চাঁদপুর, বুধবার ১৭ জুলাই ২০১৯, ২ শ্রাবণ ১৪২৬, ১৩ জিলকদ ১৪৪০
jibon dip

সর্বশেষ খবর :

  • চাঁদপুর শহরে গৃহপরিচারিকার ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার
হেরার আলো
বাণী চিরন্তন
আল-হাদিস

৫৩-সূরা নাজম


৬২ আয়াত, ৩ রুকু, মক্কী


পরম করুণাময় ও অসীম দয়ালু আল্লাহর নামে শুরু করছি।


২৭। যাহারা আখিরাতে বিশ্বাস করে না তাহারাই নারীবাচক নাম দিয়া থাকে ফিরিশ্তাদিগকে;


২৮। অথচ এই বিষয়ে উহাদের কোন জ্ঞান নাই, উহারা তো কেবল অনুমানেরই অনুসরণ করে; কিন্তু সত্যের মুকাবিলায় অনুমানের কোনই মূল্য নাই।


 


assets/data_files/web

মানুষের মধ্যে ঈশ্বরের উপস্থিতিটাই হল বিবেক। -সুইডেন বোর্গ।


 


 


দয়া ঈমানের প্রমাণ; যার দয়া নেই তার ঈমান নেই।


 


ফটো গ্যালারি
কচুয়ার খাল প্রভাবশালীদের দখলে
মোহাম্মদ মহিউদ্দিন
১৭ জুলাই, ২০১৯ ০০:০০:০০
প্রিন্টঅ-অ+


কচুয়া উপজেলার ভূমি কর্মকর্তাদের অবহেলার কারণে অধিকাংশ ছোট-বড় খাল স্থানীয় প্রভাবশালীদের দখলে চলে গেছে। একজনের দেখাদেখি অন্যজন খাল ভরাট করে প্রতিযোগিতা করে ভবন নির্মাণ করে ব্যবসা প্রতিষ্ঠান পরিচালনা করে আসছে। দখলদারদের মধ্যে অনেকে নিজেকে ক্ষমতাসীন দলের লোক দাবি করে আসছে বলেও জানা যায়।



উপজেলা পরিসংখ্যান ও তথ্য অফিসে মোট খালের পরিমাণ সম্পর্কে তথ্য পাওয়া না গেলেও ইউপি চেয়ারম্যানদের নিকট থেকে প্রাপ্ত তথ্যানুসারে কচুয়া উপজেলায় খালের দৈর্ঘ্যের পরিমাণ প্রায় ২শ' কিলোমিটার। কচুয়া-হাজীগঞ্জ ভায়া পরাণপুর, সাচার-হাজীগঞ্জ ভায়া কচুয়া, সাচার-নায়েরগাঁ ভায়া বড়দৈল, কচুয়া-রঘুনাথপুুর, কচুয়া-কাপিলা বাড়ি, কচুয়া-নলুয়া ভায়া মনোহরপুর, সফিবাদ-আলীয়ারা ভায়া ভূঁইয়ারা, উজানী-বাখৈইয়া খাল, সাপলোলা ও সুন্দরী খালসহ উপজেলার বেশকিছু খালের অংশ স্থানীয় প্রভাবশালীরা প্রভাব খাটিয়ে দখল করে ইমারত নির্মাণ করে ভোগ দখল করে আসছে। আবার কেউ কেউ বাঁধ নির্মাণ করে বাড়িতে আসা যাওয়ার পথ তৈরি করেছে। আবার কোথাও কোথাও খাল ভরাট করে দোকানপাট নির্মাণ করে ব্যবসা-বাণিজ্য পরিচালনা করে আসছে। এতে খালের পানি চলাচল বন্ধ হয়ে যাওয়ায় মাঠে মাঠে জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হয়ে ফসল উৎপাদন মারাত্মকভাবে ব্যাহত হচ্ছে। অবস্থাদৃষ্টে মনে হয় খালের পাড় দখল করে ইমারত নির্মাণের প্রতিযোগিতায় নেমেছে প্রভাবশালীরা।



এদিকে খাল ভরাট করে দখল করে নেওয়ায় সৃষ্ট সমস্যা সমাধানে বিভিন্ন সময় সামাজিক সংগঠনের নেতৃত্বে সভা সমাবেশ করে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের নিকট দাবি জানানো হয়। তাছাড়া দেশের বিভিন্ন পত্র পত্রিকায় এ বিষয়ে সংবাদ প্রকাশিত হয়। কিন্তু দখল করে নেওয়া খাল মুক্ত করতে দখলকারী প্রভাবশালীদের বিরুদ্ধে আজও কোনো ব্যবস্থা নেয়া হয়নি বলে স্থানীয়রা জানায়।



এ বিষয়ে কচুয়া উপজেলার ভারপ্রাপ্ত নির্বাহী কর্মকর্তা, সহকারী কমিশনার (ভূমি) রুমন দে জানান, আমরা এই বিষয়ে অভিযোগ পেলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থাগ্রহণ করে থাকি। উপজেলার বিভিন্ন হাট-বাজার ও গ্রামগঞ্জে দখল করে নেয়া খালের অংশ পুনরুদ্ধারে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থাগ্রহণে ৩৭৬ জন দখলদার ব্যক্তির নামের তালিকা ইতিমধ্যেই জাতীয় নদী রক্ষা কমিশনে পাঠানো হয়েছে। এছাড়া চলতি মাসে জাতীয় মৎস্য সপ্তাহ উপলক্ষে খালের বিভিন্ন স্থানে মানব সৃষ্ট বাঁধ উচ্ছেদে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করা হবে।



 


আজকের পাঠকসংখ্যা
২০৯০১৭
পুরোন সংখ্যা