চাঁদপুর, রোববার ২৩ ফেব্রুয়ারি ২০২০, ১০ ফাল্গুন ১৪২৬, ২৮ জমাদিউস সানি ১৪৪১
jibon dip

সর্বশেষ খবর :

  • -
হেরার আলো
বাণী চিরন্তন
আল-হাদিস

৬৪-সূরা তাগাবুন


১৮ আয়াত, ২ রুকু, মাদানী


পরম করুণাময় ও অসীম দয়ালু আল্লাহর নামে শুরু করছি।


 


 


১১। আল্লাহর অনুমতি ব্যতিরেকে কোন বিপদই আপতিত হয় না এবং যে আল্লাহকে বিশ্বাস করে তিনি তাহার অন্তরকে সুপথে পরিচালিত করেন। আল্লাহ সর্ববিষয়ে সম্যক অবহিত।


 


 


 


assets/data_files/web

বেদনা হচ্ছে পাপের শাস্তি।


-বুদ্ধদেব।


 


 


স্বভাবে নম্রতা অর্জন কর।


 


চাঁদপুরে পানি উন্নয়ন বোর্ডের ১৪ কিলোমিটার বোরোপিট ৩৩৯ জনের অবৈধ দখলে
শওকত আলী
২৩ ফেব্রুয়ারি, ২০২০ ০০:০০:০০
প্রিন্টঅ-অ+


চাঁদপুর পানি উন্নয়ন বোর্ডের আওতাধীন 'চাঁদপুর সেচ প্রকল্প' (সিআইপি) বাঁধের পাশে ১৪ কিলোমিটার বোরোপিট এলাকা ৩৩৯জনের অবৈধ দখলে রয়েছে। পানি উন্নয়ন বোর্ডের কোনো ধরনের ইজারা কিংবা অনুমতি না নিয়ে তারা জোরপূর্বক সরকারি এসব ভূমি অবৈধভাবে দখল করে আছে। রাজনৈতিক ও স্থানীয় প্রভাব খাটিয়ে কেউ কেউ স্থাপনা তৈরি করে ভাড়া দিয়ে বছরে লাখ লাখ টাকা হাতিয়ে নিচ্ছে। যার ফলে পানি উন্নয়ন বোর্ডের সড়কের যেমন ক্ষতি হচ্ছে, তেমনি সরকার বিরাট অংকের রাজস্ব থেকে বঞ্চিত হচ্ছে।



পানি উন্নয়ন বোর্ড সূত্রে জানা গেছে, সরকারের নির্দেশনা মোতাবেক ইতোমধ্যে এসব অবৈধ দখলদারের বিরুদ্ধে অভিযান শুরু হয়েছে। প্রথম পর্যায়ে চাঁদপুর সেচ প্রকল্পের ফরিদগঞ্জ এলাকায় ২২৭জন অবৈধ দখলদারকে উচ্ছেদ করা হয়েছে।



দ্বিতীয় পর্যায়ে ১৪ কিলোমিটার এলাকায় অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ করা হবে। এর মধ্যে সদর উপজেলার বাগাদী ইউনিয়নস্থ চাঁদপুর সেচ প্রকল্পের নানুপুর পাম্প হাউজের পূর্ব থেকে মতিন মাওলানার ব্রিজ পর্যন্ত ৪ কিলোমিটার এবং পাম্প হাউজের পশ্চিম থেকে হানারচর ইউনিয়নের হরিণা চৌরাস্তা মোড় পর্যন্ত ১০ কিলোমিটার এলাকায় খুব শীঘ্রই উচ্ছেদ অভিযান পরিচালিত হবে।



অবৈধ স্থাপনার মধ্যে সদর উপজেলার নানুপুর, বাগাদী চৌরাস্তা, ঢালীর ঘাট, রঘুনাথপুর, দোকানঘর, বহরিয়া ও লক্ষ্মীপুর এলাকায় বেশিরভাগ অবৈধ দখলদার রয়েছে। এসব এলাকায় স্থানীয়রা প্রভাব খাটিয়ে বহু স্থাপনা তৈরি করে ব্যবসা পরিচালনা করে আসছে।



পানি উন্নয়ন বোর্ডের উপ-সহকারী প্রকৌশলী মোঃ ওয়াহিদুর রহমান ভূঁইয়া এ বিষয়ে জানান, মার্চের মধ্যেই আমাদের এ উচ্ছেদ অভিযান সম্পন্ন করার কথা রয়েছে। নানা কারণে একটু বিলম্ব হয়েছে। নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে আমরা অবশ্যই উচ্ছেদ অভিযান শেষ করবো। এসব উচ্ছেদ অভিযান করার জন্যে আমাদের বরাদ্দও রয়েছে। এখন শুধুমাত্র বাস্তবায়ন করার অপেক্ষা। পানি উন্নয়ন বোর্ডের পক্ষ থেকে ৩৩৯জন অবৈধ দখলদারকে উচ্ছেদের পূর্বেই তাদের স্থাপনা সরিয়ে নেয়ার জন্যে প্রত্যেকের নামে পৃথকভাবে নোটিশ করা হবে।



 


আজকের পাঠকসংখ্যা
১৯৮২২৪১
পুরোন সংখ্যা