চাঁদপুর, বুধবার ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২০, ১৫ আশ্বিন ১৪২৭, ১২ সফর ১৪৪২
jibon dip

সর্বশেষ খবর :

  • --
চাঁদপুরে যুগোপযোগী শিক্ষা ডিপ্লোমা ইন-ইলেকট্রিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং
উচ্চশিক্ষা, ক্যারিয়ার এবং ইলেকট্রিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের দায়িত্ব
৩০ সেপ্টেম্বর, ২০২০ ০০:০০:০০
প্রিন্টঅ-অ+


বর্তমানে আমাদের দেশে শিক্ষিত বেকারদের সংখ্যা বেড়েই চলছে। কলেজ-ভার্সিটি থেকে উচ্চ শিক্ষা নিয়ে অনেকেই বেকার বসে আছেন। গতানুগতিক পড়াশোনার বাইরে যারা চান গ্র্যাজুয়েশনের পর দ্রুত কর্মজীবনে প্রবেশ করতে তাদের জন্যে ডিপ্লোমা ইন-ইলেকট্রিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং খুবই আকর্ষণীয় একটি প্লাটফর্ম। আমাদের মতো শিল্পায়ননির্ভর দেশে কারিগরি ক্ষেত্রে ইঞ্জিনিয়ারদের কর্মসংস্থানের ব্যাপক সম্ভাবনা রয়েছে। এসএসসি পরীক্ষার পর পরই বিভিন্ন সরকারি এবং বেসরকারি পলিটেকনিকে ডিপ্লোমাতে ভর্তির সুযোগ রয়েছে।



 



একজন ইলেকট্রিক্যাল ইঞ্জিনিয়ার কর্মক্ষেত্রে কী কী কাজ করেন?



ইলেকট্রিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং হলো ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের এমন একটি ক্ষেত্র যেখানে সাধারণত ইলেকট্রিসিটি, ইলেক্ট্রনিক্স ও ইলেক্ট্রম্যাগনেটিজমের বিদ্যা এবং প্রয়োগ নিয়ে দক্ষতা অর্জন করা হয়।



* একজন ইলেকট্রিক্যাল ইঞ্জিনিয়ার বৈদ্যুতিক যন্ত্রপাতি এবং কন্ট্রোল সিস্টেমের নকশা, উন্নয়ন এবং রক্ষণাবেক্ষণ করেন। তারা শুধুমাত্র মানের উপরেই ফোকাস করেন না, পণ্য এবং সিস্টেম টেকসই কি না তা নিশ্চিত করেন।



* একজন ইলেকট্রিক্যাল ইঞ্জিনিয়ার অফিস, ল্যাব এমনকি শিল্পকারখানাগুলোতে বৈদ্যুতিক পাওয়ার সিস্টেম থেকে শুরু করে সিগন্যাল প্রসেসিং, কমিউনিকেশন সিস্টেমে কাজ করতে পারেন। প্রকৃতপক্ষে একজন ইলেকট্রিক্যাল ইঞ্জিনিয়ার একজন মাল্টিটাস্কার-ক্রমাগত ডিটেইল মডেল তৈরি করা, তাদের বাস্তবায়ন, পরীক্ষা করা এমনকি সবকিছু ঠিকঠাক চলছে কি না তা নিশ্চিত করতে হয়। সুতরাং যদি আপনার টেকনিক্যাল বিষয়ের ক্ষেত্রে আগ্রহ থাকে এবং কাজ করতে আপনি পছন্দ করেন তবে ইলেকট্রিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের জন্যে আপনি উপযুক্ত।



 



ডিপ্লোমা ইন-ইলেকট্রিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারদের কর্মক্ষেত্র



* বিভিন্ন সরকারি প্রতিষ্ঠানে যেমন : PDB, DESCO, BWBD, পল্লী বিদ্যুৎ শক্তি উৎপাদন কেন্দ্র, বিভিন্ন সরকারি মিল এবং ফ্যাক্টরি, Operation and Circuit Oriented কোম্পানিগুলোতে।



* অ্যাসিস্ট্যান্ট বা সাব অ্যাসিস্ট্যান্ট হিসেবে সৌর বিদ্যুৎ কোম্পানি, হাউজিং কোম্পানি. Circuit-Oriented কোম্পানি, প্রাইভেট পাওয়ার প্রোডাকশন কোম্পানি, ইলেকট্রিক্যাল সামগ্রীর প্রতিষ্ঠানসহ বিভিন্ন বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে ইন্সট্রাক্টর হিসেবে সরকারি এবং বেসরকারি পলিটেকনিক কলেজগুলোতে।



