চাঁদপুর, রোববার ১৬ জুন ২০১৯, ২ আষাঢ় ১৪২৬, ১২ শাওয়াল ১৪৪০
jibon dip

সর্বশেষ খবর :

  • -
হেরার আলো
বাণী চিরন্তন
আল-হাদিস

৫১-সূরা যারিয়াত

৬০ আয়াত, ৩ রুকু, মক্কী

৫১। তোমরা আল্লাহর সঙ্গে কোন ইলাহ স্থির করিও না ; আমি তোমাদের প্রতি আল্লাহ প্রেরিত স্পষ্ট সতর্ককারী।

৫২। এইভাবে উহাদের পূর্ববর্তীদের নিকট যখনই কোন রাসূল আসিয়াছে উহারা তাহাকে বলিয়াছে, ‘তুমি তো এক জাদুকর, না হয় এক উন্মাদ!’


assets/data_files/web

সহনশীলতা এমন একটা গুন যা থেকে সফলতা আসবেই।


-জুভেনাল।


 


 


পুরাতন কাপড় পরিধান করো, অর্ধপেট ভরিয়া পানাহার করো, ইহা নবীসুলভ কার্যের অংশ বিশেষ।


 


 


 


 


ফটো গ্যালারি
হাইমচরে ফসলী জমি রক্ষায় কৃষকদের মানববন্ধন
চাঁদপুর কন্ঠ রিপোর্ট
১৬ জুন, ২০১৯ ০০:০০:০০
প্রিন্টঅ-অ+


হাইমচরের নীলকমল ইউনিয়নে বিভিন্ন নাম দিয়ে ব্যক্তি স্বার্থে ফসলী জমিতে গুচ্ছ গ্রাম ও আশ্রয়ন প্রকল্প করার প্রতিবাদে এলাকাবাসী শনিবার সকালে চররাও এলাকায় মানববন্ধন করেছে। মানববন্ধনে এলাকাবাসী অভিযোগ করে বলেন, প্রায় ৫০ একর ফসলী জমির উপর নীলকমল ইউনিয়নের চেয়ারম্যান সালাউদ্দিন সরদার বিভিন্ন নাম দিয়ে গুচ্ছগ্রাম ও আশ্রয়ণ প্রকল্প করছেন। তারা বলেন, আমরা গরীব অসহায় নদী সিকস্তি কৃষক। আমরা বাপ-দাদার পৈত্রিক সম্পত্তিতে চাষাবাদ করে ফসল উৎপাদন করে পরিবার-পরিজন নিয়ে জীবিকা নির্বাহ করে থাকি। আমাদের ফসলী জমিতে ফসল কেটে নীলকমল ইউনিয়নের চেয়ারম্যান নিয়ে যায়। সেখানে পেশীশক্তি দিয়ে অন্যায়ভাবে ফসলী জমিতে গুচ্ছ গ্রাম ও আশ্রয়ণ প্রকল্প করার প্রকল্প নিয়েছে। এই প্রকল্প বাস্তবায়ন হলে প্রায় ২ হাজার পরিবার মারাত্মক ক্ষতিগ্রস্ত হবে।



এ ব্যাপারে ইউপি চেয়ারম্যান সালাউদ্দিন সরদার বলেন, আমি কারো জমি থেকে ধান কেটে নেইনি এবং কারো জমিতে আশ্রয়ণ প্রকল্প করিনি। সরকারি খাস জমিতে আমি আশ্রয়ণ প্রকল্প ও গুচ্ছ গ্রাম করছি। এলাকাবাসী তাদের ফসলী জমিতে গুচ্ছ গ্রাম ও আশ্রয়ন প্রকল্প না করার জন্য চাঁদপুরের জেলা প্রশাসক বরাবর লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন। অভিযোগকারীরা হলেন, আনোয়ার খরাতী, সুলতান ছৈয়াল, বাচ্চু হাওলাদার, সফিক খান, মকবুল খান, খলিল মুন্সী, জামাল ঢালী, আমির ছৈয়াল, আলাউদ্দিন শিকদার, লাভলু মাতাব্বর, আইনল মোল্লা, ইয়াজল, সর্দার ও ইলিয়াছ।



প্রকল্পের কাজ বাস্তবায়ন না করার জন্যে চাঁদপুর-৩ আসনের সাংসদ শিক্ষামন্ত্রী ডাঃ দীপু মনি এমপির হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন এলাকাবাসী। এ ব্যাপারে হাইমচর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ফেরদৌসি বেগম বলেন, আমরা গুচ্ছগ্রাম ও আশ্রয়ণ প্রকল্প সরকারি খাস জমিতে করার অনুমতি দিয়েছি। কারো পৈত্রিক সম্পত্তিতে করার অনুমতি দেইনি। আমি বিষয়টি খতিয়ে দেখবো।



 


আজকের পাঠকসংখ্যা
১১৮১৬২৪
পুরোন সংখ্যা