চাঁদপুর। শনিবার ১৪ অক্টোবর ২০১৭। ২৯ আশ্বিন ১৪২৪। ২৩ মহররম ১৪৩৯

বিজ্ঞাপন দিন

বিজ্ঞাপন দিন

সর্বশেষ খবর :

  • ---------
হেরার আলো
বাণী চিরন্তন
আল-হাদিস

৩০-সূরা রূম


৬০ আয়াত, ৬ রুকু, ‘মক্কী’


পরম করুণাময় ও অসীম দয়ালু  আল্লাহর নামে শুরু করছি।


 


৩০। তুমি একনিষ্ঠ হইয়া নিজেকে দীনে প্রতিষ্ঠিত কর। আল্লাহর প্রকৃতির অনুসরণ কর, যে প্রকৃতি অনুযায়ী তিনি মানুষ সৃষ্টি করিয়াছেন; আল্লাহর সৃষ্টির কোন পরির্বতন নাই। ইহাই সরল দ্বীন; কিন্তু অধিকাংশ মানুষ জানে না।


৩১। বিশুদ্ধ চিত্তে তাঁহার অভিমুখী হইয়া তাঁহাকে ভয় কর, সালাত কায়েম কর এবং অন্তর্ভুক্ত হইও না মুশরিকদের,


৩২। যাহারা নিজেদের দীনে মতভেদ সৃষ্টি করিয়াছে এবং বিভিন্ন দলে বিভক্ত হইয়াছে। প্রত্যেক দলই নিজ নিজ মতবাদ লইয়া উৎফুল্ল।


দয়া করে এই অংশটুকু হেফাজত করুন


 


রাতে শুয়ে দিনের কাজগুলি একবার মনে মনে ভেবো।                     -ইমাম গাজ্জালি


 

ধর্মার্থে প্রাণ উৎসর্গকারী শহীদের রক্ত অপেক্ষা বিদ্বান ব্যক্তির কলমের কালি অধিক পবিত্র।


চাঁদপুর আধুনিক নৌ-টার্মিনালের কাজ শুরু আগামী বছরের প্রথম ভাগে
প্রাথমিক কাজ সম্পাদনে ৬৬ কোটি টাকা ছাড় ॥ নতুনভাবে জমি অধিগ্রহণসহ বর্তমান লঞ্চঘাটের সম্প্রসারণ, ৩ তলা বিশিষ্ট টার্মিনাল ভবন নির্মাণ, কয়লাঘাট টার্মিনাল মেরামত, পুরাণবাজার ও বিআইডাব্লিউটিএ অফিস সম্মুখে নূতন ঘাট স্থাপন, ৩০ ফুট প্রশস্ত রাস্তা নির্মাণ করা হবে
গোলাম মোস্তফা ॥
১৪ অক্টোবর, ২০১৭ ০১:২৪:৩০
প্রিন্টঅ-অ+


 চাঁদপুর নৌ-টার্মিনালের আধুনিকায়নের দাবি দীর্ঘদিন ধরে উচ্চারিত হলেও এর বাস্তবায়ন হচ্ছিল না। টার্মিনাল কি ডাকাতিয়া নদীর তীরেই থাকবে, নাকি মেঘনার তীরে হবে এ নিয়ে চলছিলো তুমুল বিতর্ক। নৌ-মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে এ বিতর্কের সমাধানে উল্লেখযোগ্য প্রয়াসও চালানো হয়। অবশেষে সরকার ডাকাতিয়ার তীরে নয়, মেঘনার তীরেই চাঁদপুর আধুনিক নৌ-টার্মিনাল নির্মাণ সংক্রান্ত প্রকল্প বাস্তবায়নের কাজ হাতে নিয়েছে। সুখবর হলো, ৩ মাস পূর্বে বিশ্বব্যাংকের অর্থায়নে পুষ্ট এ প্রকল্পের ৬৬  কোটি টাকা সরকার ছাড় দিয়েছে।

