চাঁদপুর, বৃহস্পতিবার ১৯ সেপ্টেম্বর ২০১৯, ৪ আশ্বিন ১৪২৬, ১৯ মহররম ১৪৪১
jibon dip

সর্বশেষ খবর :

  • চাঁদপুর সদর হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়কসহ আরো ৯ জনের করোনা শনাক্ত, মোট আক্রান্ত ২১৯
হেরার আলো
বাণী চিরন্তন
আল-হাদিস

৬৯-সূরা হাক্কা :


৫২ আয়াত, ২ রুকু, মক্কী


৩৪। এবং অভাবগ্রস্তকে অন্নদানে উৎসাহিত করিত না,


৩৫। অতএব এইদিন সেথায় তাহার কোন সুহৃদ থাকিবে না,


৩৬। এবং কোন খাদ্য থাকিবে না ক্ষত নিঃসৃত স্রাব ব্যতীত,


 


 


 


assets/data_files/web

অতিরিক্ত চাহিদাই মানুষের পতনকে ডেকে আনে।


-জন অলকৃট।


 


 


 


মানবতাই মানুষের শ্রেষ্ঠতম গুণ।


 


 


 


 


ফটো গ্যালারি
বলাখালে অহরহ ঘটছে স্ট্যান্ডকেন্দ্রিক চাঁদা আদায়সহ শিক্ষার্থী আহতের ঘটনা
বিদ্যালয়ের দেয়াল ঘেঁষে অবৈধ অটোস্ট্যান্ড ও দোকান নির্মাণ
কামরুজ্জামান টুটুল
১৯ সেপ্টেম্বর, ২০১৯ ০০:০০:০০
প্রিন্টঅ-অ+


হাজীগঞ্জ পৌর এলাকার বলাখাল পশ্চিমবাজারে অবস্থিত বলাখাল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়। এই বিদ্যালয়ের প্রধান ফটক ও দেয়াল ঘেঁষে সম্প্রতি গড়ে উঠেছে অবৈধ অটোরিঙ্া স্ট্যান্ড ও বেশ কয়েকটি টং দোকান। দোকান বসিয়ে ভাড়া দেয়া আর স্ট্যান্ডকেন্দ্রিক চাঁদা আদায় করছে স্থানীয় একটি প্রভাবশালী মহল। বিদ্যালয়ের সামনে অটোরিঙ্ার স্ট্যান্ড হওয়ার কারণে প্রায়সময় বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা অটোরিঙ্ার ধাক্কায় আহত হয়ে চিকিৎসা নিতে হচ্ছে। স্থানীয় ওই প্রভাবশালীর কারণে বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ এ বিষয়ে মুখ খুলতে ভয় পাচ্ছে।



সরেজমিনে দেখা যায়, বলাখাল বাজারস্থ বলাখাল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের দেয়াল ঘেঁষে গড়ে উঠেছে বলাখাল বাজার-দক্ষিণ বলাখাল প্রতাপপুর, গুদারাঘাট সড়কের অটোরিঙ্া স্ট্যান্ড। স্থানীয় একটি প্রভাবশালী মহল এ অটোরিঙ্া স্ট্যান্ড বসিয়ে এ থেকে আদায় করে নিচ্ছে মোটা অংশের চাঁদা। অপরদিকে স্ট্যান্ডের পাশেই বিদ্যালয়ের দেয়াল ঘেঁষে তৈরি করা হয়েছে বেশ কয়েকটি টং দোকান। এই দোকানগুলো ভাড়া দিচ্ছে প্রভাবশালীরা। এই সকল কারণে বিদ্যালয়ের সৌন্দর্যহানিসহ পড়ালেখার ব্যাঘাত ঘটে আসছে বেশ কিছুদিন।



স্ট্যান্ড এলাকায় খোঁজ নিতে গেলে ওই স্ট্যান্ডের একজন লাইনম্যান চাঁদপুর কণ্ঠকে জানান, এই স্ট্যান্ড ব্যবহার করে প্রতিদিন প্রায় ২০টি অটোরিঙ্া চলাচল করছে। প্রতিটি গাড়ি থেকে দৈনিক ১৫ টাকা করে চাঁদা আদায় করে আসছে স্ট্যান্ড সংশ্লিষ্টরা।



বিদ্যালয়ের কয়েকজন অভিভাবক চাঁদপুর কণ্ঠকে জানান, আমাদের বাচ্চারা বিদ্যালয়ের গেট দিয়ে ঢুকতে ও বের হতে বেশ সমস্যায় পড়ে। এই বিদ্যালয়ের অনেক শিক্ষার্থী ইতিমধ্যে অটোরিঙ্ার ধাক্কায় আহত হয়েছে। এতে করে আমরা সন্তানদের বিদ্যালয়ে পাঠিয়ে দুশ্চিন্তায় থাকি।



বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক রাবেয়া আক্তার জানান, বেশ কিছুদিন ধরে বিদ্যালয়ের দেয়াল ঘেঁষে অটোরিঙ্া স্ট্যান্ড আর টং দোকান বসানোর কারণে বাচ্চাদের বিদ্যালয়ে আসা ও যাওয়ার পথে অনেক সময় লাগে। অপর এক প্রশ্নে এই শিক্ষক জানান, ইতিমধ্যে অটোরিঙ্ার ধাক্কায় বেশ কজন শিক্ষার্থী আহত হয়েছে। যাদের মধ্যে কয়েকজনকে স্ট্যান্ড কর্তৃপক্ষ চিকিৎসা দিয়েছে।



এ বিষয়ে পৌর মেয়র আসম মাহবুব উল আলম লিপন বলেন, এটি একটি অবৈধ অটোরিঙ্া স্ট্যান্ড। হাজীগঞ্জ পৌরসভা এ জাতীয় কোনো স্ট্যান্ড অনুমোদন দেয়নি।



 



 


আজকের পাঠকসংখ্যা
৩৬৫৯৬৮
পুরোন সংখ্যা