চাঁদপুর। মঙ্গলবার ৬ জুন ২০১৭। ২৩ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৪। ১০ রমজান ১৪৩৮
redcricent
jibon dip

সর্বশেষ খবর :

  • -
হেরার আলো
বাণী চিরন্তন
আল-হাদিস

২৮-সূরা কাসাস 


৮৮ আয়াত, ৯ রুকু, ‘মক্কী’


পরম করুণাময় ও অসীম দয়ালু  আল্লাহর নামে শুরু করছি।


 


৪৬। মূসাকে যখন আমি আহ্বান করিয়াছিলাম তখন তুমি তূর পর্বতপার্শ্বে উপস্থিত ছিলে না। বস্তুত ইহা তোমার প্রতিপালকের নিকট হইতে দয়াস্বরূপ, যাহাতে তুমি এমন এক সম্প্রদায়কে সতর্ক করিতে পার, যাহাদের নিকট তোমার পূর্বে কোন সতর্ককারী আসে নাই, যেন উহারা উপদেশ গ্রহণ করে;


দয়া করে এই অংশটুকু হেফাজত করুন


 


যে স্বল্প পরিমাণে সুগন্ধ পায় সে সুগন্ধের মাধুর্য বুঝে।                      


-মিনেকো।

মৃত্যুই অনন্ত পদযাত্রার প্রারম্ভ।


ফটো গ্যালারি
নাসরিন-১ লঞ্চডুবিতে ক্ষতিগ্রস্তদের ১৭ কোটি টাকা দেয়ার নির্দেশ
০৬ জুন, ২০১৭ ০০:০২:১৫
প্রিন্টঅ-অ+


২০০৩ সালে চাঁদপুর শহরের বড় স্টেশন মোলহেড এলাকায় মেঘনা-ডাকাতিয়ার মিলনস্থলে প্রবল ¯্রােতে ডুবে যাওয়া এমভি নাসরিন-১ লঞ্চের নিহত যাত্রীদের ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারকে ১৭ কোটি ১১ লাখ টাকা ক্ষতিপূরণ দিতে নির্দেশ দিয়েছে হাইকোর্ট। বিচারপতি সৈয়দ মোহাম্মদ জিয়াউল করিম ও বিচারপতি শেখ মোঃ জাকির হোসেনের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্টের বেঞ্চ গতকাল সোমবার এ নির্দেশ দেন।

আদালতে বাংলাদেশ লিগ্যাল এইড অ্যান্ড সার্ভিসেস ট্রাস্ট (ব্লাস্ট)-এর পক্ষে ছিলেন ড. কামাল হোসেন, অ্যাডভোকেট কামরুল হক সিদ্দিকী ও সুব্রত চৌধুরী। অপরপক্ষে ছিলেন অ্যাডঃ আব্দুল বাসেত মজুমদার, অ্যাডঃ রাফসান আলভী ও ইশরাত হাসান।

চাঁদপুরের মেঘনা ও ডাকাতিয়া নদীর মিলনস্থল বড় স্টেশন মোলহেড এলাকায় ২০০৩ সালের ৮ জুলাই এমভি নাসরিন-১ লঞ্চডুবিতে নিহত হন ১১০ জন ও নিখোঁজ হন ১৯৯ জন যাত্রী। ওই দুর্ঘটনায় লঞ্চটির মালিকও নিহত হন। একই বছর চাঁদপুরের তৎকালীন জেলা প্রশাসক লঞ্চডুবিতে ক্ষতিগ্রস্ত ৪শ’ জনের তালিকা প্রকাশ করেন। সে তালিকা অনুযায়ী নৌ দুর্যোগ ট্রাস্টি বোর্ড নিহত ও আহত ব্যক্তিদের পরিবারকে ১৫ থেকে ২০ হাজার টাকা করে ক্ষতিপূরণ দেয়। যার পরিমাণ ৭০ লাখ টাকার উপরে। কিন্তু নিহত ব্যক্তিদের পরিবারকে দেয়া ক্ষতিপূরণ অপ্রতুল দাবি করে ২০০৪ সালে ঢাকার তৃতীয় জেলা জজ আদালতে নিহত ১২১ জনের পরিবারের পক্ষে ক্ষতিপূরণ মামলা করে বাংলাদেশ লিগ্যাল এইড অ্যান্ড সার্ভিসেস ট্রাস্ট (ব্লাস্ট)। মামলায় ২৮ কোটি ৯৩ লাখ ৯৪ হাজার টাকা ক্ষতিপূরণ চাওয়া হয়।

২০১২ সালে সেই মামলা বদলী হয়ে ঢাকার ৭ম যুগ্ম জেলা জজ আদালতে যায়। আদালত ২০১৬ সালের ২ ফেব্রুয়ারি মামলার রায় দেন। রায়ে ৬০ দিনের মধ্যে ক্ষতিগ্রস্তদের ১৭ কোটি ১১ লাখ টাকা দিতে বিবাদীদের প্রতি নির্দেশ দেয়া হয়। পরে বিবাদীরা জেরা ও যুক্তিতর্ক উপস্থাপনের সুযোগ চেয়ে মামলাটি পুনরুজ্জীবিত করার আবেদন জানান। আদালত ওই আবেদন খারিজ করে ক্ষতিপূরণের রায় বহাল রাখেন।

এ আদেশের বিরুদ্ধে বিআইডব্লিউটিএসহ বিবাদীপক্ষ ২০১৬ সালের ২৪ অক্টোবর হাইকোর্টে রিভিশন আবেদন করেন। হাইকোর্ট পরদিন নি¤œ আদালতের রায় ‘কেন বাতিল ও রদ করা হবে না’ তা জানতে চেয়ে রুল জারি করেন। এ রুলের চূড়ান্ত শুনানি শেষে হাইকোর্ট গতকাল সোমবার সে আবেদন খারিজ করে ক্ষতিপূরণের রায় দেন। ফলে এ বিষয়ে পুনরায় নি¤œ আদালতে আর শুনানি হবে না।


আজকের পাঠকসংখ্যা
১৬৩৫৯৫
পুরোন সংখ্যা