চাঁদপুর, মঙ্গলবার ১৬ এপ্রিল ২০১৯, ৩ বৈশাখ ১৪২৬, ৯ শাবান ১৪৪০
jibon dip

সর্বশেষ খবর :

  • -
হেরার আলো
বাণী চিরন্তন
আল-হাদিস

৪৮-সূরা ফাত্হ্

২৯ আয়াত, ৪ রুকু, মাদানী

২৬। যখন কাফিররা তাহাদের অন্তরে পোষণ করিতো গোত্রীয় অহমিকা-অজ্ঞতার যুগের অহমিকা, তখন আল্লাহ তাঁহার রাসূল ও মু’মিনদিগকে স্বীয় প্রশান্তি দান করিলেন; আর তাহাদিগকে তাকওয়ার বাক্যে সুদৃঢ় করিলেন, এবং তাহারাই ছিলো ইহার অধিকতর যোগ্য ও উপযুক্ত। আল্লাহ সমস্ত বিষয়ে সম্যক জ্ঞান রাখেন।











 


assets/data_files/web

মনের যাতনা দেহের যাতনার চেয়ে বেশি। -উইলিয়াম হ্যাজলিট।


 


নফস্কে দমন করাই সর্বপ্রথম জেহাদ।


ফটো গ্যালারি
মতলবে মশার উপদ্রব বেড়ে গেছে শহরবাসীর দুর্ভোগ
রেদওয়ান আহমেদ জাকির
১৬ এপ্রিল, ২০১৯ ০০:০০:০০
প্রিন্টঅ-অ+

মতলব শহরে ও পৌরসভার এলাকাগুলোতে মশার উপদ্রব বেড়ে যাওয়ায় জনদুর্ভোগে পড়েছে জনসাধারণ। দীর্ঘদিন মশার উপদ্রব কমাতে কোনো ব্যবস্থা না নেয়ায় জনসাধারণের ভোগান্তি দিন দিন বেড়েই চলেছে। গরমের মৌসুমে এর তীব্রতা আরো বৃদ্ধি পেয়েছে।

দেখা গেছে, মতলব শহরের ও আশপাশের এলাকায় একাধিক ডোবা, নর্দমা, মজা পুকুর ও ঝোঁপ-ঝাড় থাকায় মশার উপদ্রব খুব বেড়েছে। ফলে বাসাবাড়ি, দোকানপাট, স্কুল-কলেজ, অফিস-আদালত সর্বত্রই মশার উপদ্রব দেখা দিয়েছে। কয়েক মাস পূর্বে পৌরসভা থেকে বাজার ও আশপাশের এলাকায় মশার ঔষধ ছিটিয়ে দিলেও বেশিরভাগ স্থানে তা দেয়া হয়নি।

মতলব পৌর এলাকার বাসিন্দা মোস্তাফিজুর জামান আমিন জানান, বেশ কিছুদিন ধরে এলাকায় মশার উপদ্রব বেড়েছে। বাসায় ও দোকানে থাকা দুষ্কর হয়ে পড়েছে। রুমের ভেতর কয়েল বা স্প্রে ব্যবহার করেও মশার উপদ্রব থেকে রক্ষা পাওয়া যাচ্ছে না।

একাধিক অভিভাবক জানান, রাতে ও দিনে মশার উপদ্রবের কারণে শিক্ষার্থীদের পড়াশোনায় মারাত্মক ব্যাঘাত ঘটছে।

শহরের কলাদী, এলেমগঞ্জ, ঘোষপাড়া, নবকলস, ভাঙ্গারপাড়, বাইশপুর ও চরমুকুন্দির বেশ কজন জানান, কয়েল জ্বালিয়ে, ওষুধ ছিটিয়ে ও মশারি টাঙিয়ে মশার উপদ্রব থেকে নিস্তার পাওয়ার চেষ্টা করছেন পৌরবাসী। কিন্তু তাতেও কাজ হচ্ছে না। প্রায় মাসখানেক ধরে মশার উপদ্রব বেড়েছে। মশারি টানিয়ে ও কয়েল জ্বালিয়েও তা থেকে রক্ষা পাওয়া যাচ্ছে না। মশার কামড়ে শিশুরা বিভিন্ন রোগে আক্রান্ত হচ্ছে। দিনে বাচ্চাদের মশারি টাঙিয়ে ঘুম পাড়াতে হয়।

চাঁদপুরের সিভিল সার্জন (ভারপ্রাপ্ত) এবং মতলব দক্ষিণ উপজেলা স্বাস্থ্য ও পঃপঃ কর্মকর্তা ডাঃ একেএম মাহবুবুর রহমান বলেন, এখন গ্রীষ্ম, তারপর বর্ষা। আর এ সময়গুলো চিকুনগুনিয়া ও ডেঙ্গু হচ্ছে এক আতঙ্কের নাম। গরম পড়ার সঙ্গে সঙ্গে মশায় ভরে গেছে উপজেলার সর্বত্র। মশার কামড়ে ফাইলেরিয়া, ম্যালেরিয়া ও ডেঙ্গুজাতীয় রোগসহ ইদানীং এর সঙ্গে যুক্ত হয়েছে চিকুনগুনিয়া। এক দশকেরও বেশি সময় ধরে ডেঙ্গু প্রায় মহামারি আকার ধারণ করেছে। কিন্তু ২০১৭ সালে থেকে এর সাথে যুক্ত হয়েছে চিকুনগুনিয়া। মশা নিধনে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থাগ্রহণ করতে হবে এবং জনসাধারণের মধ্যে ব্যাপক সচেতনতা তৈরি করতে হবে।

মতলব পৌরসভার মেয়র মোঃ আওলাদ হোসেন লিটন বলেন, মশা নিধনে পৌরসভার পক্ষ থেকে স্প্রে ব্যবহার করা হচ্ছে। দ্রুততম সময়ে যাতে এ স্প্রে ব্যবহার করা যায়, সে বিষয়ে নজর দেয়া হয়েছে। বাসাসহ আশপাশের পানি জমে থাকা রোধ, ঝোঁপ জঙ্গল পরিস্কারে সকলের সহযোগিতা করলে মশার উপদ্রব কম হবে।

এই পাতার আরো খবর -
আজকের পাঠকসংখ্যা
৯০৩০৯৭
পুরোন সংখ্যা