চাঁদপুর, শনিবার ১৫ ফেব্রুয়ারি ২০২০, ২ ফাল্গুন ১৪২৬, ২০ জমাদিউস সানি ১৪৪১
jibon dip

সর্বশেষ খবর :

  • -
হেরার আলো
বাণী চিরন্তন
আল-হাদিস

৬৪-সূরা তাগাবুন


১৮ আয়াত, ২ রুকু, মাদানী


পরম করুণাময় ও অসীম দয়ালু আল্লাহর নামে শুরু করছি।


৪। আকাশমণ্ডলী ও পৃথিবীতে যাহা কিছু আছে সমস্তই তিনি জানেন এবং তিনি জানেন তোমরা যাহা গোপন কর ও তোমরা যাহা প্রকাশ কর এবং তিনি অন্তযামী।


 


 


 


 


 


 


আমি অস্বীকার করছি না যে, মেয়েরা বোকা, মহান খোদা তাদের তৈরি করেছেন পুরুষদের জুরী হিসাবে।


-জর্জ ইলিয়ট।


 


 


স্বভাবে নম্রতা অর্জন কর।


 


 


 


 


 


ফটো গ্যালারি
৮নং ওয়ার্ডের সম্ভাব্য কাউন্সিলর প্রার্থী
পৌর নাগরিক হিসেবে ওয়ার্ডবাসীকে তাদের প্রাপ্য সেবা দেয়ার জন্যে সেবক হতে চাই
--------শুভাশীষ ঘোষ (শ্রী গুরু)
গোলাম মোস্তফা
১৫ ফেব্রুয়ারি, ২০২০ ০০:০০:০০
প্রিন্টঅ-অ+


আসন্ন চাঁদপুর পৌরসভার নির্বাচনের সময় এগিয়ে আসছে। প্রতি ওয়ার্ডে সম্ভাব্য কাউন্সিলর প্রার্থীর সংখ্যাও বাড়ছে। এ সকল প্রার্থী হুট করে তাদের প্রার্থিতা ঘোষণা করেন নি। ওয়ার্ডবাসীর প্রতিনিধি হবেন এমন প্রত্যাশা নিয়ে কয়েক বছর পূর্ব থেকে এলাকাবাসীর সুখ-দুঃখে পাশে থেকে তাদের ব্যক্তিগত, সমষ্টিগত বা সামাজিক, সাংস্কৃতিক, ধর্মীয়, শিক্ষা ও ক্রীড়াসহ বিভিন্ন কর্মকাণ্ডে  উপস্থিতি, এমনকি কোনো কোনো ক্ষেত্রে নিজের পকেট থেকে টাকা খরচ করে মন জয় করার চেষ্টা করে যাচ্ছেন। কয়েক বছর যাবত ৮নং ওয়ার্ডবাসীর পাশে ছিলেন এবং তাদের সেবক হয়ার ইচ্ছে নিয়ে ৮নং ওয়ার্ডে সম্ভাব্য কাউন্সিলর পদে প্রার্থী হওয়ার ইচ্ছে প্রকাশ করেছেন সাবেক জেলা ছাএলীগ নেতা, বর্তমান যুবনেতা ও যুব সমাজের পরিচিত মুখ শুভাশিষ ঘোষ (শ্রী গুরু)।



তিনি এ বিষয়ে তার এলাকাবাসীসহ সকলের সাথে শুভেচ্ছা ও মতবিনিময় করে চলছেন। প্রতিদিনই উক্ত ওয়ার্ডের পাড়া-মহল্লায় গিয়ে খোঁজ খবর নিচ্ছেন এবং তাদের সাথে কুশল বিনিময়ের মাধ্যমে তার প্রার্থিতার বিষয় চূড়ান্তভাবে ঘোষণা করে মাঠে নেমে পড়েছেন।



আসন্ন চাঁদপুর পৌর নির্বাচনে ৮নং ওয়ার্ডের কাউন্সিলর প্রার্থিতার বিষয়ে তিনি বলেন, জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের একজন সৈনিক হিসেবে জনগণের সেবার ব্রত নিয়ে ছাত্রলীগের রাজনীতির মাধ্যমে আমার এলাকাবাসীর সেবায় যুক্ত হয়েছি। সে থেকে আজো এলাকাবাসীর সুখ-দুঃখের একজন সাথী হিসেবে পাশে ছিলাম এবং আমৃত্যু থাকবো। তিনি আরো বলেন, শুধু এ ওয়ার্ডের জনগণ নয়, পুরো শহরে একজন রাজনৈতিক কর্মী হিসেবে শহরব্যাপী আমাকে চিনে জানে। আমার পূর্ব পুরুষদের থেকে বংশানুক্রমে আমার জন্ম এ শহরে। ছাত্রজীবন থেকে সমাজের কল্যাণকর কাজ করে আসছি। কেউ কোনো অভিযোগে অভিযুক্ত করতে পারবে না। কারণ কোনো অন্যায় অপরাধদের সাথে জড়িত ছিলাম না। কোনো অপরাধীর পক্ষেও কাজ করিনি। শহরের মূল নাভীতে বসবাস করার সমাজের মানুষের চোখে অন্যায় দেখা যাবে এ ধরনের কাজে বিগত দিনেও ছিলাম না, মহান সৃষ্টিকর্তা যতদিন বাঁচিয়ে রাখবে ততদিন চেষ্টা করবো যেনো আমার দ্বারা কোনো অন্যায় বা অপরাধ না হয়।



