চাঁদপুর। মঙ্গলবার ২১ মার্চ ২০১৭। ৭ চৈত্র ১৪২৩। ২১ জমাদিউস সানি ১৪৩৮
kzai
muslim-boys

সর্বশেষ খবর :

  • -
হেরার আলো
বাণী চিরন্তন
আল-হাদিস

২৭-সূরা নাম্ল 


৯৩ আয়াত, ৭ রুকু, ‘মক্কী’


পরম করুণাময় ও অসীম দয়ালু  আল্লাহর নামে শুরু করছি।


 


৫৫। ‘তোমরা কি কামতৃপ্তির জন্য নারীকে ছাড়িয়ে পুরুষে উপগত হইবে? তোমরা তো এক অজ্ঞ সম্প্রদায়।’ 


৫৬। উত্তরে তাহার সম্প্রদায় শুধু বলিল, ‘লূত-পরিবারকে তোমাদের জনপদ হইতে বহিস্কৃত কর, ইহারা তো এমন লোক যাহারা পবিত্র সাজিতে চাহে।’  


দয়া করে এই অংশটুকু হেফাজত করুন


কলমকে হৃদয়ের জিহ্বা বলা যায়।     -কারভেনটেস।

যে মুসলমান অবৈধ (হারাম) বস্তু হইতে দূরে থাকে ও ভিক্ষাবৃত্তি হইতে দূরে থাকে, যাহার শুধু একটি পরিবার (স্ত্রী), খোদাতায়ালা তাহাকেই ভালোবাসেন।   


ফটো গ্যালারি
ফরিদগঞ্জে ছিনতাই মামলায় ৭ যুবককের কারাদন্ড
চৌধুরী ইয়াসিন ইকরাম ॥
২১ মার্চ, ২০১৭ ২৩:০১:০১
প্রিন্টঅ-অ+


 ফরিদগঞ্জ পৌর এলাকার সাবরেজিস্ট্রি অফিসের পেছনে কাজী নজরুল ইসলাম নামে এক ব্যাক্তির নগদ টাকা ও মোবাইল ছিনতাই করার অপরাধে ৭ যুবককে ২ বছর করে সশ্রম কারাদ- দিয়েছে দ্রুত বিচার আদালত। মঙ্গলবার দুপুর ১টায় চাঁদপুর দ্রুত বিচার আদালতের বিচারক অতিরিক্ত চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট সৈয়দ মোঃ কায়সার মোশাররফ এই রায় দেন।

কারাদ-প্রাপ্ত যুবকরা হচ্ছেন : ফরিদগঞ্জ পৌরসভার কাছিয়ারা বড় বাড়ির মিজানুর রহমানের ছেলে শাহাদাত হোসেন (২১), চির্কা চাঁদপুর গ্রামের মৃত ইয়াকুব হোসেনের ছেলে শুভ (১৮), আব্দুল রবের ছেলে রিমন (১৯), চরবড়ালী গ্রামের মৃত আমির হোসেন পাটওয়ারীর ছেলে রাজু (২১), বাবুল মিয়ার ছেলে ফরিদ (২০), আক্তারুজ্জামানের ছেলে আকরাম (২০) ও মোঃ বোরহান (২০) পিতা অজ্ঞাত। এর মধ্যে শাহাদাত পলাতক রয়েছে ।

মামলার বিবরণে জানা যায়, ২০১৪ সালের ৩০ জুলাই দুপুর সোয়া ১টায় বাদী উপজেলার বিষকাটালী গ্রামের আঃ মান্নান কাজীর ছেলে কাজী নজরুল ইসলাম শহরের ওয়ান স্টার হোটেলে নাস্তা খাওয়ার জন্য আসেন। নাস্তা খেয়ে বের হলে উল্লেখিত যুবকরা তাকে বিভিন্ন এলোমেলো প্রশ্ন করে। এক পর্যায়ে তাকে মারধর করে তার পকেটে থাকা ১১ হাজার ৭শ’ টাকা ও ১৬ হাজার টাকা মূল্যের একটি মোবাইল ফোন ছিনতাই করে একজন পালিয়ে যায়। নজরুল চিৎকার করলে ঘটনাস্থলে মানুষজন জড়ো হয় এবং পুলিশ এসে বাকিদের মধ্যে ৪জনকে আটক করতে সক্ষম হয়।

এই ঘটনায় একই দিন বিকেলে উল্লেখিতদের আসামী করে নজরুল ইসলাম নিজেই বাদী হয়ে আইন শৃঙ্খলা বিঘœকারী অপরাধ দ্রুত বিচার (সংশোধন) আইন ২০১২ এর ৪(১) ৫ ধারায় মামলা দায়ের করেন। মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা ফরিদগঞ্জ থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) অলক বড়–য়া মামলাটি তদন্ত শেষে ২০১৪ সালের ১১ আগস্ট আদালতে প্রতিবেদন দাখিল করেন।

 সরকার পক্ষের আইনজীবী অতিরিক্ত পি.পি রেজা পাহ্লভী মজিদ শেলী বলেন, গত ৩ বছর মামলাটি চলমান থাকা অবস্থায় সন্দেহাতীতভাবে সাক্ষ্য প্রমাণের ভিত্তিতে আসামীদের প্রত্যেককে ২ বছর করে সশ্রম কারাদ-, ৫ হাজার টাকা করে জরিমানা এবং অনাদায়ে আরো ১বছর বিনাশ্রম কারাদ- প্রদান করেন। আসামী পক্ষের আইনজীবী ছিলেন কাজী আব্দুল হান্নান।

 


আজকের পাঠকসংখ্যা
৮৪২৩৮২
পুরোন সংখ্যা