চাঁদপুর, বুধবার ১২ জুন ২০১৯, ২৯ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৬, ৮ শাওয়াল ১৪৪০
jibon dip

সর্বশেষ খবর :

  • -
হেরার আলো
বাণী চিরন্তন
আল-হাদিস

৫৮-সূরা মুজাদালা


২২ আয়াত, ৩ রুকু, মাদানী


পরম করুণাময় ও অসীম দয়ালু আল্লাহর নামে শুরু করছি।


 


০৮। তুমি কি তাহাদিগকে লক্ষ্য করো না, যাহাদিগকে গোপন পরামর্শ করিতে নিষেধ করা হইয়াছিলো? অতঃপর উহারা যাহা নিষিদ্ধ তাহারই পুনরাবৃত্তি করে এবং পাপাচরণ, সীমালঙ্ঘন ও রাসূলের বিরুদ্ধাচরণের জন্য কানাকানি করে। উহারা যখন তোমার নিকট আসে তখন উহারা তোমাকে এমন কথা দ্বারা অভিবাদন করে ...যদ্ধারা আল্লাহ্ তোমাকে অভিবাদন করেন নাই। উহারা মনে মনে বলে, 'আমরা যাহা বলি তাহার জন্য আল্লাহ্ আমাদিগকে শাস্তি দেন না কেন?' জাহান্নামই উহাদের জন্য যথেষ্ট, যেথায় উহারা প্রবেশ করিবে, কত নিকৃষ্ট সেই আবাস!


 


 


 


assets/data_files/web

নিজে ঠিক থাকলেই হল, লোকে কী বলে না বলে তা নিয়ে মাথা ঘামানো উচিত নয়। -রুজভেল্ট।


 


 


 


যে ব্যক্তি সওয়াবের (পুণ্যের) নিয়তে পরিবারের জন্য খরচ করে আল্লাহ তাহাকে সদকার সওয়াব দান করিবেন।


 


 


 


ফটো গ্যালারি
কাজ শেষ না হতেই ১৪ কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মিত কচুয়া-গৌরীপুর সড়কের ২২ স্থানে ভাঙ্গন
ফরহাদ চৌধুরী
১২ জুন, ২০১৯ ০০:০০:০০
প্রিন্টঅ-অ+


গৌরীপুর-কচুয়া-হাজীগঞ্জ সড়কটি জেলার অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ও ব্যস্ততম সড়ক। অথচ কাজ শেষ হতে না হতেই ভেঙ্গে যাচ্ছে ১৪ কোটি টাকা ব্যয়ে নবনির্মিত এ সড়কটি। সড়ক ও জনপথ বিভাগের ৪২ কিলোমিটারের এ সড়ক দিয়ে কচুয়া, হাজীগঞ্জ, মতলব, চাঁদপুর, রামগঞ্জ, লক্ষ্মীপুর ও নোয়াখালী অঞ্চলের লোকজন ঢাকা, চাঁদপুর, কুমিল্লা ও চট্টগ্রাম যাতায়াত করে। দুর্ঘটনা এড়াতে নতুন করে ওই সড়কে সরলীকরণ, ব্রীজ ও কালভার্ট নির্মাণ কাজ শেষ হয়েছে।



চাঁদপুর সড়ক ও জনপথ অফিসসূত্রে জানা যায়, কুমিল্লার মেসার্স এমআরসি ও মেসার্স হাসান বিল্ডার্স ১৪ কোটি টাকা ব্যয়ে সড়কের নির্মাণের কাজ করছে। মঙ্গলবার সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, সড়কের ১২টি বাঁক সরলীকরণ, ৪টি কালভার্ট ও ১টি ব্রিজের নির্মাণের কাজ ইতিমধ্যে শেষ হয়েছে। কাজ শেষ না হতেই নির্মাণাধীন সড়কটির অন্তত ২২টি স্থানে ভেঙ্গে গেছে। সড়কের কাজ করতে গিয়ে সংশ্লিষ্ট ঠিকাদার সড়কের বিভিন্ন স্তরে বালি, খোয়া ও পাথর আনুপাতিক হারে মিশ্রণ না করায় কাজ শেষ হতে না হতেই সড়কটি ভেঙ্গে যাচ্ছে। এতে সড়ক ও জনপথ বিভাগের দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তাদের তদরকিও খুব একটা চোখে পড়ে না। কোনো কোনো স্থান ভেঙ্গে সড়কের মাঝখানে এসে পড়েছে। ভেঙ্গে যাওয়া অনেক স্থানে লাল পতাকাও দেয়া হয়নি। ফলে যে কোনো সময় বড় ধরনের দুর্ঘটনা ঘটার আশঙ্কা করছে যাত্রী ও সাধারণ মানুষ।



গাড়িচালক ও যাত্রী সাধারণ মনে করছে, পালাখাল মোড়ে ২টি, দোয়াটি মেড়ে ২টিসহ অন্তত ৪টি স্থানে বাঁক সরলীকরণ খুবই ঝুঁকিপূর্ণ হয়েছে। কারণ বাঁক সোজা করতে গিয়ে প্রকৃতপক্ষে সোজা করা হয়নি। কারণ সড়কের বাঁকের একপ্রান্ত থেকে অন্যপ্রান্তের গাড়ি দেখা যায় না। এতে দুর্ঘটনার ঝুঁকি আরো বেড়ে যাওয়ার আশঙ্কা রয়েছে বলে যাত্রী ও গাড়ির চালকগণ মনে করে।



সড়কটির চাঁদপুর অঞ্চলের ৩২ কিলোমিটারের বাঁক সরলীকরণ, ব্রীজ নির্মাণের কাজ শেষে কচুয়া-গৌরীপুর সড়কে বিশাল ব্যয়ে মজবুতকরণের কাজ চলছে। মজবুতকরণের কাজ সঠিকভাবে করা ও ভেঙ্গে যাওয়া সড়কটির বিষয়ে জরুরি ভিত্তিতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানান স্থানীয়রা।



গৌরিপুর-কচুয়া-হাজীগঞ্জ রাস্তা মেরামতের কাজের বিষয়ে চাঁদপুর সড়ক ও জনপথ বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী জহিরুল ইসলামের মুঠোফোনে (০১৭৩০৭৮২৬৪৪) বারবার চেষ্টা করেও তাঁকে পাওয়া যায়নি।



 



 



 


আজকের পাঠকসংখ্যা
২৩৮৩২
পুরোন সংখ্যা