চাঁদপুর, শুক্রবার ২৪ মে ২০১৯, ১০ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৬, ১৮ রমজান ১৪৪০
jibon dip

সর্বশেষ খবর :

  • -
হেরার আলো
বাণী চিরন্তন
আল-হাদিস

৫৮-সূরা মুজাদালা


২২ আয়াত, ৩ রুকু, মাদানী


পরম করুণাময় ও অসীম দয়ালু আল্লাহর নামে শুরু করছি।


 


০৮। তুমি কি তাহাদিগকে লক্ষ্য করো না, যাহাদিগকে গোপন পরামর্শ করিতে নিষেধ করা হইয়াছিলো? অতঃপর উহারা যাহা নিষিদ্ধ তাহারই পুনরাবৃত্তি করে এবং পাপাচরণ, সীমালঙ্ঘন ও রাসূলের বিরুদ্ধাচরণের জন্য কানাকানি করে। উহারা যখন তোমার নিকট আসে তখন উহারা তোমাকে এমন কথা দ্বারা অভিবাদন করে ...যদ্ধারা আল্লাহ্ তোমাকে অভিবাদন করেন নাই। উহারা মনে মনে বলে, 'আমরা যাহা বলি তাহার জন্য আল্লাহ্ আমাদিগকে শাস্তি দেন না কেন?' জাহান্নামই উহাদের জন্য যথেষ্ট, যেথায় উহারা প্রবেশ করিবে, কত নিকৃষ্ট সেই আবাস!


 


 


 


assets/data_files/web

নিজে ঠিক থাকলেই হল, লোকে কী বলে না বলে তা নিয়ে মাথা ঘামানো উচিত নয়। -রুজভেল্ট।


 


 


 


যে ব্যক্তি সওয়াবের (পুণ্যের) নিয়তে পরিবারের জন্য খরচ করে আল্লাহ তাহাকে সদকার সওয়াব দান করিবেন।


 


 


 


ফটো গ্যালারি
জেলেদের কাছ থেকে টাকা উত্তোলনের অভিযোগে পুরাণবাজারের এক যুবকের দুই মাসের কারাদন্ড
স্টাফ রিপোর্টার
২৪ মে, ২০১৯ ০০:০০:০০
প্রিন্টঅ-অ+


জাটকা রক্ষা কর্মসূচি (অভয়াশ্রম) চলাকালে নৌ-বাহিনীর নাম ভাঙ্গিয়ে জেলেদের কাছ থেকে টাকা উত্তোলনের দায়ে সাদ্দাম খা (২৫) নামে এক স্পীড বোট চালককে দুই মাসের কারাদ- প্রদান করেছে জেলা প্রশাসনের ভ্রাম্যমাণ আদালত। সাজাপ্রাপ্ত সাদ্দাম খা পুরাণবাজার ১নং খেয়া ও ট্রলার ঘাটের ব্যবসায়ী মোম ফ্যাক্টরীর ইউসুফ খার ছেলে।



মঙ্গলবার দুপুরে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মোরশেদুল ইসলাম ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করে তাকে জেলা কারাগারে প্রেরণ করেন।



অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রট মোহাম্মদ আব্দুল্লাহ আল মাহমুদ জামান জানান, আটক যুবক নৌ-বাহিনীসহ প্রশাসনের নাম ভাঙ্গিয়ে নিষেধাজ্ঞার সময় অনেক জেলেদের কাছ থেকে টাকা পয়সা নিয়েছে। এর সত্যতা প্রমাণ পাওয়ায় তাকে ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে এই সাজা দেয়া হয়।



নৌ-বাহিনীর বিএনএস পদ্মা কমান্ডার আব্দুল্লাহ মামুন জানান, স্পীড বোট চালানোর সুবাদে সাদ্দাম নদীতে জেলেদের ভয়ভীতি দেখাতো। সে জাল ধরবে না, জাল ছাড়িয়ে দেয়া হবে বলে অনেক জেলের কাছ থেকে টাকা নিয়েছে। জেলেদের এসব অভিযোগে আমরা তাকে ধরে জেলা প্রশাসনের কাছে সোপর্দ করি।



এদিকে এলাকা সূত্রে জানা যায়, সাদ্দামসহ একটি চক্র নদীতে অভিযান চলাকালীন নৌ পুলিশ, কোস্টগার্ড, নৌ-বাহিনী এবং ফিশারী বিভাগকে ম্যানেজ করার কথা বলে তাদের মাছ ধরতে দেয়া হবে এবং প্রশাসন ধরবে না এমন আশ্বাসে জেলেদের কাছ থেকে লাখ লাখ টাকা হাতিয়ে নিয়েছে। সে নদীর চোরাচালানি কাজের সাথেও জড়িত। এ ছাড়া সাংবাদিক ও প্রশাসনের সোর্স পরিচয়েও চাঁদাবাজির অভিযোগ রয়েছে তার বিরুদ্ধে।



এ অবৈধ টাকার প্রভাবে সাদ্দাম খা ১নং খেয়াঘাটে নদীর পাড়ে সরকারি জায়গা দখল করে মূল্যবান স্থাপনা নির্মাণ করেছে বলে জানায় এলাকাবাসী।



 


এই পাতার আরো খবর -
আজকের পাঠকসংখ্যা
২৫৫৯০
পুরোন সংখ্যা