চাঁদপুর, শুক্রবার ২০ সেপ্টেম্বর ২০১৯, ৫ আশ্বিন ১৪২৬, ২০ মহররম ১৪৪১
jibon dip

সর্বশেষ খবর :

  • -
হেরার আলো
বাণী চিরন্তন
আল-হাদিস

৫৬ সূরা-ওয়াকি'আঃ


৯৬ আয়াত, ৩ রুকু, মক্কী


পরম করুণাময় ও অসীম দয়ালু আল্লাহর নামে শুরু করছি।


৮০। ইহা জগৎসমূহের প্রতিপালকের নিকট হইতে অবতীর্ণ।


৮১। তবুও কি তোমরা এই বাণীকে তুচ্ছ গণ্য করিবে?


৮২। এবং তোমরা মিথ্যারোপকেই তোমাদের উপজীব্য করিয়া লইয়াছো!


 


 


 


 


 


assets/data_files/web

হিংসা একটা দরজা বন্ধ করে অন্য দুটো খোলে।


-স্যামুয়েল পালমার।


 


 


নামাজ বেহেশতের চাবি এবং অজু নামাজের চাবি।


 


 


 


ফটো গ্যালারি
মতলব উত্তরে সাত মাসে ১৫ লাখ টাকার মাদকদ্রব্য জব্দ আটক ৭৩
তিন শতাধিক অভিযোগ সামাজিকভাবে নিষ্পত্তি করেছেন ওসি
বাবুল মুফতী
২০ সেপ্টেম্বর, ২০১৯ ০০:০০:০০
প্রিন্টঅ-অ+


মতলব উত্তর থানায় গত সাত মাসে ৬৩টি মাদক মামলা, ২টি দস্যুতা মামলা, ১টি ডাকাতি মামলা ও ৪টি চুরি মামলা দায়ের হয়েছে। এছাড়াও ৩৬৭টি অভিযোগ সামাজিকভাবে বৈঠক করে নিষ্পত্তি করেছে পুলিশ। এ অভিযোগগুলো নিষ্পত্তি হওয়ায় অন্তত এক হাজার মানুষ মামলার হয়রানি থেকে মুক্তি পেয়েছে। বিগত বছরগুলো মধ্যে গত ৭ মাসে পুলিশের ব্যাপক তৎপরতায় এ সাফল্য ধরা দিয়েছে।



মতলব উত্তর থানা সূত্র জানায়, গত ২২ ফেব্রুয়ারি থেকে ১৯ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত বিভিন্ন মামলায় ৪৮৩ জনকে গ্রেপ্তার করে বিজ্ঞ আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে। ৮৪ জন দাগি মাদক ব্যবসায়ীর মধ্যে ৭৩ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে, পলাতক রয়েছে ১১ জন। ৪ হাজার ৫৬৫ পিচ ইয়াবা, ৯ কেজি ৮৫০ গ্রাম গাঁজা, ৩ লিটার দেশীয় চুলাই মদ, ২টি ভোদকা, ৮ বোতল ফেন্সিডিল, ৪টি বিয়ারসহ মোট ১৪ লাখ ৮৬ হাজার ৫০ টাকার (প্রায় ১৫ লাখ) মাদকদ্রব্য জব্দ করা হয়েছে।



থানায় আসা কজন সেবাগ্রহিতার সাথে কথা বললে তারা জানান, বর্তমানে থানায় এসে দ্রুত সেবা পেয়েছেন তারা। অভিযোগ করলেই মিলেছে কাঙ্ক্ষিত সেবা।



মালেক নামে এক ব্যক্তি জানান, সম্পত্তির বিরোধ নিয়ে থানায় অভিযোগ করেছিলাম। বিনা খরচে ওসি মহোদয় তা সমাধান করে দিয়েছেন। জেসমিন আক্তার নামে অসহায় এক নারী বলেন, আমি দীর্ঘদিন পারিবারিক কলহে ভোগান্তিতে ছিলাম। একদিন জানতে পারলাম ওসি সাহেব খুব ভালো। পরে থানায় এসে অভিযোগ করার পর সুষ্ঠু সমাধান পেয়েছি। এভাবে অনেকে জানিয়েছেন তাদের মনের ভাষ্য।



মতলব উত্তর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোঃ মিজানুর রহমান জানান, অফিসিয়াল কার্যক্রমের বাইরেও আমি জনসেবা বৃদ্ধির জন্যে কাজ করেছি। উপজেলার ছেঙ্গারচর বাজারের বিভিন্ন পয়েন্টে সিসি ক্যামেরা স্থাপন, ডেঙ্গু প্রতিরোধে সচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে হাট-বাজার ও সকল শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে প্রচার অভিযান, র‌্যালি, সভা, পাঁচগাছিয়া রাস্তা মেরামত এবং গলাকাটা গুজবের সময় পুলিশি তৎপরতা বাড়ানোর কারণে অপ্রীতিকর ঘটনা থেকে মুক্তি, পরিবহনখাতকে চাঁদাবাজমুক্ত, গ্রাম পুলিশ ও কমিউনিটি পুলিশিং কমিটির সদস্যদের মাধ্যমে নৈশপ্রহরীর ব্যবস্থা করা এবং থানার সম্প্রসারিত ভবন নির্মাণ করেছি।



এক বিশেষ সাক্ষাতে ওসি মিজানুর রহমান বলেন, আমি এ থানায় যোগদান করার পর থেকেই থানা পুলিশকে ব্যাপক তৎপর করে তুলি। পুলিশ হলো জনগণের সেবক। সে হিসেবে আমি পুলিশ সদস্যদের পরিচালনা করেছি। আমি চেয়েছি, পুলিশের মাধ্যমে জনগণ সবসময়ই সেবা পাক। পুলিশ চাইলে অনেক ভাবে জনগণকে সেবা করতে পারে। এই থানায় আমার সবচেয়ে বড় পাওনা হলো ঘুষ দুর্নীতি মুক্ত সেবা দিতে পেরেছি।



ওসি আরো জানান, সরকারের ভাবমূর্তি বৃদ্ধি করার স্বার্থে পুলিশ যে কোনো অপরাধ দমন করাসহ জনসেবা করতে পারে। পুলিশকে মানুষ অনেক বিশ্বাস করে। তাই আমি বলবো পুলিশকে মানুষের মনের ভাব বুঝে পাশে দাঁড়াতে হবে। আর ভালো সেবা পাওয়ার জন্যে জনগণও পুলিশকে সহায়তা করতে হবে। তাহলেই সরকারের ডিজিটাল দেশ গড়ার অঙ্গীকার বাস্তবায়নে দ্রুত সফল আসবে।



 



 



 


এই পাতার আরো খবর -
আজকের পাঠকসংখ্যা
৬১৯৯১৪
পুরোন সংখ্যা