চাঁদপুর, শুক্রবার ৮ নভেম্বর ২০১৯, ২৩ কার্তিক ১৪২৬, ১০ রবিউল আউয়াল ১৪৪১
jibon dip

সর্বশেষ খবর :

  • -
হেরার আলো
বাণী চিরন্তন
আল-হাদিস

৫৯-সূরা হাশ্‌র


২৪ আয়াত, ৩ রুকু, মাদানী


পরম করুণাময় ও অসীম দয়ালু আল্লাহর নামে শুরু করছি।


১০। যাহারা উহাদের পরে আসিয়াছে, তাহারা বলে, 'হে আমাদের প্রতিপালক! আমাদিগকে এবং ঈমানে অগ্রণী আমাদের ভ্রাতাগণকে ক্ষমা কর এবং মুমিনদের বিরুদ্ধে আমাদের অন্তরে বিদ্বেষ রাখিও না। হে আমাদের প্রতিপালক! তুমি তো দয়ার্দ্র, পরম দয়ালু।'


 


 


 


assets/data_files/web

কারো অতীত জেনো না তার বর্তমানকে জানো এবং সে জানাই যথার্থ। -এডিসন।


 


 


যারা অতি অভাবগ্রস্ত, দীন-দরিদ্র কেবল তারা ভিক্ষা করতে পারে।


 


ফটো গ্যালারি
সরকারি খালে সাবেক ইউপি চেয়ারম্যানের বাঁশের বেড়া
কামরুজ্জামান টুটুল
০৮ নভেম্বর, ২০১৯ ০০:০০:০০
প্রিন্টঅ-অ+


ইরিগেশনের একটি বড় খালে পানি প্রবাহ ও মাছ চলাচলে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করে বেআইনীভাবে বাঁশের বেড়া দিয়েছে সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান আলহাজ আলী আকবর শেখ। ইতিমধ্যে হাজীগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কার্যালয়, উপজেলা মৎস্য অফিস, বিএডিসি ও উপজেলা কৃষি কর্মকর্তার কার্যালয় বিষয়টি নিয়ে হন্তদন্ত হয়ে কাজে নেমে পড়েছে।



খোঁজ নিয়ে জানা যায়, উপজেলার মধ্যবর্তী অংশ দিয়ে চলে যাওয়া ডাকাতিয়া নদীর শাখা হচ্ছে কোদালিয়া খাল। খালটি ডাকাতিয়া নদীর মুখ থেকে শুরু হয়ে উপজেলার ৬নং বড়কুল পূর্ব ইউনিয়ন হয়ে দক্ষিণে ৯নং গন্ধর্ব্যপুর দক্ষিণ ও ১০নং গন্ধর্ব্যপুরে গিয়ে মিশেছে। অত্র অঞ্চলের বিস্তীর্ণর্ এলাকার ইরি-বোরো সেচ প্রকল্পের মূল পানি এ খাল থেকে পেয়ে থাকে কৃষকরা। খালটির নাব্যতা অনেকাংশে কমে গেলেও বিশালাকৃতির এই খালের পানির উপর নির্ভর করে স্থানীয় মোল্লাডহর, আড়লী, মালিগাঁও, বড়কুল, পালিশারাসহ তৎসংলগ্ন কমপক্ষে ১০টি গ্রামের মানুষের ইরি-বোরো সেচের কাজ সম্পন্ন হয়ে থাকে। অথচ এ খালটিতে মাছ চলাচলে বাধা সৃষ্টির পাশাপাশি কৃষি জমিতে পানি প্রবাহে বাধা সৃষ্টি করা হচ্ছে। এতে দেশীয় প্রজাতির মাছ প্রায় বিলুপ্তির পথে। তবুও কর্তৃপক্ষের নজরে আসছে না খালটি।



সরজমিনে ৯নং গন্ধর্বপুর ইউনিয়নের কোদালিয়া খালের মৈশামুড়া পশ্চিম পাড়া এলাকায় গিয়ে দেখা যায়, ওই এলাকার এলজিএসপি নির্মিত একটি সেচ পাম্প সংলগ্ন খালে বাঁশের কঞ্চি দিয়ে মজবুত করে বেড়া ও সাঁকো নির্মাণ করেছেন একই ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান আলহাজ আলী আবরব শেখ। তিনি আবার মৈশামুড়া মাঠের ইরিগেশন প্রকল্পের স্কীম ম্যানেজার বলে জানান স্থানীয় বড় বাড়ির কবির হোসেন ও মনির হোসেন।



এ বিষয়ে আলহাজ আলী আকবর শেখ মুঠোফোনে জানান, এ বেড়াটা আমি দেইনি। এটি আমার কাজের লোক দিয়েছে। তবে যেহেতু বিষয়টিতে আমার নাম চলে এসেছে, সেই কারণে আজকেই আমি বাঁধটি সরিয়ে ফেলবো। তিনি আরো আরো বলেন, এই খালে আরো ৫০টি বাঁধ আছে, সেটা তো কেউ দেখে না।



উপজেলা মৎস্য অধিদপ্তরের ক্ষেত্র সহকারী মোঃ মাহবুব বলেন, সংবাদ পেয়ে আমি ঘটনাস্থলে গিয়েছি। এ বিষয়ে আলী আকবর শেখকে বাঁধ উঠিয়ে নেয়ার জন্যে বলা হয়েছে।



উপজেলা বিএডিসি সেচ প্রকল্পের প্রকৌশলী (অতিরিক্ত দায়িত্ব) মোঃ মামুনুর রশিদ বলেন, খাল খননের দায়িত্ব আমাদের। খাল আর এর রক্ষণাবেক্ষণের দায়িত্ব আমাদের না। তারপরও খালটিতে গিয়ে খোঁজ-খবর নেয়া হবে।



উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা বৈশাখী বড়ুয়া বলেন, নদী-খাল-বিলে মুক্ত জলাশয়ে মাছ এবং পানি প্রবাহে বাঁধ দেয়া দ-নীয় অপরাধ। বাঁধ নির্মাণকারীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে স্ব স্ব দপ্তরকে বলা হয়েছে। বাঁধ সরানো না হলে কঠোর ব্যবস্থাগ্রহণ করা হবে।



 



 


আজকের পাঠকসংখ্যা
৫৯৩০৬৬
পুরোন সংখ্যা