চাঁদপুর, বৃহস্পতিবার ১০ অক্টোবর ২০১৯, ২৫ আশ্বিন ১৪২৬, ১০ সফর ১৪৪১
jibon dip

সর্বশেষ খবর :

  • --
হেরার আলো
বাণী চিরন্তন
আল-হাদিস

৬৪-সূরা তাগাবুন


১৮ আয়াত, ২ রুকু, মাদানী


পরম করুণাময় ও অসীম দয়ালু আল্লাহর নামে শুরু করছি।


৮। অতএব তোমরা আল্লাহ, তাঁহার রাসূল ও যে জ্যোতি আমি অবতীর্ণ করিয়াছি তাহাতে বিশ্বাস স্থাপন কর। তোমাদের কৃতকর্ম সম্পর্কে আল্লাহ সবিশেষ অবহিত।


 


assets/data_files/web

গণমানুষকে জাগিয়ে তোলার জন্য কবিতা অস্ত্রস্বরূপ।


-কাজী নজরুল ইসলাম।


 


 


প্রত্যেক কওমের জন্য একটি পরীক্ষা আছে এবং আমার উম্মতদের পরীক্ষা তাদের ধন-দৌলত।


 


ফটো গ্যালারি
চাঁদপুরসহ পিডিবির পিচরেইট মিটার রিডারগণের বিকল্প কর্মসংস্থান দাবি
১০ অক্টোবর, ২০১৯ ০০:০০:০০
প্রিন্টঅ-অ+


দেশের বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ডের (পিডিবি) পিচরেইট রিডারগণ দীর্ঘদিন যাবৎ সততা ও নিষ্ঠার সাথে রোদ-বৃষ্টি ঝড়-বন্যাসহ প্রাকৃতিক দুর্যোগ উপেক্ষা করে মিটার রিডিং গ্রহণ ও বিদ্যুৎ বিল গ্রাহকদের ঘরে ঘরে পেঁৗছানোর দায়িত্ব পালন করে আসছেন।



সরকার দেশের সিস্টেম লস কমানোর জন্যে গ্রাহকদের ঘরে ঘরে পূর্বের মিটার খুলে চাঁদপুরসহ পূর্বাঞ্চলের ৮ জেলায় প্রি-পেইড মিটার স্থাপন করে। আধুনিক প্রযুক্তির ইতিবাচক প্রভাবের বদৌলতে প্রি-পেইড মিটার স্থাপনকে পিচরেইট মিটার রিডারগণ সাধুবাদ জানালেও এ অঞ্চলের কয়েকশ' পিচরেইট মিটার রিডার এতে বেকার হয়ে পড়েন। এদের মধ্যে কারো কারো চাকরির বয়স ১৫-১৬ বছর পেরিয়ে গেছ্।ে কারো আবার ২০-২৫ বছর হয়ে গেছে। কিন্তু তাদের এখন অন্য কোনো পেশায় প্রবেশ করে উপার্জন করা সম্ভব হচ্ছে না। পরিবারের একমাত্র উপার্জনক্ষম ব্যক্তি যদি এ বয়সে বেকার জীবনযাপন করে বিষয়টি তাহলে খুবই বেদনাদায়ক। ফলে আড়াই বছর ধরে পরিবার পরিজন নিয়ে দুর্বিষহ জীবনযাপন করছে। এমন কি অনাহারক্লিষ্ট দিন অতিবাহিত করছেন বলে বেশ ক'জন মিটার রিডার জানান।



'শেখ হাসিনার উদ্যোগ, ঘরে ঘরে বিদ্যুৎ' সরকারের এ শ্লোগানকে বাস্তবায়ন করতে অন্যান্য বিদ্যুৎ বিভাগীয় কর্মকর্তা-কর্মচারীগণের মত তারাও প্রশংসনীয় ভূমিকা পালন করেছেন। আজ যেখানে সরকার প্রতি ঘরে ঘরে একজনের কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করার ঘোষণা দিয়েছে, সেখানে শত শত মিটার রিডার কোনোই বিকল্প ব্যবস্থা না করায় বেকার হয়ে পড়েছে। বর্তমানে তাও এ বিভাগটির দায়িত্বে রয়েছেন খোদ জাতির জনক বঙ্গবন্ধুর কন্যা ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। মিটার রিডারগণ বর্তমানে বেকারত্বের অভিশাপে জর্জরিত ও হতাশাগ্রস্ত হয়ে পড়েছেন। আধুনিক প্রযুক্তি তাদের রুটি-রুজির পথ বন্ধ করে দিয়েছে।



চাঁদপুরে ৬০ হাজার গ্রাহকের মিটার পরিবর্তন করে প্রি-পেইড মিটার লাগানো হয়েছে। তারা এ গ্রাহকদের বিলের কাগজ পৌঁছানো বাবদ ২.২৫ টাকা ও মিটার রিডিং করে পেত ৩. ৫০ টাকা। চাঁদপুরে এদের সংখ্যা ২৫-৩০-এর মত। এরই মধ্যে তারা বিহিত ব্যবস্থা নিতে সংশ্লিষ্ট জেলা প্রশাসকের মাধ্যমে সংসদ সদস্য, মন্ত্রী ও প্রধানমন্ত্রীর বরাবরে স্মারকলিপি পেশ করে তাদের দুঃখ-দুর্দশার কথা জানিয়েছেন। পোস্টার ও লিফলেটের মাধ্যমে তাদের অভাব-অভিযোগের কথা জানিয়েছেন ।



তারা বেকার সমস্যা সমাধানে প্রি-পেইড মিটার মনিটরিং বা অন্য যে কোনো দায়িত্ব প্রদান করে তাদের জীবিকা অর্জনের একটা ব্যবস্থা করতে সংশ্লিষ্ট সকল মহলের প্রতি আবেদন জানিয়েছেন।



 



 


এই পাতার আরো খবর -
আজকের পাঠকসংখ্যা
৪০৬৪৭৬
পুরোন সংখ্যা