চাঁদপুর, রোববার ২১ এপ্রিল ২০১৯, ৮ বৈশাখ ১৪২৬, ১৪ শাবান ১৪৪০
jibon dip

সর্বশেষ খবর :

  • -
হেরার আলো
বাণী চিরন্তন
আল-হাদিস

৪৯-সূরা হুজুরাত


১৮ আয়াত, ২ রুকু, 'মাদানী


৩। যাহারা আল্লাহর রাসূলের সম্মুখে নিজেদের কণ্ঠস্বর নীচু করে, আল্লাহ তাহাদের অন্তরকে তাকওয়ার জন্য পরীক্ষা করিয়া লইয়াছেন। তাহাদের জন্য রহিয়াছে ক্ষমা ও মহাপুরস্কার।


 


 


 


assets/data_files/web

বাণিজ্যই হলো বিভিন্ন জাতির সাম্য সংস্থাপক। -গ্লাডস্টোন।


 


 


যখন কোনো দলের ইমামতি কর, তখন তাদের নামাজকে সহজ কর।


 


 


 


ফটো গ্যালারি
ধানুয়ায় সম্পত্তিগত বিরোধে মুক্তিযোদ্ধাকে আগুনে পুড়িয়ে হত্যার চেষ্টা থানায় অভিযোগ
২১ এপ্রিল, ২০১৯ ০০:০০:০০
প্রিন্টঅ-অ+

ফরিদগঞ্জ উপজেলার ধানুয়া এলাকায় সাবেক সরকারি কর্মকর্তা ও বীর মুক্তিযোদ্ধা মোঃ আরব হোসেন (৬৫)কে সম্পত্তিগত বিরোধের জের ধরে আগুনে পুড়িয়ে হত্যা চেষ্টার ঘটনায় ফরিদগঞ্জ থানায় জিডি করা হয়েছে। যার নং-৫৮৮, তারিখ-১২-০৪-২০১৯ খ্রিঃ। পরে একই থানায় এ বিষয়ে একটি অভিযোগও দায়ের করা হয়েছে।

অভিযোগ ও জিডির সূত্র ধরে জানা যায়, ধানুয়া গ্রামের সন্তান অবসরপ্রাপ্ত সরকারি অডিট কর্মকর্তা ও বীর মুক্তিযোদ্ধা মোঃ আরব হোসেন (৬৫), পিতা-মৃত দিনাজ বঙ্ মিজি। সরকারি চাকুরী করার কারণে পৈত্রিক বাড়িতে বসবাস করতেন না। তিনি স্ত্রী-সন্তান নিয়ে সরকারের দায়িত্ব পালন করার স্বার্থে ঢাকায় বসবাস করতেন। যার কারণে ২/১ বছর পরপর বা মাঝেমধ্যে বৃদ্ধ মাতা-পিতাকে দেখার জন্যে বাড়িতে আসতেন। এভাবেই চলতে থাকে তার কর্মজীবন। চাকুরি শেষে তিনি তার পৈত্রিক সম্পত্তি ও খরিদকৃত কিছু সম্পত্তি বুঝে নিতে বাড়িতে আসেন। পরবর্তীতে তার বাড়ির শরীক বা চাচাতো-জেঠাতো ভাইগণ তাকে সম্পত্তি থেকে বঞ্চিত করার জন্যে নাজেহাল করাসহ বিভিন্নভাবে হয়রানি করতে থাকেন। তারা আরব হোসেনকে হত্যার উদ্দেশ্যে তার উপস্থিতি নিশ্চিত করে তার বাগানে গত ২৩ মার্চ রাত সাড়ে ১০টায় আগুন লাগিয়ে দেয়। কিন্তু ভাগ্যক্রমে তিনি সেখানে না থাকায় প্রাণে বেঁচে যান। এরপর স্থানীয়ভাবে ইউপি চেয়ারম্যান ও মেম্বারসহ স্থানীয় সালিসগণকে তিনি বিষয়টি অবহিত করেন। এক পর্যায়ে তিনি কোনো উপায়ন্তর না পেয়ে মোঃ ইকবাল হোসেন মিজি (৩০), পিতা আলী হোসেন মিজি; মোঃ আব্দুল্লা (১৮), পিতা-ঐ; ইসমাইল মিজি (৪০), পিতা-মৃত সোবহান মিজি; ইয়ার হোসেন (৪০), পিতা-মৃত বেলায়েত হোসেন মিজি; রিপন মিজি (২২), পিতা- মৃত মাসুদ মিজিকে অভিযুক্ত করে ফরিদগঞ্জ থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি করেন। যার নাম্বার ৫৮৮, তারিখ-১২-০৪-২০১৯ খ্রিঃ। উক্ত ডায়েরিটি ফরিদগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ তাৎক্ষণিকভাবে এএসআই মোবারক হোসেনকে তদন্তপূর্বক আইনগত ব্যবস্থাগ্রহণের জন্যে নির্দেশ প্রদান করেন। পরে তিনি তদন্তকালে জিডিতে উল্লেখিত সাক্ষী ও স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিদের সাক্ষীর ভিত্তিতে ঘটনার সত্যতা পান। এক পর্যায়ে পুলিশ কর্মকর্তা উক্ত ঘটনার অধর্তব্য অপরাধ তদন্ত অনুমতি প্রসঙ্গে বিজ্ঞ সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে অনুমতি প্রদানের আবেদন করেন।

এদিকে ঘটনাটি দেখে উল্লেখিত বিবাদীগণ বেপরোয়া হয়ে উঠেন। তারা এখন বাদীকে মামলা তুলে নেয়ার জন্যে একের পর এক হুমকি দিতে থাকেন। অন্যথায় বাদীকে সপরিবারে হত্যার হুমকি দিতে থাকেন। এদিকে অভিযোগে উল্লেখিত বিবাদীগণের মধ্যে ইসমাইল হোসেন মিজি ও ইয়ার হোসেন মিজি জঙ্গি হিসেবে ফরিদগঞ্জ এলাকায় জনশ্রুতি রয়েছে। এদের দু'জনের বিরুদ্ধে জঙ্গি মামলাসহ বেশ কিছু মামলা রয়েছে। অল্প কিছুদিন পূর্বে ইয়ার হোসেন মিজি সিলেটে একটি টাকা আত্মসাতের মামলায় জেল খাটেন। এছাড়াও এরা জামায়াতে ইসলামী এবং নিষিদ্ধ জঙ্গি সংগঠনের কার্যক্রমের সাথে জড়িত রয়েছেন বলে জানা যায়। এদের সদস্য সংখ্যা বাড়ানোর উদ্দেশ্যে তাদের বাড়ির কাচারীর হুজুর নূরুল ইসলাম (যার বাড়ি কচুয়া উপজেলায়) এনে এসব সন্ত্রাসী কর্মকা- চালাচ্ছেন। এরা লেবানন, সিরিয়া, মালশিয়া, ইরাকসহ বিভিন্ন দেশে ইসলামী জঙ্গি গ্রুপের সক্রিয় সদস্য। এদের পাসপোর্টগুলো দেখে তদন্ত সাপেক্ষে প্রয়োজনীয় আরো তথ্য উদ্ঘাটন হবে বলে এলাকার সাধারণ মানুষের অভিমত।

আজকের পাঠকসংখ্যা
৩৪৬৩৫৩
পুরোন সংখ্যা