চাঁদপুর, মঙ্গলবার ২২ অক্টোবর ২০১৯, ৬ কার্তিক ১৪২৬, ২২ সফর ১৪৪১
jibon dip

সর্বশেষ খবর :

  • -
হেরার আলো
বাণী চিরন্তন
আল-হাদিস

৫৭-সূরা হাদীদ


২৯ আয়াত, ৪ রুকু, মাদানী


পরম করুণাময় ও অসীম দয়ালু আল্লাহর নামে শুরু করছি।


 


০৫। আকাশম-লী ও পৃথিবীর সর্বময় কর্তৃত্ব তাঁহারই এবং আল্লাহরই দিকে সমস্ত বিষয় প্রত্যাবর্তিত হইবে।


০৬। তিনিই রাত্রিকে প্রবেশ করান দিবসে এবং দিবসকে প্রবেশ করান রাত্রিতে এবং তিনি অন্তর্যামী।


 


 


 


মর্যাদা রক্ষার ব্যাপারে আমি নিজের অভিভাবক। -নিকেলাস রান্ড।


 


 


যদি মানুষের ধৈর্য থাকে তবে সে অবশ্য সৌভাগ্যশালী হয়।


 


 


 


ফটো গ্যালারি
হাজীগঞ্জের নিখোঁজ কলেজ ছাত্র মাওয়া ফেরিঘাট থেকে উদ্ধার
কামরুজ্জামান টুটুল
২২ অক্টোবর, ২০১৯ ০০:০০:০০
প্রিন্টঅ-অ+


হাজীগঞ্জের কলেজ ছাত্র মাকসুদুল মাহমুদ আকাশ নিখোঁজের কয়েক ঘণ্টার মধ্যে মাওয়া ফেরিঘাট থেকে উদ্ধার করা হয়েছে। ছাত্রটি বর্তমানে রাজধানীর একটি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছে। আকাশ মতলব উত্তর উপজেলার ফরাজীকান্দি ইউনিয়নের জাকির হোসেনের ছেলে। সে হাজীগঞ্জ সরকারি মডেল কলেজের একাদশ শ্রেণির শিক্ষার্থী এবং হাজীগঞ্জ বাজার এলাকায় একটি ফ্ল্যাট বাড়িতে মেসে থাকতো।



কলেজ ছাত্রের চাচা দৈনিক ইত্তেফাকের মতলব উত্তর প্রতিনিধি শামছুজ্জামান ডলার চাঁদপুর কণ্ঠকে জানান, মেসে অবস্থানকালীন গত ১৯ অক্টোবর শনিবার বিকেল থেকে আকাশকে খুঁজে পাওয়া যাচ্ছিলো না। তার ব্যবহৃত মুঠোফোনটি সন্ধ্যার পর থেকে বন্ধ থাকাতে তার পরিবারের মধ্যে উৎকণ্ঠা বাড়ে। পরের দিন ২০ অক্টোবর সকালে আমরা হাজীগঞ্জ থানায় উপস্থিত হয়ে একটি নিখোঁজ ডায়েরি করি। ডায়েরি করার পরেই পুলিশ তথ্যপ্রযুক্তি ব্যবহার করে আকাশের নাম্বারে তার লোকেশন পায় প্রথমে হাজীগঞ্জ বাজার এরপর মাওয়া ফেরিঘাট এলাকা।



ডলার আরো জানান, আকাশের অবস্থান মাওয়া ফেরিঘাট বিষয়টি পুলিশের কাছে জেনে আমরা ঢাকা থেকে রাতে রওনা দিয়ে মাওয়া ফেরিঘাট থেকে আকাশকে উদ্ধার করে ঢাকায় নিয়ে আসি। সে এতোটাই অসুস্থ যে, তার কাছ থেকে কিছুই জানা সম্ভব হয়নি। তাকে চিকিৎসার জন্যে রাজধানীর একটি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সে কিছুটা সুস্থ হলে বিষয়গুলো জানা যাবে।



হাজীগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ আলমগীর হোসেন রনি চাঁদপুর কণ্ঠকে জানান, আকাশের মোবাইল নাম্বর ট্র্যাকিং করে ওইদিন সন্ধ্যা ৬টায় প্রথমে তার লোকশন হাজীগঞ্জ এলাকাতে পাওয়া যায়। এরপরেই তার অবস্থান পাওয়া যায় মাওয়া ফেরিঘাট এলাকায়। এর কয়েক মিনিট পরেই পলাশের বাবার ফোনে পলাশ ফোন করে বলে বাবা আমি আকাশ। আমি কোথায় আছি, কীভাবে এসেছি কিছুই জানি না। পরে ওই মোবাইল মালিক শাহাবুদ্দিনের সাথে কথা হয় আকাশের বাবার। পেশায় রাজমিস্ত্রী শাহাবুদ্দিন থেকে বিস্তারিত শুনে আমরা মাওয়া ফেরিঘাট এলাকার থানা পুলিশ ও ট্রাফিক পুলিশের মাধ্যমে আকাশকে উদ্ধার করি।



 



 


আজকের পাঠকসংখ্যা
৫৬৯১১৪
পুরোন সংখ্যা