চাঁদপুর, রোববার ১৫ ডিসেম্বর ২০১৯, ৩০ অগ্রহায়ণ ১৪২৬, ১৭ রবিউস সানি ১৪৪১
jibon dip

সর্বশেষ খবর :

  • -
হেরার আলো
বাণী চিরন্তন
আল-হাদিস

৫৯-সূরা হাশ্‌র


২৪ আয়াত, ৩ রুকু, মাদানী


পরম করুণাময় ও অসীম দয়ালু আল্লাহর নামে শুরু করছি।


৯। আর তাহাদের জন্যও, মুহাজিরদের আগমনের পূর্বে যাহারা এই নগরীতে বসবাস করিয়াছে ও ঈমান আনিয়াছে, তাহারা মুহাজিরদিগকে ভালবাসে এবং মুহাজিরদিগকে যাহা দেওয়া হইয়াছে তাহার জন্য তাহারা অন্তরে আকাঙ্খা পোষণ করে না, আর তাহারা তাহাদিগকে নিজেদের উপর অগ্রাধিকার দেয় নিজেরা অভাবগ্রস্ত হইলেও। যাহাদিগকে অন্তরের কার্পণ্য হইতে মুক্ত রাখা হইয়াছে, তাহারাই সফলকাম।


 


নিরাপত্তাবোধ হল ভালো ঘুমের প্রধান ও প্রয়োজনীয় অঙ্গ।


নেথানিয়েল ব্লাইটম্যান।


 


 


বিদ্যা শিক্ষার্থীগণ বেহেশতের ফেরেশতাগণ কর্তৃক অভিনন্দিত হবেন।


 


ফটো গ্যালারি
ফরিদগঞ্জে যে বিষয়টি নিয়ে সমালোচনার ঝড়
চাঁদপুর কণ্ঠ রিপোর্ট
১৫ ডিসেম্বর, ২০১৯ ০০:০০:০০
প্রিন্টঅ-অ+


ফরিদগঞ্জের রাজনৈতিক মাঠ ক্রমশ উত্তপ্ত হয়ে উঠছে। অনেকে এই উত্তপ্ত পরিবেশকে 'চরম নোংরামি' বলছেন। আর এই নোংরামিটা চলছে ক্ষমতাসীন দল নিজেদের মধ্যে। এক বছরের মধ্যেই ফরিদগঞ্জে আওয়ামী লীগ নিজেদের মধ্যে দুইবার বড় ধরনের সংঘর্ষের ঘটনা ঘটিয়েছে। অথচ ক্ষমতা গ্রহণের এক বছরও পূর্ণ হয়নি। সামনের দিনগুলো কেমন যায়, সেটি নিয়েই চিন্তিত ক্ষমতাসীন দলের নেতা-কর্মী ছাড়াও সাধারণ জনগণ। আর এ বিরোধটি আওয়ামী লীগের স্থানীয় সংসদ সদস্য মুহম্মদ শফিকুর রহমান এবং আওয়ামী লীগ থেকে মনোনীত নির্বাচিত উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান অ্যাডঃ জাহিদুল ইসলাম রোমানের মধ্যকার। ফরিদগঞ্জবাসীর প্রশ্ন হচ্ছে-উভয়ই তো আপাদমস্তক একই আদর্শের, উভয়ই তো একই দল থেকে মনোনীত, তাহলে কেনো তাদের মধ্যে এতো দ্বন্দ্ব এবং দূরত্ব।



