চাঁদপুর, রোববার ২৩ ফেব্রুয়ারি ২০২০, ১০ ফাল্গুন ১৪২৬, ২৮ জমাদিউস সানি ১৪৪১
jibon dip

সর্বশেষ খবর :

  • চাঁদপুর সদর হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়কসহ আরো ৯ জনের করোনা শনাক্ত, মোট আক্রান্ত ২১৯
হেরার আলো
বাণী চিরন্তন
আল-হাদিস

৬৪-সূরা তাগাবুন


১৮ আয়াত, ২ রুকু, মাদানী


পরম করুণাময় ও অসীম দয়ালু আল্লাহর নামে শুরু করছি।


 


 


১১। আল্লাহর অনুমতি ব্যতিরেকে কোন বিপদই আপতিত হয় না এবং যে আল্লাহকে বিশ্বাস করে তিনি তাহার অন্তরকে সুপথে পরিচালিত করেন। আল্লাহ সর্ববিষয়ে সম্যক অবহিত।


 


 


 


assets/data_files/web

শুধু মাত্র অস্তিত্ব রক্ষার মধ্যে কোনো কৃতিত্ব নেই।


-শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়।


 


 


রসূলুল্লাহ (দঃ) বলেছেন, যে ব্যক্তি কোনো লোকের সঙ্গে ধোকাবাজি করে সে আমার (দলের বা উম্মতের) বাইরে।


ফটো গ্যালারি
চাঁদপুর পৌরসভায় মেয়র প্রার্থী হিসেবে ইব্রাহীম জুয়েলের দলীয় মনোনয়ন সংগ্রহ
২৩ ফেব্রুয়ারি, ২০২০ ০০:০০:০০
প্রিন্টঅ-অ+


আসন্ন চাঁদপুর পৌরসভা নির্বাচনে মেয়র প্রার্থী হিসেবে চাঁদপুর জেলা ছাত্রদলের সাবেক সাধারণ সম্পাদক কাজী মোহাম্মদ ইব্রাহীম জুয়েল বিএনপির দলীয় মনোনয়নপত্র সংগ্রহ করে জমা দিয়েছেন। গতকাল ২২ ফেব্রুয়ারি শনিবার বিকেলে দলীয় নেতা-কর্মীদের সাথে নিয়ে জেলা বিএনপির কার্যালয়ে তিনি দলীয় মনোনয়নপত্র জমা দেন।



সমাজসেবক ও গণমানুষের প্রিয়ভাজন কাজী মোহাম্মদ ইব্রাহীম জুয়েলের জীবন ও কর্ম সম্পর্কে জানা যায়, তিনি ইতিবাচক ছাত্র রাজনীতি, সংগঠননীতি, সমাজসংস্কার ও সংস্কৃতি রক্ষার একজন নিরলস কর্মী।



ছাত্র-জীবন থেকেই চাঁদপুরের সামাজিক, রাজনৈতিক অঙ্গন ও গণমাধ্যমে তাঁর গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা ছিলো। গরিব-দুঃখীদের লালন-পালনসহ সমাজসেবামূলক বিভিন্ন কর্মকা-ে রেখেছেন অগ্রণী ভূমিকা। এই পথপরিক্রমায় তিনি ফিরোজা হাফেজ হাফেজিয়া মাদ্রাসার প্রতিষ্ঠাতা।



কাজী মোহাম্মদ ইব্রাহীম জুয়েল চাঁদপুর শহরে এক সম্ভ্রান্ত মুসলিম বংশ কাজী পরিবারে ১৯৭৮ সালের ২ ডিসেম্বর জন্মগ্রহণ করেন। বাবা মরহুম হাফেজ কাজী, মা ফিরোজা বেগম। পড়াশোনায় জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীনে হাসান মেমোরিয়াল ডিগ্রি কলেজ থেকে ১৯৯৭ সালে বি.কম, ১৯৯৫ সালে চাঁদপুর সরকারি বিশ্ববিদ্যালয় কলেজে থেকে এইচএসসি ও ১৯৯৩ সালে চাঁদপুর গণি মডেল উচ্চ বিদ্যালয় থেকে এসএসসি পাস করেন।



'৯০-এর দশকের মাঝামাঝি সময় চাঁদপুর ক্যাবল নেটওয়ার্কের মাধ্যমে জেলা শহরে তিনি স্যাটেলাইট সেবা চালু করেন। এরপর সাফল্যের ধারাবাহিকতায় তিনি আরো অনেক ব্যবসা প্রতিষ্ঠান গড়ে তোলেন।



