চাঁদপুর, মঙ্গলবার ৩০ জুন ২০২০, ১৬ আষাঢ় ১৪২৭, ৮ জিলকদ ১৪৪১
jibon dip

সর্বশেষ খবর :

  • -
হেরার আলো
বাণী চিরন্তন
আল-হাদিস

৭২-সূরা জিন্ন্


২৮ আয়াত, ২ রুকু, মক্কী


৫। অথচ আমরা মনে করিতাম মানুষ এবং জিন্ন্ আল্লাহ সম্বন্ধে কখনও মিথ্যা আরোপ করিবে না।


৬। 'আরও এই যে, কতিপয় মানুষ কতক জিন্ন্রে শরণ লইত, ফলে উহারা জিন্নদের আত্মম্ভরিতা বাড়াইয়া দিত।'


 


assets/data_files/web

কথার শক্তিকে না জেনে মানুষকে জানা অসম্ভব।


-কনফুসিয়াম।


 


 


 


 


যে নামাজে হৃদয় নম্র হয় না, সে নামাজ খোদার নিকট নামাজ বলিয়াই গণ্য হয় না।


 


 


ফটো গ্যালারি
ইসলামী ব্যাংক হাসপাতালের ফার্মেসিকে ১০ লাখ টাকা জরিমানা
৩০ জুন, ২০২০ ০০:০০:০০
প্রিন্টঅ-অ+


ভুয়া ডাক্তারের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়ার পর ইসলামী ব্যাংক হাসপাতালের ফার্মেসিতে অভিযান পরিচালনা করে পুলিশের এলিট ফোর্স র‌্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র‌্যাব)। অভিযানে প্রতিষ্ঠানটির ফার্মেসিতে অপারেশন থিয়েটারে ব্যবহারের জন্য ওষুধ প্রশাসন অধিদফতরের অনুমোদনহীন ইনজেকশন ও সার্জিক্যাল পণ্য রাখায় ১০ লাখ টাকা জরিমানা করা হয়।



২৮ জুন রোববার দুপুর ১২টা থেকে ইসলামী ব্যাংক হাসপাতালে ভুয়া চিকিৎসক ও হাসপাতালে অনিয়মের খোঁজে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করেন র‌্যাব-৩ এর নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট পলাশ কুমার বসু।



এ সময় ইউনানীর সনদ নিয়ে বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের মতো এলোপ্যাথিক চিকিৎসা দেয়ায় ভুয়া চিকিৎসক মিজানুর রহমানকে দুই বছরের বিনাশ্রম কারাদ- দেয় আদালত।



এরপর ইসলামী ব্যাংক হাসপাতালের ফার্মেসিতে অভিযান চালায় ভ্রাম্যমাণ আদালত।



এ বিষয়ে ম্যাজিস্ট্রেট পলাশ কুমার বসু বলেন, 'অভিযানে সেখানে ওষুধ প্রশাসন অধিদফতরের অনুমোদনহীন (যেটা ড্রাগ অ্যাডমিনিস্ট্রেশন রেজিস্ট্রেশন অনুযায়ী সংক্ষেপে ডিএআর বলে) অপারেশন থিয়েটারে ব্যবহৃত ইনজেকশন জব্দ করেছি।'



তিনি বলেন, 'আমরা এখানে অনেক অননুমোদিত ইনজেকশন, কিছু অননুমোদিত ওষুধ জব্দ করেছি। এছাড়া বিভিন্ন সার্জিক্যাল আইটেম জব্দ করেছি, যেগুলোর কোনো অনুমোদন নেই। এসব কারণে প্রতিষ্ঠানটির ফার্মেসির দায়িত্বে থাকা ফার্মাসিস্ট শফিউল ইসলাম ও আব্দুল জলিলকে পাঁচ লাখ টাকা করে মোট ১০ লাখ টাকা জরিমানা অনাদায়ে তিন মাসের কারাদ- প্রদান করেছে ভ্রাম্যমাণ আদালত।'



উল্লেখ্য, দুই বছরের বিনাশ্রম কারাদ-াদেশ প্রাপ্ত ভুয়া ডাক্তার মিজানুর রহমান সম্পর্কে ম্যাজিস্ট্রেট পলাশ জানান, ইউনানী হেকিম হিসেবে চিকিৎসার জন্য সাময়িক সনদ নিয়ে তিনি বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক হিসেবে পরিচয় দিতেন। প্যাডে এলোপ্যাথি চিকিৎসার প্রেসক্রিপশন করার কোনো সুযোগ নেই। তিনি নিজেকে হেকিম নয়, ডাক্তার হিসেবে পরিচয় দিতেন। তিনি অসংখ্য ভুয়া ডিগ্রি তার প্রেসক্রিপশনে যুক্ত করেছেন। যার কোনো সত্যতা ও ভিত্তি নেই। শুধু প্রতারিত করতেই তিনি ভুয়া ডিগ্রিযুক্ত করেছেন। এতে মানুষের জীবন ও স্বাস্থ্য, অর্থের তিনি ক্ষতিসাধন করেন। এর কোনো সদুত্তর তিনি দিতে পারেননি।



এ কারণে ভুয়া চিকিৎসক মিজানুর রহমানকে দুই বছরের বিনাশ্রম কারাদ- দিয়েছে আদালত। পাশাপাশি এমন ভুয়া চিকিৎসককে বিশেষজ্ঞ হিসেবে প্রচার ও চেম্বারে বসার সুযোগ দেয়ায় হাসপাতালটির অ্যাসিস্ট্যান্ট সুপারভাইজার মোঃ হাসিনুর রহমানকে সাড়ে চার লাখ টাকা জরিমানা অনাদায়ে তিন মাসের কারাদ- দেয় ভ্রাম্যমাণ আদালত। সূত্র : জাগো নিউজ।



 


এই পাতার আরো খবর -
করোনা পরিস্থিতি
বাংলাদেশ বিশ্ব
আক্রান্ত ১,৯০,০৫৭ ১,৩০,৪২,৩৪০
সুস্থ ১,০৩,২২৭ ৭৫,৮৮,৫১০
মৃত্যু ২,৪২৪ ৫,৭১, ৬৮৯
দেশ ২১৩
সূত্র: আইইডিসিআর ও বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা।
আজকের পাঠকসংখ্যা
৬৮১৯১৫
পুরোন সংখ্যা