চাঁদপুর, বৃহস্পতিবার ১২ সেপ্টেম্বর ২০১৯, ২৮ ভাদ্র ১৪২৬, ১২ মহররম ১৪৪১
jibon dip

সর্বশেষ খবর :

  • -
হেরার আলো
বাণী চিরন্তন
আল-হাদিস

৫৯-সূরা হাশ্‌র


২৪ আয়াত, ৩ রুকু, মাদানী


পরম করুণাময় ও অসীম দয়ালু আল্লাহর নামে শুরু করছি।


১০। যাহারা উহাদের পরে আসিয়াছে, তাহারা বলে, 'হে আমাদের প্রতিপালক! আমাদিগকে এবং ঈমানে অগ্রণী আমাদের ভ্রাতাগণকে ক্ষমা কর এবং মুমিনদের বিরুদ্ধে আমাদের অন্তরে বিদ্বেষ রাখিও না। হে আমাদের প্রতিপালক! তুমি তো দয়ার্দ্র, পরম দয়ালু।'


 


 


 


assets/data_files/web

কারো অতীত জেনো না তার বর্তমানকে জানো এবং সে জানাই যথার্থ। -এডিসন।


 


 


যারা অতি অভাবগ্রস্ত, দীন-দরিদ্র কেবল তারা ভিক্ষা করতে পারে।


 


ফটো গ্যালারি
কল্যাণপুর ইউনিয়নে নির্মাণাধীন বসতঘরে ভাংচুর ও মালামাল লুট
স্টাফ রিপোর্টার
১২ সেপ্টেম্বর, ২০১৯ ০০:০০:০০
প্রিন্টঅ-অ+


চাঁদপুর সদর উপজেলার ৩নং কল্যাণপুর ইউনিয়নে নির্মাণাধীন বসতঘরে ভাংচুর ও মালামাল লুটের ঘটনায় থানায় অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে। গত সোমবার দুপুর ২টায় কল্যাণপুর ইউনিয়নের ৩নং ওয়ার্ডের রঙ্গেরগাঁও কাজী বাড়িতে ঘটনা ঘটে। এই ভাংচুরের ঘটনায় বেশ কয়েকজন মারাত্মকভাবে আহত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি রয়েছে। হামলার শিকার আতহরা হলেন মৃত বাচ্চু কাজীর স্ত্রী শাহিদা বেগম (৬৫), শাহিদা বেগমের ছেলে নাইম কাজী ও নির্মাণ শ্রমিক মোঃ সবুজ কাজী।



থানায় অভিযোগকারী শাহিদা বেগমের কাছ থেকে ঘটনার ব্যাপারে জানতে চাইলে তিনি বলেন, আমার দেবর আবু সুফিয়ান বাবুল কাজী পূর্ব পরিকল্পিতভাবে আজকে এই কাজটি করেছে। আমার স্বামীর দীর্ঘদিনের বসত ভিটায় আমার ছেলেরা পুরাতন বসতঘর ভেঙ্গে নতুন করে ভবন নির্মাণের কাজ শুরু করে। নির্মাণ কাজ মাঝামারি থাকা অবস্থায় আমার দেবর আবু সুফিয়ান বাবুল কাজী এখানে জায়গা পাবে বলে কাজ বন্ধ করে দেন। এরপর কয়েক দফা গ্রাম্য সালিসে এই বিষয়ে আলোচনা হলে তিনি আমাদের কাজে বাধা প্রধান করবে না বলে সম্মত হন। একমাস বন্ধ থাকার পর কাজ শুরু করলে গত সোমবার দুপুরে হঠাৎ আবু সুফিয়ান কাজীর নেতৃত্বে একদল সন্ত্রাসী দেশীয় অস্ত্র নিয়ে আমাদের উপর হামলা চালায়।



তিনি আরো বলেন, এ সময় তারা আমাকে প্রহার করে আমার গলায় থাকা ৮ আনা ওজনের স্বর্ণের চেইন, ১০ আনা ওজনের স্বর্ণের কানের দুলসহ ঘরের আলমারিতে থাকা নগদ ৫০ হাজার টাকা লুট করে নেয়। এই হামলার ঘটনায় শাহিদা বেগমের ছেলে নাইম কাজী এগিয়ে আসলে তাকেও বেধড়ক প্রহার করা হয়। এদিকে নির্মাণাধীন ভবনে জায়গা পাবে বলে দাবি করে আবু সুফিয়ান কাজী ভবনটি ভেঙ্গে ফেলে ও গাড়িযোগে ৫০ বস্তা রয়েল সিমেন্ট নিয়ে যায়। এই হামলার ঘটনায় জড়িতরা হলো আবু সুফিয়ান কাজী (৬০), রুবি বেগম (৫০), স্বামী আবু সুফিয়ান কাজী, রুবেলসহ অজ্ঞাত ১০/১২ জন।



ভবনের ভাংচুরের ব্যাপারে জানতে চাইলে শাহিদা বেগম আরো বলেন, এই ভবনের ভাংচুর করা, নির্মাণ কাজের আনা রড, সিমেন্ট ও ঢেউটিনসহ আমার প্রায় ২,৫০,০০০ টাকার ক্ষতি করা হয়েছে। এই হামলার ঘটনায় আহত শাহিদা বেগম, নাইম কাজী ও নির্মাণ শ্রমিক সবুজ গ্রামবাসী উদ্ধার করে হাসপাতালে ভর্তি করে।



এই হামলার ব্যাপারে জানতে চাইলে নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক বাসিন্দা জানায়, আবু সুফিয়ান বাবুল কাজীর নেতৃত্বে এলাকায় নানা সন্ত্রাসী, লাঠিয়ালি কাজ ও পরসম্পদ দখলকারী একটা ভাড়াটে সিন্ডিকেট কাজ করে আসছে।



 



 


আজকের পাঠকসংখ্যা
৫৯৪৮৪৪
পুরোন সংখ্যা