বর্তমানে প্রযুক্তিকে উন্নয়নের হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করে জেলা শহরে ব্রডব্যান্ড সেবা চালু করেছেন। জেলা থেকে প্রকাশিত গণমাধ্যমগুলোতেও ছাত্রজীবন থেকেই তাঁর পদচারণা রয়েছে। এখনো গণমাধ্যম ও সংবাদকর্মীদের সুখে-দুঃখে তিনি পাশে থাকেন।



হাজারো গণমাধ্যমের ভিড়ে ডিজিটাল যুগে সব ধরনের পাঠক যাতে কম্পিউটার, ল্যাপটপ, মোবাইল কিংবা স্মার্টফোন থেকে তাৎক্ষণিক খবর, ভিডিও, ছবি দেখতে পারে সে জন্যে তিনি 'চাঁদপুর টাইমস' নামে একটি অনলাইন নিউজ পোর্টাল চালু করেন। বর্তমানে জেলার শীর্ষে থাকা এ নিউজ পোর্টাল অফিস চাঁদপুর ডায়াবেটিক হাসপাতালের বিপরীতে তাঁর নিজস্ব বাণিজ্যিক কার্যালয় ফিরোজা হাফেজ শান্তি নিকেতনে অবস্থিত।



খেলাধুলার উন্নয়নেও সব সময় সচেষ্ট কাজী মোহাম্মদ ইব্রাহীম জুয়েল। জেলার তরুণ ও পেশাদার খেলোয়াড়দের জন্যে তিনি রেখেছেন বিশেষ অবদান। পুরোনো এবং জনপ্রিয় ক্লাব মুক্তিযোদ্ধা ক্রীড়াচক্র চাঁদপুর ও চাঁদপুর ফুটবল একাডেমির সাধারণ সম্পাদক এবং নাজিরপাড়া ক্রীড়াচক্রের যুগ্ম সম্পাদকের দায়িত্ব পালন করছেন।



সংস্কৃতিকর্মীদের আপনজন ইব্রাহীম জুয়েল সাংস্কৃতিক কর্মকা-ে অংশ নেয়ার পাশাপাশি জেলার একাধিক সাংস্কৃতিক সংগঠনের গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করে যাচ্ছেন। বর্তমানে তিনি চাঁদপুর মঞ্চের সভাপতি । এছাড়া আমরা ক'জন সাহিত্যপ্রেমি, উপমা সাহিত্য ও সাংস্কৃতিক বিষয়ক পরিষদ, নবীন সাহিত্য পত্রিকা, বনলতা সাহিত্যপত্রের উপদেষ্টা হিসেব দায়িত্ব পালন করছেন।



আর্থসামাজিক উন্নয়নে ব্যবাসায়িক ও সামাজিক ব্যক্তিত্ব ইব্রাহীম জুয়েল রেডক্রিসেন্ট চাঁদপুর ইউনিট ও ডায়াবেটিক সমিতি চাঁদপুরের আজীবন সদস্য। চাঁদপুর সেন্ট্রাল রোটারী ক্লাব ও চাঁদপুর চেম্বার অব কমার্সের সম্মানিত সদস্য হিসেবে রয়েছেন।



ধর্ম ও শিক্ষার প্রসারে দায়িত্বশীল কাজী মোহাম্মদ ইব্রাহীম জুয়েল। তিনি ষোলঘর বাইতুল কাদের জামে মসজিদ ব্যবস্থাপনা কমিটির সাধারণ সম্পাদক, ফিরোজা হাফেজ হাফেজিয়া মাদ্রাসা ও এতিমখানার প্রতিষ্ঠাতা, হাফেজ কাজী স্মৃতি সংসদের প্রতিষ্ঠাতা ও সভাপতি, আল হেরা একাডেমি পরিচালনা কমিটি ও জামেয়া আশ্রাফিয়া মদিনাতুল উলুম মাদ্রাসার সাধারণ সম্পাদক এবং আয়েশা সিদ্দিকা (রা.) মহিলা মাদ্রাসার সদস্য সচিব। (চাঁদপুর সরকারি কলেজ) চাঁসক বিতর্ক পরিষদের প্রধান সমন্বয়ক।



অবসরে ইব্রাহীম জুয়েল বই ও পত্রিকা পড়ার পাশাপাশি পরিবারকে সময় দেন। তিনি পারিবারিক জীবনে এক ছেলে ও দু কন্যা সন্তানের জনক। ছেলে কাজী আফতাব সামী আল আমিন একাডেমী স্কুল এন্ড কলেজে ও দু মেয়ে চাঁদপুর ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল স্কুল এন্ড কলেজের বিভিন্ন শ্রেণিতে অধ্যয়নরত।



 


আজকের পাঠকসংখ্যা
৯৭৪৪৯৩
পুরোন সংখ্যা