* শিল্প প্রতিষ্ঠানগুলোর বিদ্যুৎ উপকেন্দ্রে। মোবাইল ফোন সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠানে।



* দেশের বাইরে সুপারভাইজার অথবা হেড ইলেক্ট্রিশিয়ান হিসেবে কাজের সুযোগ আছে।



 



কেমন হতে পারে একজন ইলেকট্রিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারের আয়



ডিপ্লোমা শেষে একজন ইলেকট্রিক্যাল ইঞ্জিনিয়ার ২য় শ্রেণীর গ্যাজেটেড কর্মকর্তা হিসেবে তিতাস, ডেসকোর মত সরকারি প্রতিষ্ঠানগুলোতে যোগ দিলে তার আয় হতে পারে ৩০,০০০-৫০,০০০ টাকা। বেসরকারি প্রতিষ্ঠানগুলোতে এন্ট্রি লেভেলে আয় শুরু হয় ১৫-২০ হাজার টাকা থেকে। তবে বিভিন্ন কোম্পানি ভেদে আয় কম বেশি হয়। আর যাদের অভিজ্ঞতা এবং বিশেষ প্রশিক্ষণ আছে সেই সব ইলেকট্রিক্যাল ইঞ্জিনিয়াদের আয় বেসরকারি খাদে এবং কনসালটেন্সিতে বেশ ভালো হয়ে থাকে।



 



কোথায় করবেন ডিপ্লোমা ইন-ইলেকট্রিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং?



দেশজুড়ে ৪৯টি সরকারি প্রতিষ্ঠানে সুযোগ রয়েছে ইলেকট্রিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং-এ ডিপ্লোমা করার। তাছাড়া ড্যাফোডিল পলিটেকনিক ইন্সটিটিউট, বাংলাদেশ স্কিল ডেভেলপমেন্ট ইন্সটিটিউটসহ আরও কিছু বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে ইলেকট্রিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং-এ ডিপ্লোমা করার সুযোগ রয়েছে।



 



উচ্চতর শিক্ষার সুযোগ?



একজন ইলেকট্রিক্যাল ইঞ্জিনিয়ার ডিপ্লোমা কোর্সের পর ঊঊঊ, টেকনোলজিতে উচ্চতর ডিগ্রি অর্জন করতে পারেন। এজন্য DUET (Dhaka University of Engineering & Technology), SUST (সিলেট), JUST (যশোর), RSTU (রাজশাহী)-এর মতো কিছু সরকারি এবং বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ে এই সুযোগ রয়েছে। এছাড়া DIU (Daffodil International University) ডিগ্রিসহ বিদেশে উচ্চতর অর্জনের সুযোগও তাদের রয়েছে।



 



জেনারেশল এডুকেশন সিস্টেম ছেড়ে কেনো ডিপ্লোমা ইন-ইলেকট্রিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং



ভবিষ্যতে গতানুগতিক গ্র্যাজুয়েশন করতে অনিচ্ছুক এমন শিক্ষার্থীদের জন্য এই কোর্সটি আকর্ষণীয়। আর্থিকভাবে কমশক্তিশালী কিন্তু ইঞ্জিনিয়ারিংয়ে পড়তে ইচ্ছুক ছাত্রদের জন্যে একটি সম্ভাবনাময় পথ এবং এই ইঞ্জিনিয়ারিং কোর্সের মাধ্যমে তাদের ক্যারিয়ার উজ্জ্বল সম্ভাবনায় এগিয়ে নিতে পারে। সম্প্রতি চাকরির বিজ্ঞপ্তিগুলো খেয়াল করলে দেখা যায় যে, ডিপ্লোমা এবং স্নাতক শিক্ষার্থীদের মধ্যে চাকরির বাজারে যোগ্যতার তেমন পাথর্ক্য নেই। যেখানে বিবিএ, অনার্সের শিক্ষার্থীরা ভাল ভার্সিটিতে পড়ে বেকার সেখানে ডিপ্লোমা ইন ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের চাকরির ক্ষেত্রে প্রতিযোগিতা অনেক কম, কিন্তু সুযোগ অনেক বেশি। তবে ইলেকট্রিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিংয়ে ডিপ্লোমা করার পর উচ্চতর শিক্ষা না চাকরি কোনটি বেছে নিবেন সেটা অবশ্যই আলোচনা করে ভেবেচিন্তে সিদ্ধান্ত নিতে হবে। যদি ভাল সুযোগ সুবিধাসহ কোন চাকরির সম্ভাবনা না থাকে তবে ভবিষ্যতের ক্যারিয়ারের জন্য উচ্চতর শিক্ষা এবং প্রশিক্ষণই শ্রেয়।



