চাঁদপুর, শনিবার ৪ মে ২০১৯, ২১ বৈশাখ ১৪২৬, ২৭ শাবান ১৪৪০
jibon dip

সর্বশেষ খবর :

  • -
হেরার আলো
বাণী চিরন্তন
আল-হাদিস

৪৯-সূরা হুজুরাত


১৮ আয়াত, ২ রুকু, মাদানী


১৬। বল, 'তোমরা কি তোমাদের দীন সম্পর্কে আল্লাহকে অবহিত করিতেছ? অথচ আল্লাহ জানেন যাহা কিছু আছে আকাশমন্ডলীতে এবং যাহা কিছু আছে পৃথিবীতে। আল্লাহ সর্ববিষয়ে সম্যক অবহিত।


 


 


 


ভালো লোক কখনোই মরে না।


-ক্যালিমাচাস।


 


 


যারা পয়গম্বরদের (নবীদের) কবর পূজা করে, তারা অভিশপ্ত হোক।


 


 


ফটো গ্যালারি
ফণীর তান্ডবে রাজরাজেশ্বরে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি
০৪ মে, ২০১৯ ০৯:৩৯:০২
প্রিন্টঅ-অ+


ফণীর আঘাতে চাঁদপুর সদর উপজেলার রাজরাজেশ্বর ইউনিয়নে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। ঘূর্ণিঝড় ‘ফণী’র প্রভাবে চাঁদপুরে প্রচণ্ড গতির ঝড়ো হাওয়া ও বৃষ্টি হয়েছে। মেঘনা নদীর পূর্বপাড়ে বড় ধরনের ক্ষয়ক্ষতির খবর না পাওয়া গেলেও নদীর পশ্চিমপাড়ে চরাঞ্চলে বেশ কয়েকটি বসত ঘর ও গাছপালা ভেঙে লণ্ডভণ্ড হয়ে গেছে। তবে এ ঘটনার কোনো হাতহতের খবর পাওয়া যায়নি।




 


শুক্রবার দিবাগত রাত ৩টা ৪৫ মিনিটে দিকে সদর উপজেলার রাজরাজেশ্বর ইউনিয়নের শিলারচর, খাসকান্দি, মান্দের বাজার গ্রামে প্রচণ্ড গতির ঝড়ো হাওয়ায় বসতঘরগুলো ভেঙে পড়ে ও গাছপালা তছনছ হয়ে যায়। রাজরাজেশ্বর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান হজরত আলী বেপারি চাঁদপুর পোস্টকে বলেন, শিলারচরসহ কয়েকটি গ্রামে ঘর ভাঙলেও কোনো ধরনের হতাহতের ঘটনা ঘটেনি। কারণ ইউনিয়নের অধিকাংশ বাসিন্দাদেরকে শুক্রবার সন্ধ্যার পূর্বে নিরাপদ আশ্রয়কেন্দ্রে নেওয়া হয়েছে। এদিকে চাঁদপুরে শুক্রবার রাত পৌনে ৩টার দিকে প্রচণ্ড গতিতে ঝড়ো হাওয়া ও বৃষ্টি শুরু হয়। সকাল ৮টা পর্যন্ত বৃষ্টি না হলেও বাতাসের গতি কমেনি। মেঘনা নদী উত্তাল রয়েছে। শুক্রবার বিকেলে চরাঞ্চলের সাড়ে পাঁচ হাজার মানুষ নিরাপদ আশ্রয়কেন্দ্রে কেন্দ্রে রাখা হয়েছে।




জানা যায়, রাজরাজেশ্বর ইউনিয়নে আনুমানিক রাত্র ৩.৪৫মিনিটের সময় শিলারচর. খাসকান্দি. মান্দের বাজার গ্রামে মানুষের ঘর বাড়ী. গাছপালা ব্যাপক ক্ষয় ক্ষতি হয়েছে। ফণীর কারণে নোয়াখালী, লক্ষ্মীপুর, ফেনী, চাঁদপুর এবং নিকটবর্তী দ্বীপ ও চরগুলো ৬ নম্বর বিপদ সংকেতের আওতায় রয়েছে।



ঘূর্ণিঝড়টি শুক্রবার ভারতের ওড়িষা উপকূলে আঘাত হেনে বাংলাদেশের দিকে অগ্রসর হওয়ার সময় থেকে নোয়াখালীসহ উপকূলীয় এলাকায় বৃষ্টি ও ঝড়ো হাওয়া বইছে।



রাজরাজেশ্বর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান হযরত আলী বেপারী জানান, এ ইউনিয়নের কয়েকটি গ্রামের ঘর-বাড়ি, গাছপালা ও গবাদি পশুর ব্যাপক ক্ষতিসাধন হয়েছে।


এই পাতার আরো খবর -
    আজকের পাঠকসংখ্যা
    ৫৯৮৭১৩
    পুরোন সংখ্যা