    পাকিস্তান আমলে চাঁদপুর শহরের পশ্চিম প্রান্তে অবস্থিত বর্তমান মোলহেডের পূর্ব পার্শ্বস্থ চাঁদপুর বড়স্টেশন সংলগ্ন স্থানে নির্মাণ করা হয় চাঁদপুর নদী বন্দরের স্থাপনা সমূহ। স্টেশনের ওভার ব্রিজের দক্ষিণ পাশে ডান দিকে স্থাপন করা হয় চাঁদপুর রকেট স্টিমার ঘাট। আর বামদিকে নির্মাণ করা হয় চাঁদপুর নৌ-টার্মিনাল ও লঞ্চঘাট। ১৯৬৫ সালে পাক-ভারত যুদ্ধ হবার আগে ভারতের আসাম প্রদেশের লোকজন পশ্চিমবঙ্গ যেতে চাঁদপুরকেই ট্রানজিট পয়েন্ট হিসেবে ব্যবহার করতো। চাঁদপুরকে বলা হতো আসাম বেঙ্গল রেলওয়ের গেটওয়ে বা প্রবেশ দ্বার। পশ্চিমবঙ্গের লোকজন ট্রেনযোগে গোয়ালন্দ এসে স্টিমারে চড়ে চাঁদপুর আসতো এবং তারপর চাঁদপুর থেকে ট্রেনযোগে আসাম যেতো। আবার আসামের লোকজন ট্রেনযোগে চাঁদপুর এসে স্টিমারে চড়ে গোয়ালন্দ যেতো এবং গোয়ালন্দ থেকে ট্রেনে চড়ে পশ্চিমবঙ্গে যেতো।

    বাংলাদেশের পুরো দক্ষিণাঞ্চল বিশেষ করে বর্তমান খুলনা ও বরিশাল বিভাগের লোকজন এবং ঢাকা বিভাগের শরীয়তপুর, মাদারীপুরসহ সন্নিহত অঞ্চলের লোকজন পূর্বাঞ্চলের চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগসহ সন্নিহিত স্থানগুলোতে যাতায়াতে চাঁদপুরকে ট্রানজিট পয়েন্ট হিসেবে সুদূর অতীত থেকে ব্যবহার করে আসছিলো। দেশের পূর্বাঞ্চলের লোকজন দক্ষিণাঞ্চলে যেতে রেল ও সড়কযোগে চাঁদপুর এসে লঞ্চ-স্টিমারযোগে স্বল্প খরচে দক্ষিণাঞ্চলে যাতায়াতে স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করে। আবার দক্ষিণাঞ্চলের লোকজন নৌ-পথে চাঁদপুর এসে রেল ও সড়কযোগে পূর্বাঞ্চলে যাতায়াতে বেশ পছন্দ করে। ১৯৬৫ সালের পাকিস্তান ও ভারতের মধ্যে যুদ্ধের পর এ দুটি দেশের মধ্যে সম্পর্কের অবনতি ঘটে। সেজন্যে চাঁদপুরকে ট্রানজিট পয়েন্ট হিসেবে ব্যবহার করে আসাম ও পশ্চিমবঙ্গের মধ্যে সংক্ষিপ্ত যাতায়াত ব্যবস্থা পুরোপুরি বন্ধ হয়ে যায়। এতে চাঁদপুরে আসাম থেকে মেইল ট্রেনের যাতায়াত এবং চাঁদপুর থেকে গোয়ালন্দ পর্যন্ত স্টিমার সার্ভিসও বন্ধ হয়ে যায়। চাঁদপুর নদী বন্দরের ব্যস্ততা ও প্রাণচাঞ্চল্য অনেকটা থমকে যায়। সেই থেকে নব্বইর দশকের আগ পর্যন্ত চাঁদপুর নদী বন্দরে স্থবিরতা পরিলক্ষিত হয়। আশির দশকের মাঝামাঝি থেকে নব্বইর দশকের ক’বছর পর্যন্ত বাংলাদেশের সড়ক খাতে বৈপ্লবিক উন্নতি সাধিত হওয়ায় নৌ-পরিবহন খাতে ব্যাপক ভাটা পড়ে। এ সময়টাতে লোকজন সড়কে যাতায়াতে বেশি স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করে। এজন্যে নদী পথে যাত্রী সংকট সৃষ্টি হয়। চাঁদপুর নদী বন্দরসহ দেশের বিভিন্ন নদী বন্দরে প্রাণচাঞ্চল্য কমে আসে। নৌ-পথে জরাজীর্ণ রকেট স্টিমারে যাতায়াতে বহুবিধ বিড়ম্বনা ও নিরাপত্তাহীনতা এবং নি¤œমানের লঞ্চযোগে যাতায়াতে জীবনহানিসহ নানাবিধ ছোটখাট ঘটনায় যাত্রীরা নৌ-পথ বিমুখ হয়ে পড়ে। বিশেষ করে বার বার লঞ্চডুবির ঘটনায় ব্যাপক প্রাণহানিতে নৌ-পথে যাতায়াতে ঝুঁকি ও আতঙ্কের সৃষ্টি হয়।