এ বিষয়টি নানাজনে নানাভাবে বিশ্লেষণ করলেও একটি জায়গায় এসে অনেকেই একমত পোষণ করেন যে, আসলে উভয়ের মাঝে মনস্তাত্তি্বক তেমন কোনো দ্বন্দ্ব নেই। স্থানীয় এমপি মহোদয় একজন ব্যক্তি দ্বারা পরিবেষ্টিত হয়ে যাওয়াতেই আসলে ওনার সাথে দলের নেতা-কর্মীদের দিন দিন দূরত্ব বাড়ছে। এমনকি যারা বিগত এক দশকেরও উপরে তাঁর ঘোরতর সমর্থক ছিলেন, তাঁর দুর্দিনে পাশে ছিলেন, বলতে গেলে তাদের কেউই এখন তাঁর পাশে নেই ওই একটি ব্যক্তির কারণে যার দ্বারা তিনি পরিবেষ্টিত হয়ে আছেন। আর সে ব্যক্তিটি যদি সমাজের কোনো গ্রহণযোগ্য ব্যক্তি হতো, কিংবা কোনো অভিজ্ঞ রাজনীতিবিদ হতো তাতে তেমন কারো কোনো আপত্তি ছিলো না। কিন্তু যে লোকটি চিহ্নিত মাদকাসক্ত এবং ফরিদগঞ্জে মাদকের গডফাদার হিসেবে চরমভাবে ধিকৃত, সে লোকটির কথামতোই এমপি সাহেব চলবেন, এটা কেউ মেনে নিতে পারছেন না। তাই বিগতদিনে যারা এমপি শফিকুর রহমান সাহেবের ঘনিষ্ঠ সহযোগী ছিলো, তাদের অনেকেই তাঁর কাছ থেকে দূরে সরে এসেছেন। তারা এখন উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান অ্যাডঃ জাহিদুল ইসলাম রোমানকে ঘিরেই ফরিদগঞ্জে দলীয় কর্মকা- করে যাচ্ছেন। আর জাহিদুল ইসলাম রোমানেরও সরাসরি এমপির বিরুদ্ধে তেমন কোনো গুরুতর অভিযোগ না থাকলেও একজন চিহ্নিত মাদকসেবী ও মাদকের গডফাদারকে তাঁর অঘোষিত উপদেষ্টা বানানো এবং সুযোগসন্ধানী খারাপ লোকগুলোকে আশ্রয়-প্রশ্রয় দেয়ার অভিযোগ এমপির বিরুদ্ধে। মূলত এ বিষয়টি নিয়েই এখন ফরিদগঞ্জে ক্ষমতাসীন দলের মধ্যে দ্বন্দ্ব।



এদিকে যে বিষয়টি নিয়ে এখন ফরিদগঞ্জের সর্বত্র সমালোচনার ঝড় বইছে, সেটি হচ্ছে-এমপি শফিকুর রহমানের উপস্থিতিতে এমপির অনুষ্ঠানে তাঁর নামে শ্লোগান হচ্ছে না, শ্লোগান হচ্ছে ওই বিতর্কিত ব্যক্তির নামে। ফরিদগঞ্জবাসী হতবাক, এটা কী হচ্ছে? এটা কী দেখছি আমরা? যার বিরুদ্ধে মাদক সেবনের অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় তাকে কয়েকটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ম্যানেজিং কমিটি থেকে বাদ দিয়েছে সংশ্লিষ্ট শিক্ষাবোর্ড, যার ইয়াবা সেবনের ভিডিও চিত্র সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমগুলোতে ভাইরাল হয়েছে এবং বিভিন্ন মিডিয়ায় এসেছে, তাকে কীভাবে এমপি সাহেব তাঁর সকল অনুষ্ঠানে তাঁর পাশে রাখেন? শুধু তাই নয়, এসব অনুষ্ঠান এমপির শ্লোগানের চেয়ে ওই বিতর্কিত ও ধিকৃত ব্যক্তিটির শ্লোগানে মুখর থাকে বেশি। এটি কতটা গ্রহণযোগ্য এবং সুস্থ মস্তিষ্কের মানুষের পক্ষে মেনে নেয়া সম্ভব সেটিই সচেতন জনগণের কাছে প্রশ্ন। আর এ বিষয়টিই এখন ফরিদগঞ্জজুড়ে সমালোচনার ঝড় বইছে।



ফরিদগঞ্জের জনগণ এও বলছে, জনাব শফিকুর রহমান যতসংখ্যক জনগণের প্রতিনিধি, জাহিদুল ইসলাম রোমানও অতসংখ্যক জনগণের প্রতিনিধি। অর্থাৎ এক উপজেলাই একটি সংসদীয় আসন। পার্থক্য হচ্ছে-শফিকুর রহমান সাহেব হচ্ছেন সংসদ সদস্য। মর্যাদা এবং শ্রেণী স্তরের দিক দিয়ে শফিকুর রহমানের স্থান হয়ত অনেক উপরে, কিন্তু জনপ্রতিনিধির বিবেচনায় এমপি এবং উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যানের অবস্থান খুব বেশি যে উপরে-নীচে তেমনটা নয়। তাহলে দু'জনের মধ্যে এতোটা দূরত্ব কেনো থাকবে।



 



 


আজকের পাঠকসংখ্যা
৭৯৯৩২৫
পুরোন সংখ্যা