চাঁদপুর, বুধবার ২০ নভেম্বর ২০১৯, ৫ অগ্রহায়ণ ১৪২৬, ২২ রবিউল আউয়াল ১৪৪১
jibon dip

সর্বশেষ খবর :

  • -
হেরার আলো
বাণী চিরন্তন
আল-হাদিস

৫৮-সূরা মুজাদালা


২২ আয়াত, ৩ রুকু, মাদানী


পরম করুণাময় ও অসীম দয়ালু আল্লাহর নামে শুরু করছি।


 


০৫। যাহারা আল্লাহ ও তাহার রাসূলের বিরুদ্ধাচরণ করে, তাহাদিগকে অপদস্থ করা হইবে যেমন অপদস্থ করা হইয়াছে তাহাদের পূর্ববর্তীদিগকে; আমি সুস্পষ্ট আয়াত অবতীর্ণ করিয়াছি; কাফিরদের জন্যে রহিয়াছে লাঞ্চনাদায়ক শাস্তি।


 


 


 


 


কোনো কোনো সময় প্রকৃতি বিদ্রোহ করলে মানুষ তার সুযোগ গ্রহণ করে। -ইয়ং।


 


 


দাতার হাত ভিক্ষুকের হাত অপেক্ষা উত্তম। যে ব্যক্তি স্বাবলম্বী ও তৃপ্ত হতে চায়, আল্লাহ তাকে স্বাবলম্বন ও তৃপ্তি দান করেন।


 


 


ফটো গ্যালারি
দারিদ্র্য পিছু ছাড়ছে না সেন্টু গাজীর
সোহাঈদ খান জিয়া
২০ নভেম্বর, ২০১৯ ১৮:৩১:৪৮
প্রিন্টঅ-অ+


মোঃ সেন্টু গাজী (২৬) চাঁদপুর শহরের জেটিসি কুলিবাগান এলাকায় বসবাস করে। ৭/৮ বছর বয়সে পিতা হাকীম গাজীকে হারিয়ে অভাবের সংসারে সে আর পড়ালেখা করতে পারেনি। কিশোর বয়স হতে পত্রিকা বিক্রি ও রিকশা চালিয়ে সেন্টু গাজী জীবিকা নির্বাহ করে আসছে। বর্তমানে স্ত্রী, ১ ছেলে ও ১ মেয়ে নিয়ে রিকশা চালিয়ে কোনোরকমে খেয়ে না খেয়ে চলে আসছে তার সংসারজীবন। ছেলে তাওহিদুল ইসলাম চাঁদপুর শহরের গুয়াখোলা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে দ্বিতীয় শ্রেণিতে পড়ে। তার চোখে অনেক স্বপ্ন। ছেলেকে পড়ালেখা করাবে, সুন্দর একটি সংসার করবে। কিন্তু দারিদ্র্য তার পিছু ছাড়ছে না। তারপরও সে হাল ছাড়েনি। রিকশা চালিয়ে যে ক’টা টাকা রোজগার করে তা দিয়ে কোনোরকমে চলে যাচ্ছে তার সংসার। মাথা গোঁজার যে জায়গাটুকু আছে সেখানে রয়েছে তার ভাঙ্গা একটি বসতঘর। তাও আবার ঝুঁকিপূর্ণ। যে কোনো সময় ঘরটি ভেঙ্গে পড়ে দুর্ঘটনা ঘটতে পারে। অর্থের অভাবে সে ঘরটি মেরামত করতে পারছে না। সামান্য বৃষ্টি হলেই ঘরের ভেতর পানি পড়ে। ওই সময় পরিবারের সদস্যরা সকলে মিলে ঘরের এক কোণে বসে থাকতে হয়। অপরদিকে ঘরটি ভেঙ্গে পড়ার ভয়ে আতঙ্কিত থাকে সবাই। কিন্তু যেখানে অর্থের অভাবে পেটে দু মুঠো ভাত দিতে কষ্ট হয় সেখানে ঘর মেরামত করাতো স্বপ্ন দেখার শামিল। আমাদের সমাজে সেন্টু গাজীর ন্যায় অনেক দরিদ্র ব্যক্তি রয়েছে যাদের নুন আনতে পান্তা ফুরায় অবস্থা। আবার আমাদের সমাজে অনেক দানশীল ব্যক্তি রয়েছেন যাদের একটু সহযোগিতায় সেন্টু গাজীর মতো মানুষেরা তাদের স্বপ্নকে বাস্তবায়িত করতে পারে। বিত্তবানদের সন্তানের ন্যায় তার সন্তানরাও বিদ্যালয়মুখী হবে, বসতঘর মেরামত করবে, অন্যদের মতো ভালোভাবে চলবে তার সংসার এমন স্বপ্ন তার চোখে। তার স্বপ্নপূরণ হবে কি না আল্লাহ ছাড়া কেউ জানে না। আমাদের সমাজের দানশীল ব্যক্তি, প্রশাসন ও রাজনৈতিক ব্যক্তিদের একটু সহযোগিতা পেলে সেন্টু গাজীর স্বপ্ন বাস্তবায়িত হবে বলে মনে করেন সচেতন মহল।

 


এই পাতার আরো খবর -
আজকের পাঠকসংখ্যা
৪৩১২৬৫
পুরোন সংখ্যা