চাঁদপুর। বুধবার ৭ নভেম্বর ২০১৮। ২৩ কার্তিক ১৪২৫। ২৭ সফর ১৪৪০
redcricent
jibon dip

সর্বশেষ খবর :

  • --
হেরার আলো
বাণী চিরন্তন
আল-হাদিস

৪৩-সূরা যুখ্রুফ


৮৯ আয়াত, ৭ রুকু,' মক্কী


পরম করুণাময় ও অসীম দয়ালু আল্লাহর নামে শুরু করছি।


৭৩। সেথায় তোমাদের জন্যে রহিয়াছে প্রচুর ফলমূল, তাহা হইতে তোমরা আহার করিবে।


৭৪। নিশ্চয় অপরাধীরা জাহান্নামের শাস্তিতে থাকিবে স্থায়ীভাবে;


৭৫। উহাদের শাস্তি লাঘব করা হইবে না এবং উহারা উহাতে হতাশ হইয়া পড়িবে।


 


 


assets/data_files/web

বীরত্বের নির্যাস হলো আত্মবিশ্বাস। -ইমারসন।


 


 


বিদ্যা শিক্ষার্থীগণ বেহেশতের ফেরেশতাগণ কৃর্তক অভিনন্দিত হবেন।


 


 


 


ফটো গ্যালারি
ফরিদগঞ্জে জেসমিন হত্যা মামলায় ১ জনের মৃত্যুদন্ড॥ ২ জনের যাবজ্জীবন কারাদন্ড
চৌধুরী ইয়াসিন ইকরাম ॥
০৭ নভেম্বর, ২০১৮ ১৯:৪৭:৩০
প্রিন্টঅ-অ+


ফরিদগঞ্জ উপজেলার আলোচিত কিশোরী জেসমিন হত্যা মামলায় আসামী সাইফুল ইসলাম বাবুকে মৃত্যুদ- ও ১০ হাজার টাকা অর্থদ- এবং অপর দুই আসামী মোঃ মিরাজ বেপারী ও নূর ইসলাম ওরফে লেদাকে যাবজ্জীবন ও ১০ হাজার টাকা করে অর্থদ- দিয়েছে আদালত। রায় ঘোষণার সময় মৃতুদ-প্রাপ্ত আসামী সাইফুল ইসলাম ও মিরাজ পলাতক ছিলেন। মামলার ৩নং আসামী নূর ইসলাম ওরফে লেদার উপস্থিতিতে মামলার রায় শোনানো হয়।

গতকাল বুধবার (৭ নভেম্বর) দুপুর দেড়টায় চাঁদপুর জেলা ও দায়রা জজ মোঃ জুলফিকার আলী খাঁন এ রায় দেন। হত্যার শিকার জেসমিন আক্তার ফরিদগঞ্জ উপজেলার গোবিন্দপুর ইউনিয়নের দক্ষিণ হরিণা গ্রামের চুন্নু মিয়ার মেয়ে।

মৃত্যুদ-প্রাপ্ত সাইফুল চাঁদপুর সদর উপজেলার বালিয়া ইউনিয়নের গুলিশা গ্রামের অলিউল্যা শেখের ছেলে। যাবজ্জীবন কারাদ-প্রাপ্ত মিরাজ একই উপজেলার সোবহানপুর গ্রামের চুন্নু মেম্বারের ছেলে এবং নূর ইসলাম ওরফে লেদা একই উপজেলার পূর্ব গুলিশা গ্রামের মুসলিম রাঢ়ির ছেলে।

মামলার বিরবরণ থেকে জানা গেছে, ২০১৫ সালের ২৫ জানুয়ারি দিবাগত রাতে কোনো একসময় বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে সাইফুল ইসলাম তাকে বাড়ি থেকে ডেকে নিয়ে আসে। পরে সকল আসামীরা জেসমিনকে সংঘবদ্ধ হয়ে ধর্ষণ শেষে হত্যা করে ফসলি জমিতে রেখে চলে যায়। পরদিন ২৬ জানুয়ারি ভোরে স্থানীয়রা মরদেহ দেখতে পেয়ে ফরিদগঞ্জ থানা পুলিশকে অবহিত করে। পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে মরদেহ উদ্ধার করে ময়না তদন্ত শেষে পরিবারের কাছে হস্তান্তর করে।

এ ঘটনায় ফরিদগঞ্জ থানার তৎকালীন উপ-পরিদর্শক (এসআই) রহমত আলী বাদী হয়ে মামলা দায়ের করেন। মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা ফরিদগঞ্জ থানার তৎকালীন সময়ের উপ-পরিদর্শক (এসআই) নিজাম উদ্দিন তদন্ত শেষে একই বছরের ১০ মে আদালতে চার্জশীট দাখিল করেন।

সরকার পক্ষের আইনজীবী পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি) অ্যাডঃ মোঃ আমান উল্যা জানান, মামলটি প্রায় ৪ বছর আদালতে চলমান অবস্থায় ১৮ জনের সাক্ষ্যগ্রহণ করে আদালত। সাক্ষ্যপ্রমাণ ও মামলার নথিপত্র পর্যালোচনা শেষে আদালত এই রায় দেন। সরকার পক্ষের সহকারী পাবলিক প্রসিকিউটর (এপিপি) ছিলেন অ্যাডঃ মোক্তার আহমেদ অভি।

 


এই পাতার আরো খবর -
    আজকের পাঠকসংখ্যা
    ৫০৮৯৫৬
    পুরোন সংখ্যা