    নব্বইর দশকের মাঝামাঝি সময়ে চাঁদপুর-ঢাকা, ঢাকা-চাঁদপুর-বরিশালসহ দক্ষিণাঞ্চলের বিভিন্ন রূটে আধুনিকমানের লঞ্চ সার্ভিস প্রবর্তন হয়। কাঠবডির লঞ্চগুলো ক্রমশ বিলুপ্ত হতে থাকে। সেস্থানে স্টিলবডির লঞ্চগুলো চলাচল শুরু হয়। যাত্রীদের সামর্থ্য বাড়ায় লঞ্চগুলোতে যুক্ত হতে থাকে ফ্যান, এসি ও টিভিসহ বিলাসবহুল কেবিন। চাঁদপুর-ঢাকা রূটের লঞ্চগুলোতে বিমানের সীটের মতো আরামদায়ক সীটসহ প্রথম, দ্বিতীয় ও ৩য় শ্রেণী সংযোজন করা হয়। কেন্টিন, টয়লেট, নামাজের জায়গা এবং ছাদে ছাতার নিচে গোল টেবিলে বসে আড্ডার ব্যবস্থাসহ ছায়াছবি দেখার সুব্যবস্থা করা হয়। লঞ্চগুলোর কাঠামোতে বিমানের আঙ্গিক, পাখির অবয়বসহ আকর্ষণীয় বিভিন্ন অবয়ব, ফুলের টব, বিভিন্ন কারুকাজ ও ব্যাপক আলোকসজ্জায় লঞ্চগুলোকে আধুনিক থেকে আধুনিকতর করা হয়। এক সময়ে চাঁদপুর ও ঢাকার মধ্যে যাতায়াতে যেখানে ৪-৬ ঘন্টা সময় লাগতো, সে সময়কে কমিয়ে ৪ ঘন্টা এবং সর্বশেষ ৩ ঘন্টায় নিয়ে আসা হয়। খেয়ে-দেয়ে, গান শুনে, ছবি দেখে, পর্যাপ্ত টয়লেটে প্রাকৃতিক কাজকর্ম সেরে, ধর্মকর্ম করে বিশেষ করে নদীর জলছোঁয়া নির্মল বায়ু সেবন করে চাঁদপুর-ঢাকা নৌ-রূটে লঞ্চযোগে যাতায়াত ব্যবস্থা ক্রমশ জনপ্রিয় হয়ে উঠে। আর এর বিপরীতে চাঁদপুর-ঢাকা রূটে সড়কে যাতায়াত হয়ে পড়ে বিরক্তিকর। কারণ সড়কে দৈন্যদশা ও ব্যাপক যানজট। সাথে সাথে সড়কে দিনের পর দিন বাড়তে থাকে দুর্ঘটনা ও হতাহতের ঘটনা। এক সময় সড়কে চাঁদপুর থেকে ঢাকা যেতে সর্বনি¤œ ৩ ঘন্টা ও সর্বোচ্চ ৪-৬ ঘন্টা লাগতো, এখন সেখানে কত ঘন্টা লাগে সেটা বাসের মালিক-ড্রাইভার কেউ-ই বলতে পারে না। যানজট-দুর্ঘটনাসহ বহুবিধ বিড়ম্বনার কারণে চাঁদপুর-ঢাকা সড়ক রূটে দিনের পর দিন কমতে থাকে যাত্রী সংখ্যা। সড়ক বিমুখ এ সকল যাত্রী ঝুঁকে পড়েছে স্বস্তিপূর্ণ নৌ-পথের দিকে। এজন্যে চাঁদপুর-ঢাকা নৌ-রূটে দিনের পর দিন বেড়ে চলছে যতসব আধুনিক লঞ্চ সার্ভিস। এ লঞ্চে সর্বনি¤œ ১০০ টাকায় ঢাকা থেকে চাঁদপুর এবং চাঁদপুর থেকে ঢাকা আরাম-আয়েসে ভ্রমণ করা যায়। সড়কে এ ভ্রমণ ৩০০ টাকার নিচে কল্পনা করা যায় না।