প্রায়শই বলা হয়, 'ইলেকট্রিক্যাল টেকনোলজি সকল শিল্পের মাতা' এর অর্থ হল বৈদ্যুতিক প্রযুক্তির সব শিল্প কারখানার প্রধান চালিকাশক্তি। আমাদের দেশে বিদ্যুতের উপর ভিত্তি করে বিভিন্ন শিল্প কারখানা চালু হচ্ছে, যার ফলে ইলেকট্রিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের চাহিদা প্রতিনিয়ত বাড়ছে। তরুণ প্রজন্মের দক্ষ প্রকৌশলীদের চাহিদা পূরণের একটি সম্ভাবনাময় ক্ষেত্র এটি। সবশেষে বলা যায়, যদি ইঞ্জিনিয়ারিং এবং ইলেক্ট্রনিক্স-এর ব্যাপারে যথেষ্ট আগ্রহ থেকে থাকে, তবে ডিপ্লোমা ইন-ইলেকট্রিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং কোর্স আপনার জন্য অন্যতম সম্ভাবনার দ্বার।



 



ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ারিং কোর্সের মেয়াদ ও ভর্তির যোগ্যতা



* ডিপ্লোমা ইন ইঞ্জিনিয়ারিং শিক্ষাক্রম ৪ বছর মেয়াদী ৮ সেমিস্টারে সম্পন্ন হয়, প্রতি সেমিস্টার ৬ মাস অন্তর বাংলাদেশ কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের নিয়ন্ত্রণে পরিচালিত হয়। ডিপ্লোমা ইন ইলেকট্রিক্যাল টেকনোলজি কোর্স সাফল্যের সঙ্গে সম্পন্ন করার পর শিক্ষার্থীগণ বাংলাদেশ কারিগরি শিক্ষা বোর্ড কর্তৃক ডিপ্লোমা-ইন- ইলেকট্রিক্যাল টেকনোলজি-এর সনদপত্র লাভ করে।



* ডিপ্লোমা ইন ইলেকট্রিক্যাল টেকনোলজি কোর্সে ভর্তির নূ্যনতম যোগ্যতা এসএসসি (বিজ্ঞান/মানবিক/ব্যবসায় শিক্ষা/ভোকেশনাল) পরীক্ষায় কমপক্ষে জিপিএ ২.০০ পেয়ে পাস করতে হবে। এইচএসসি উত্তীর্ণ/অনুত্তীর্ণ বা পরীক্ষার্থীরাও ভর্তির জন্য আবেদন করতে পারবেন, যে কোন বয়সের ছাত্র/ছাত্রীরা ভর্তির জন্য আবেদন করতে পারবেন।



* অফিস চলাকালে ভর্তির আবেদনপত্র, তথ্যবিবরণী ও অন্যান্য প্রয়োজনীয় কাগজপত্র প্রতিষ্ঠান হতে সংগ্রহ করতে হবে। ভর্তির আবেদনপত্র বোর্ড নির্ধারিত সময়ের মধ্যে জমা দিতে হবে। নির্বাচিত প্রার্থীদের এসএসসি/সমমান পরীক্ষার মূল নম্বরপত্র/ ট্রান্সক্রিপ্ট, সনদপত্র, ৪ কপি পাসপোর্ট সাইজের ছবি ও অন্যান্য প্রয়োজনীয় কাগজপত্রসহ বোর্ড কর্তৃক নির্ধারিত সময়ের মধ্যে ভর্তি হতে হবে।



 



বিএসডিআইকে কেন বেছে নিবেন?



