্রিন্টঅ-অ+


ঢাকায় ইজতেমার মাঠে তাবলীগ জামাতের দু পক্ষের সংঘর্ষের ঘটনায় চাঁদপুরে তাবলীগ জামাতের বর্তমান পরিস্থিতির উপর তাবলীগের মুরুব্বী ও স্থানীয় ওলামায়ে কেরামকে নিয়ে পুলিশের বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে। গতকাল বুধবার সকাল সাড়ে ১১টায় চাঁদপুর মডেল থানায় এ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।



এতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল) মোঃ জাহেদ পারভেজ। তিনি তাঁর বক্তব্যে বলেন, ঢাকায় ইজতেমা মাঠে দু পক্ষের সংঘর্ষ নিয়ে চাঁদপুরের পরিবেশ উত্তপ্ত করার প্রয়োজন নেই। জাতীয় নির্বাচন আসন্ন। দেশের সবাই এখন নির্বাচনমুখী। নির্বাচনের পরে তাবলীগ জামায়াতের উভয়কে নিয়ে আলোচনা হবে। এখন নির্বাচনী পরিবেশে মসজিদে জুমার খুৎবার পাক আলোচনায় তাবলীগের অতীত-বর্তমান কথা বলার প্রয়োজন নেই। বরং জুমার খুৎবায় ধর্মীয় নানা বিষয়ে কথা বলা যেতে পারে। তিনি আরো বলেন, দেশে আইন আছে। দেশের আইন অমান্য করা এবং আইন-শৃঙ্খলার অবনতি ঘটানো আমরা পছন্দ করি না। কার কী উদ্দেশ্য সেটা আমরা পুলিশ প্রশাসন বুঝি। তাবলীগ জামায়াতের দু পক্ষ রাস্তায় নামা দরকার ছিলো না। ইস্যু যতো বড়ই হোক, সেটা নিয়ে রাস্তায় নামা যাবে না। আলোচনায় বসতে হবে। এখানে প্রয়োজন ছিলো উভয় পক্ষের আলোচনা করা। রাস্তায় নামলে নৈরাজ্য সৃষ্টি হয়। মানুষের দুর্ভোগ বাড়ে। সুতরাং দু পক্ষই প্রশাসনের সহযোগিতা নেয়া দরকার ছিলো। রাষ্ট্রই ইজতেমার জায়গা নির্ধারণ করে দিয়েছে। সুতরাং রাষ্ট্রের নির্দেশ সকলকে মানার আহ্বান জানান।



চাঁদপুর মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোহাম্মদ ইবরাহীম খলিলের সভাপ্রধানে ও ওসি (তদন্ত) মোহাম্মদ হারুনুর রশিদের পরিচালনায় অংশ নেন জেলা ইমাম সমিতির সভাপতি মাওঃ মোঃ সাইফুদ্দিন খন্দকার, সাধারণ সম্পাদক মাওঃ আব্দুস সালাম, জেলা জমিয়াতুল মোদার্রেছীনের সাধারণ সম্পাদক মাওঃ মোঃ মোস্তাফিজুর রহমান খান, জেলা কওমি সংগঠনের সহ-সভাপতি মুফতি সিরাজুল ইসলাম, সাধারণ সম্পাদক মাওঃ মোঃ লিয়াকত হোসোইন, জেলা আহলে সুন্নাত ওয়াল জামায়াতের অর্থ সম্পাদক মাওঃ পীরজাদা খাজা জোবায়ের, তাবলীগ জামায়াতের এক অংশের নেতা (মাওঃ সা'দ গ্রুপ) মাওঃ আবদুর রশিদ তালুকদার, ঐতিহাসিক বেগম জামে মসজিদের খতিব মুফতি মাহবুবুর রহমান, ইসলামিক ফাউন্ডেশনের ফিল্ড অফিসার মুহাম্মদ শামসুদ্দীন, জেলা ইমাম ও মুয়াজ্জিন কল্যাণ ট্রাস্টের সাধারণ সম্পাদক মাওঃ মোঃ আবদুর রহমান গাজী, মাওঃ মোঃ জাকারিয়া, মাওঃ মোঃ মোস্তফা কামাল প্রমুখ।



 


আজকের পাঠকসংখ্যা
৩৬২২৮৭
পুরোন সংখ্যা