    ২০০১ সালের ১৯  সেপ্টেম্বর ভোর ৫টায় আকস্মিক ভাঙ্গনে ডাকাতিয়ার দক্ষিণ তীরে চাঁদপুর মাছঘাট বিলুপ্ত হয়ে যায়। বড়স্টেশন প্লাটফরমের সম্মুখস্থ রেলপথ, স্টিমার ঘাট ও লঞ্চ টার্মিনালের ৪ দশমিক ৭ হেক্টর জায়গা নদী গর্ভে বিলীন হয়ে যায়। মাছ ঘাট ও বড়স্টেশন পূর্বদিকে রেল থানার নিকটে এবং স্টিমার ঘাট ও লঞ্চঘাট কয়লাঘাটে স্থানান্তর করা হয়। বর্ধিত যাত্রীর অনুপাতে কয়লাঘাটস্থ লঞ্চ টার্মিনাল হয়ে পড়ে খুবই সংকীর্ণ। সেজন্যে ১৯৯৬ সালের ১২ সেপ্টেম্বরে অনেক বড় পরিসরে উত্তর শ্রীরামদী মাদ্রাসা রোডের মাথায় মেঘনার তীরে চালুকৃত বিকল্প টার্মিনাল থেকে চাঁদপুর-ঢাকা, চাঁদপুর-নারায়ণগঞ্জ ও ঢাকা-চাঁদপুর-বরিশাল রূটের লঞ্চ সার্ভিস সব সময় চালু রাখার ব্যাপারে নৌপরিবহন মন্ত্রণালয় সিদ্ধান্ত গ্রহণ করে। এই সিদ্ধান্তের পূর্বে বছরের নভেম্বর মাস থেকে জুন মাস পর্যন্ত কয়লাঘাট থেকে লঞ্চ সার্ভিস এবং জুলাই মাস থেকে অক্টোবর মাস পর্যন্ত মাদ্রাসা রোডস্থ বিকল্প লঞ্চঘাট থেকে লঞ্চ সার্ভিস চালু ছিলো। মন্ত্রণালয়ের সর্বশেষ সিদ্ধান্ত মতে ২০১৪ সালের জুলাই থেকে কয়লাঘাটস্থ লঞ্চ টার্মিনালকে পুরোপুরি বন্ধ করে মাদ্রাসা রোডস্থ বিকল্প লঞ্চ টার্মিনাল থেকে সারা বছর লঞ্চ সার্ভিস বহাল রাখা হয়। শুধু তাই নয়, এ টার্মিনালকে একটি আন্তর্জাতিক মানের আধুনিক টার্মিনালে রূপান্তরের চিন্তা-ভাবনা করে বর্তমান সরকার। প্রথম অবস্থায় ৩০০ কোটি টাকা ব্যয়ে এ টার্মিনাল আধুনিকায়নের ব্যবস্থার কথা শোনা যায়। এতো দিনে এ টার্মিনাল আধুনিকায়ন হওয়ারও কথা। কিন্তু চাঁদপুর চেম্বার অব কমার্সসহ পুরাণবাজারের বিপুল সংখ্যক ব্যবসায়ী ও চাঁদপুরের দক্ষিণাঞ্চলের বিপুল সংখ্যক নৌ-যাত্রীর সম্মিলিত চাপের মুখে পড়ে সরকার। দফায় দফায় মন্ত্রী, এমপি, সচিব, জেলা প্রশাসকসহ অন্যান্য কর্মকর্তার সাথে আধুনিক লঞ্চ টার্মিনাল নির্মাণ নিয়ে চলতে থাকে মতবিনিময় সভা ও বিতর্ক। অবশেষে সরকার বিপুল সংখ্যক ব্যবসায়ীদের সামগ্রিক সুবিধা, নিরাপত্তা ও স্বাচ্ছন্দ্য বিবেচনা করে চাঁদপুর আধুনিক লঞ্চ টার্মিনাল নির্মাণ প্রকল্পের মূল কাজ মেঘনা তীরে মাদ্রাসা ঘাটস্থ বর্তমান লঞ্চ টার্মিনাল স্থানে বাস্তবায়নের চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত গ্রহণ করে। আর উক্ত প্রকল্পের আওতায় পুরাণবাজারের ব্যবসায়ীদের সুবিধার্থে দুই পন্টুন বিশিষ্ট একটি ঘাট স্থাপন এবং বাগাদী রোডস্থ বিআইডাব্লিউটিএ অফিসের সামনে একটি ঘাট স্থাপনের পরিকল্পনা গ্রহণ করেছে।