তিনি আরো বলেন, যুবক হলেও ৮ নং ওয়ার্ডের সকল শ্রেণী পেশার জনগণের কাছে আমার বিগত দিনের কর্মকাণ্ডের জন্য পরিচিতি রয়েছে। তাদের অনুরোধে এবারের পৌর নির্বাচনে প্রার্থী হচ্ছি। আমার মূল লক্ষ্য হচ্ছে : এ পৌরসভা দেশের প্রথম শ্রেণীর পৌরসভা। অথচ বিগত দিনে ওয়ার্ডের জনগণের রায়ে নির্বাচিত জনপ্রতিনিধিগণ নাগরিকদেরকে পৌর পরিষদের সঠিক সেবা দিতে ব্যথ হয়েছেন। তাই যাদের ভোটে আমি কাউন্সিলর হবো, তাদের কে সেবা দেওয়া আমার নৈতিক দায়িত্ব। তাই এ ওয়ার্ডবাসীর একজন সেবক হিসেবে তাদের পাশে থাকার অঙ্গীকার নিয়ে প্রার্থী হবো।



তাঁর প্রার্থীতার বিষয়ে তিনি আরো বলেন, আমরা পারিবারিকভাবেই জনগণের যে কোনো কল্যাণকর কাজে সব সময় সহযোগিতা করে আসছি। শহরবাসী নয় পুরো জেলাবাসীর জানা রয়েছে ঘোষপাড়া ঘোষ বাড়ি সম্পর্কে। কারণ আমাদের বিগত কর্মকাণ্ডে এ ওয়ার্ডের জনগণ সন্তুষ্ট বিধায় এর পূর্বেও এ ওয়ার্ডের কাউন্সিলর পদে দু বার সহদেব ঘোষ নির্বাচিত হয়েছেন। তাঁর অকাল মৃত্যুতে ওয়ার্ডের জনগণের অনুরোধে আমি প্রার্থী হওয়ার ইচ্ছে রয়েছে।



তিনি আরো বলেন, আমি এলাকার ইভটিজিং, বাল্যবিবাহ, সন্ত্রাসবিরোধী কাজগুলোর বিষয়ে সবসময় প্রতিবাদী ছিলাম এবং এলাকার তরুণ ও যুব সমাজ কে ঐক্যবদ্ধ করে এ কাজগুলোর বিষয়ে সব সময় প্রতিবাদ করে আসছি। শুধু তাই নয়, এলাকাবাসীর চলাচলের জন্য রাস্তাঘাটের কোনো সমস্যা আমার কানে পেঁৗছানোর পর যখন যেভাবে পারছি, তাদের সমস্যা সমাধানে আন্তরিক ভাবে চেষ্টা করেছি। এমনকি দিবা রাত্রি যে কোনো কারণে কেউ ডাকলে তাঁর ডাকে সাড়া দেইনি এমন রেকর্ড নেই।



তিনি আরো বলেন, আমাদের ওয়ার্ডটি অত্যান্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি ওয়ার্ড। পৌরসভার প্রায় প্রাণকেন্দ্রে এ ওয়ার্ডের কেউ বলতে পারবে না, কোনো দিন কোথাও সন্ত্রাসী চাঁদাবাজি এবং টেন্ডারবাজি করেছি। আমি এলাকার শিক্ষা, ক্রীড়া, ধর্মীয়, সামাজিক, সাংস্কৃতিক এক কথায় অপরাধমূলক কাজ ব্যতীত সমাজের কল্যাণকর কাজে জড়িত। আমি সর্বোপরি আমার ওয়ার্ড বাসীর কাছে অনুরোধ জানিয়ে বলতে চাই, বিগত দিনে আমার আচার আচরণ ও সকল কিছু বিবেচনায় নিয়ে আমাকে আপনাদের সেবক হয়ে কাজ করার জন্য আপনাদের সন্তান হিসেবে আপনাদের দোয়া ও সহযোগিতা চাই।



 


আজকের পাঠকসংখ্যা
১৭১৪৭
পুরোন সংখ্যা