চাঁদপুর। মঙ্গলবার ৬ জুন ২০১৭। ২৩ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৪। ১০ রমজান ১৪৩৮

বিজ্ঞাপন দিন

jibon dip

সর্বশেষ খবর :

  • -
হেরার আলো
বাণী চিরন্তন
আল-হাদিস

২৮-সূরা কাসাস 


৮৮ আয়াত, ৯ রুকু, ‘মক্কী’


পরম করুণাময় ও অসীম দয়ালু  আল্লাহর নামে শুরু করছি।


 


৪৬। মূসাকে যখন আমি আহ্বান করিয়াছিলাম তখন তুমি তূর পর্বতপার্শ্বে উপস্থিত ছিলে না। বস্তুত ইহা তোমার প্রতিপালকের নিকট হইতে দয়াস্বরূপ, যাহাতে তুমি এমন এক সম্প্রদায়কে সতর্ক করিতে পার, যাহাদের নিকট তোমার পূর্বে কোন সতর্ককারী আসে নাই, যেন উহারা উপদেশ গ্রহণ করে;


দয়া করে এই অংশটুকু হেফাজত করুন


 


যে স্বল্প পরিমাণে সুগন্ধ পায় সে সুগন্ধের মাধুর্য বুঝে।                      


-মিনেকো।

মৃত্যুই অনন্ত পদযাত্রার প্রারম্ভ।


ফটো গ্যালারি
প্রবাসী স্বামীর সাথে অভিমান করে স্ত্রীর আত্মহত্যা
মতলব ব্যুরো ॥
০৬ জুন, ২০১৭ ০০:০৭:৫২
প্রিন্টঅ-অ+


মুঠোফোনে প্রবাসী স্বামীর সাথে কথা কাটাকাটির জের ধরে আত্মহত্যা করেছেন দুই সন্তানের জননী শান্তা বেগম (২৮)। গতকাল ৫ জুন মতলব দক্ষিণ উপজেলার খাদেরগাঁও ইউনিয়নের আল-বারাকা স্কুলের পাশে সরকার বাড়িতে ইফতারের সময় স্বামীর ঘরে গলায় ফাঁস দিয়ে শান্তা আত্মহত্যা করে। খবর পেয়ে পুলিশ এসে ঝুলন্ত অবস্থা থেকে তার লাশ উদ্ধার করে।

সরজমিনে গিয়ে জানা যায়, মতলব দক্ষিণ উপজেলার নারায়ণপুর ইউনিয়নের বারৈড়গাঁও গ্রামের শাহ আলম ভূঁইয়ার বড় মেয়ে শান্তা আক্তারের ১০/১২ বছর আগে পারিবারিকভাবে বিয়ে হয় একই উপজেলার খাদেরগাঁও ইউনিয়নের সরকার বাড়ির রমিজ উদ্দিন সরকারের বড় ছেলে প্রবাসী রাজু সরকার হাবিলের সাথে। সংসার জীবনে তাদের রায়না (৯) ও ফারিয়া (৩) নামে দুটি কন্যা সন্তান রয়েছে। ঘটনার দিন সকালে শান্তা তার তৃতীয় শ্রেণিতে পড়–য়া রায়নাকে স্কুলে দিয়ে বাপের বাড়ি যায়। বাপের বাড়ি থেকে আছর নামাজের পর স্বামীর বাড়িতে আসে। পরে সন্ধ্যায় শান্তা তার রুম থেকে দুই মেয়েকে বের করে দিয়ে দরজা বন্ধ করে গলায় ফাঁস দেয়।

শান্তার স্বামী প্রবাসী রাজু সরকার হাবিলের ছোট ভাই খোকনের স্ত্রী মিনা বলেন, সন্ধ্যায় বাচ্চাদের কান্নার শব্দ পেয়ে ভেবেছিলাম, হয়তো ভাবী তার সন্তানদের পড়ালেখায় না বসার কারণে মেরেছেন, প্রায়ই এমন হয়ে থাকে। কিন্তু তারা যখন ঘর থেকে বের হয়ে আমাদের কাছে এসে বলে যে, ‘তার মা তাদের ঘর থেকে বের করে দিয়ে কী যেন করছে’। এ কথা শুনে আমার দেবর জয়নাল আবেদীন ঘরের জানালা ফাঁক করে দেখতে পায় শান্তা ভাবী গলায় ফাঁস দিয়ে ঝুলে রয়েছে।

ওই বাড়ির অনেকে জানান, এ ঘটনার পর মতলব দক্ষিণ থানা পুলিশকে খবর দেয়া হলে পুলিশ এসে লাশ উদ্ধার করে। এদিকে শান্তার মৃত্যুর খবর পেয়ে তার বাপের বাড়ির লোকজন ঘটনাস্থলে এসে শিশু রায়না ও ফারিয়াকে নিয়ে যায়। শান্তার ছোট ভাই সাকিব বলেন, ঘটনার দিন সকালে আমার বোন বাড়িতে এসেছিল। মায়ের সাথে তার স্বামীর বিষয়ে অনেক কথাই বলে যান। শান্তার চাচা ইসমাইল হোসেন বলেন, যে সময় শান্তা তার মেয়েকে রুম থেকে বের করে দেয় তখন তার শ্বশুর ওই ঘরেই ছিল। জানালা দিয়ে ফাঁসি দেয়ার ঘটনা তারা (শান্তার শ্বশুর বাড়ির লোকজন) দেখতে পেয়েও কোনো পদক্ষেপ নেয়নি।


আজকের পাঠকসংখ্যা
৪২৬৩০৩
পুরোন সংখ্যা