    বিআইডব্লিউটিএ চাঁদপুর কার্যালয়ে কর্মরত নির্বাহী প্রকৌশলী রবিউল ইসলাম জানান, চাঁদপুর আধুনিক নৌ-টার্মিনাল নির্মাণ প্রকল্পের প্রাথমিক কাজ সম্পাদনের জন্য সরকার ৬৬ কোটি টাকা ছাড় দিয়েছে। এ অর্থে কনসালটেন্ট নিয়োগ, ভূমি অধিগ্রহণসহ প্রাথমিক পর্যায়ের আনুষঙ্গিক কাজ সম্পাদক করা হবে। মূল প্রকল্প বাস্তবায়নে ব্যয়ের পরিমাণ ৩০০ কোটি টাকা ছাড়িয়ে যেতে পরে বলে ধারণা করা হচ্ছে। মেঘনা তীরের বর্তমান লঞ্চ টার্মিনালের আওতায় রয়েছে ১.৯ একর জায়গা। এখানে চাঁদপুর আধুনিক নৌ-টার্মিনাল প্রকল্প বাস্তবায়ন করতে আরো প্রায় দেড় একর ভূমি অধিগ্রহণের প্রয়োজনীয়তা রয়েছে। চাঁদপুর শহর থেকে এ টার্মিনাল অভিমুখে রাস্তা নির্মাণ করা হবে। যা ৩০ ফুট প্রশস্ত হবে। এ রাস্তা কোন্ জায়গা দিয়ে কিভাবে নির্মিত হবে তা নৌ-পরিবহন মন্ত্রণালয় কর্তৃক নিযুক্ত কনসালটেন্ট নিয়োগের পর তা নির্ধারিত হবে। উক্ত নির্বাহী প্রকৌশলী জানান, ২০১৮ সালের প্রথম ভাগে চাঁদপুর আধুনিক নৌ-টার্মিনালের মূল প্রকল্পের কাজ শুরু হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। এ প্রকল্পে বর্তমান লঞ্চ টার্মিনালের দক্ষিণ দিকে ৩ তলা বিশিষ্ট ভবন নির্মিত হবে। এ প্রকল্পে কনসালটেন্ট পদে ব্যক্তিগত বা প্রতিষ্ঠানগতভাবে কনসালটেন্ট পদে নিয়োগ প্রক্রিয়াটি চূড়ান্ত পর্যায়ে রয়েছে।





 


এই পাতার আরো খবর -
    আজকের পাঠকসংখ্যা
    ৫০২৪৪
    পুরোন সংখ্যা