* পাসকৃত শিক্ষার্থীদের ইন্টার্নশীপ ও চাকরির সহায়তা



* অভিজ্ঞ শিক্ষকম-লী



* ইংরেজি ভাষায় দক্ষতা অর্জনে বৃটিশ কাউন্সিলের সহায়তায় বিশেষ প্রোগ্রাম



* তুলনামূলকভাবে স্বল্প ব্যয়ে মানসম্পন্ন শিক্ষা



* সুবিশাল খেলার মাঠসহ ক্যাম্পাস



* আন্তর্জাতিক মানসম্পন্ন ল্যাব ও লাইব্রেরি সুবিধা



* ডিপ্লোমা পাসের পর ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি সহ বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ে সান্ধ্যকালীন ব্যাচে বিএসসি ও এমএসসি করার সুযোগ।



* দরিদ্র ও মেধাবী ছাত্র/ছাত্রীদের জন্য স্কলারশিপ



* ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ারিং পাসের পর ছাত্র-ছাত্রীদের ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটিতে উচ্চ শিক্ষা লাভ করার সুযোগ।



বাংলাদেশ স্কিল ডেভেলপমেন্ট ইন্সটিটিউট (বিএসডিআই) যুগোপযোগী এই কোর্সের মাধ্যমে দক্ষ মানবসম্পদ তৈরিতে জাতীয় ও আন্তর্জাতিকভাবে সমান অবদান রাখবে। উপরোক্ত কোর্সগুলোর প্রয়োজনীয়তা উপলব্ধি এবং আন্তর্জাতিক শ্রম বাজারে এই সেক্টরে দক্ষ মানবসম্পদ রপ্তানির ক্ষেত্রে এবং দেশীয় শ্রম বাজারের চাহিদা পূরণ করে বাংলাদেশ স্কিল ডেভেলপমেন্ট ইন্সটিটিউট (বিএসডিআই) দক্ষ মানবসম্পদ তৈরিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে।



এসএসসি/সমমান পরীক্ষায় কমপক্ষে জিপিএ ২.০০ পেয়ে পাস, এইচএসসি উত্তীর্ণ/অনুত্তীর্ণ বা পরীক্ষার্থীরাও আবেদন করতে পারবেন। যে কোন বয়সের ছাত্র/ছাত্রীরা ভর্তির জন্য আবেদন করতে পারবেন।



বর্তমানে ২০২০-২১ শিক্ষাবর্ষে বাংলাদেশ কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের অধীনে ডিপ্লোমা ইন টেঙ্টাইল, কম্পিউটার, ইলেক্ট্রিক্যাল এবং সিভিল প্রোগ্রামে ভর্তি চলছে।



যোগাযোগ : ওয়ার্ড নং : ১৪, আশিকাটি, বাবুরহাট, চাঁদপুর।



০১৭১৩৪৯৩২৩৯, ০১৭১৩৪৯৩০৯১



ডবন :ww w.bsdicp.edu.daffodil.computer E-mail-info@bsdi-bd.org



 



 


হেরার আলো
বাণী চিরন্তন
আল-হাদিস

৭৭-সূরা মুর্সালাত


৫০ আয়াত, ২ রুকু, মক্কী


পরম করুণাময় ও অসীম দয়ালু আল্লাহর নামে শুরু করছি।


 


৬। ওযর-আপত্তি রহিতকরণ ও সতর্ক করার জন্য


৭। নিশ্চয়ই তোমাদিগকে যে প্রতিশ্রুতি দেওয়া হইয়াছে তাহা অবশ্যম্ভাবী।


৮। যখন নক্ষত্ররাজির আলো নির্বাপিত হইবে,


 


যে ব্যাপারকে নিয়ন্ত্রণ করবার ক্ষমতা আমার নেই, তা নিয়ে আমি কখনো ভাবি না।


-বুথ টাসিংটন।


 


 


 


আল্লাহর আদেশ সমূহের প্রতি প্রগাঢ় ভক্তি প্রদর্শন এবং যাবতীয় সৃষ্ট জীবের প্রতি সহানুভূতি-ইহাই ইসলাম।


 


ফটো গ্যালারি
করোনা পরিস্থিতি
বাংলাদেশ বিশ্ব
আক্রান্ত ৩,৮৭,২৯৫ ৩,৯৬,৩৮,১৮৮
সুস্থ ৩,০২,২৯৮ ২,৯৬,৭৮,৪৪৬
মৃত্যু ৫,৬৪৬ ১১,০৯,৮৩৮
দেশ ২১৩
সূত্র: আইইডিসিআর ও বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা।
আজকের পাঠকসংখ্যা
৭১৮৯১২
পুরোন সংখ্যা