চাঁদপুর, বুধবার ২২ মে ২০১৯, ৮ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৬, ১৬ রমজান ১৪৪০
jibon dip

সর্বশেষ খবর :

  • মতলবের জিয়াউর রহমান সাউথ আফ্রিকায় সন্ত্রাসীদের গুলিতে নিহত।
হেরার আলো
বাণী চিরন্তন
আল-হাদিস

৫০-সূরা কাফ্

৪৫ আয়াত, ৩ রুকু, মক্কী

পরম করুণাময় ও অসীম দয়ালু আল্লাহর নামে শুরু করছি।

৩৬। আমি তাহাদের পূর্বে আরও কত মানবগোষ্ঠীকে ধ্বংস করিয়াছি যাহারা ছিল উহাদের অপেক্ষা শক্তিতে প্রবল, উহারা দেশে দেশে ঘুরিয়া বেড়াইত; উহাদের কোনো পলায়নস্থল রহিল কি?

৩৭। ইহাতে উপদেশ রহিয়াছে তাহার জন্য যাহার আছে অন্তঃকরণ অথবা যে শ্রবণ করে নিবিষ্ট চিত্তে।


assets/data_files/web

ভালোবাসার ক্ষেত্রে সেই জ্ঞানী যে ভালোবাসা বেশি কিন্তু প্রকাশ করে কম। -জর্জ ডেভিডসন।


 


 


নিঃসন্দেহে তিন প্রকার লোকের দোয়া কবুল হয়। পিতার দোয়া, মোসাফিরের দোয়া এবং অত্যাচারিত ব্যক্তির দোয়া।


 


 


ফটো গ্যালারি
কচুয়ায় সম্পত্তি জালিয়াতির মামলা থেকে রেহাই পেলেন সাচার জগন্নাথ ধামের সম্পাদক নিখিল দাস
মোহাম্মদ মহিউদ্দিন
২২ মে, ২০১৯ ০০:০০:০০
প্রিন্টঅ-অ+

কচুয়ায় সম্পত্তি জালিয়াতির মামলা থেকে রেহাই পেলেন দেশের ঐতিহ্যবাহী সাচার জগন্নাথ ধামের সাধারণ সম্পাদক নিখিল চন্দ্র দাস। জানা যায়, এই ধামের সভাপতি তিমির সেনগুপ্ত সাধারণ সম্পাদক নিখিল চন্দ্র দাসসহ তিনজনের বিরুদ্ধে জগন্নাথ ধামের কিছু সম্পত্তি জাল দলিল সৃষ্টি করে আত্মসাৎ করার অভিযোগে চাঁদপুরের বিজ্ঞ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেটের আদালতে মামলা দায়ের করেন। মামলা নং ১৩৬/২০১৮ খ্রিঃ। গত ১২ মে বিজ্ঞ আদালত দীর্ঘ শুনানি শেষে এ মামলার রায় প্রদান করেন। রায়ে উল্লেখ করা হয়, অভিযোগকারী কর্তৃক অভিযোগের প্রেক্ষিতে জাল দলিল সৃষ্টির অপরাধে এ পর্যায়ে অভিযোগ গঠন করে বিচার করার মতো উপাদান না থাকায় আসামী পক্ষের সি.আর.পি.সি.-এর ২৪১-এ ধারার দরখাস্ত মঞ্জুরক্রমে আসামীদেরকে এই মামলার রায় হতে অব্যাহতি দেয়া হলো। এই রায় প্রদানের ফলে নিখিল দাসের পাশাপাশি মামলার অপর দুই আসামী দীনেশ চন্দ্র ধর ও সুবল পোদ্দারও মামলা থেকে অব্যাহতি পেয়েছেন।

এদিকে তিমির সেনগুপ্তের বিরুদ্ধে ২০১৮ সালের ৪ সেপ্টেম্বর সাচার জগন্নাথ ধাম পূজা ও সাংস্কৃতিক সংঘের প্রধান উপদেষ্টা চাঁদপুরের জেলা প্রশাসকের নিকট গণসাক্ষরে একটি অভিযোগ দায়ের করা হয়। ওই অভিযোগপত্রে উল্লেখ করা হয়, সাচার জগন্নাথ ধামের প্রতিষ্ঠাতা জমিদার গঙ্গা গোবিন্দ সেনের বংশধর না হওয়া সত্ত্বেও নিজেকে তেমনটি দাবি করে নানান ছলচাতুরির আশ্রয় নিয়ে বিভিন্নভাবে প্রভাব খাটিয়ে তিমির সেন জগন্নাথ ধামের সভাপতির পদে অধিষ্ঠিত হন। সভাপতি থাকাকালীন তিনি সভাপতির পরিচয়ে স্বেচ্ছাচারিতার মাধ্যমে মন্দিরের টাকা দিয়ে ৪১৬ শতক সম্পত্তি তার নিজের নামে লীজ আনেন। কিন্তু উক্ত সম্পত্তি মন্দির প্রতিষ্ঠার পর থেকেই গঙ্গা গোবিন্দ সেনের মৌখিক নির্দেশ মোতাবেক জগন্নাথ মন্দির, দুর্গা মন্দির ও কৃষ্ণ মন্দিরসহ স্থানীয় মন্দিরের ভোগদখলে রয়েছে। এ সকল মন্দিরে নিয়মিত পূজা, অর্চনা চলে আসছে এবং বিভিন্ন ব্যয় নির্বাহের জন্যে মন্দিরের বিশাল পুকুর, দোকান ভাড়া ও ভক্তদের অনুদানের খাত রয়েছে। কিন্তু মন্দিরের আয়ের টাকা দিয়ে তিমির সেন তার নামে লীজ নেয়া সম্পত্তির লীজ মানি পরিশোধ করে অনেক অর্থ নিজেই আত্মসাৎ করেছেন।

ওই অভিযোগপত্রে সাচার জগন্নাথ ধাম পূজা ও সাংস্কৃতিক সংঘ কমিটির তথাকথিত সভাপতি তিমির সেনগুপ্তের স্বেচ্ছাচারিতা, দুর্নীতি ও অনৈতিক কর্মকা-ের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিয়ে ১৫১ বছরের আদি সাচার জগন্নাথ মন্দিরের ঐতিহ্যকে রক্ষাসহ সাধারণ ভক্তদের প্রাণের দাবি অনুযায়ী তিমির সেনগুপ্তের হাত থেকে সাচারের সকল ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানকে রক্ষা করতে আবেদন জানানো হয়।

এ ব্যাপারে নিখিল চন্দ্র দাস এক প্রতিক্রিয়ায় বলেন, বিজ্ঞ আদালত যথার্থ রায় দেয়ায় আমি সন্তুষ্ট। জগন্নাথ ধাম মন্দিরের সম্পত্তি রক্ষা করতে গিয়ে মামলার আসামী হয়েছি, তাতে কোনো দুঃখ নেই। হিন্দু সম্প্রদায়ের সকল নেতা ও জগন্নাথ ধামের ভক্তবৃন্দের সহযোগিতা নিয়ে মন্দিরের সম্পত্তি রক্ষা করাসহ মন্দিরের উন্নয়নে কাজ করে যাবো।

আজকের পাঠকসংখ্যা
১১৪১১১৭
পুরোন সংখ্যা