চাঁদপুর, সোমবার ১৪ অক্টোবর ২০১৯, ২৯ আশ্বিন ১৪২৬, ১৪ সফর ১৪৪১
jibon dip

সর্বশেষ খবর :

  • -
হেরার আলো
বাণী চিরন্তন
আল-হাদিস

৫৬ সূরা-ওয়াকি'আঃ


৯৬ আয়াত, ৩ রুকু, মক্কী


পরম করুণাময় ও অসীম দয়ালু আল্লাহর নামে শুরু করছি।


৮০। ইহা জগৎসমূহের প্রতিপালকের নিকট হইতে অবতীর্ণ।


৮১। তবুও কি তোমরা এই বাণীকে তুচ্ছ গণ্য করিবে?


৮২। এবং তোমরা মিথ্যারোপকেই তোমাদের উপজীব্য করিয়া লইয়াছো!


 


 


 


 


 


হিংসা একটা দরজা বন্ধ করে অন্য দুটো খোলে।


-স্যামুয়েল পালমার।


 


 


নামাজ বেহেশতের চাবি এবং অজু নামাজের চাবি।


 


 


 


ফটো গ্যালারি
গভীর রাতে মেঘনা থাকে বাদশা মাল গংয়ের দখলে ॥ ইলিশ ধরে নদীতে রেখেই বিক্রি করে
চাঁদপুর কণ্ঠ রিপোর্ট ॥
১৪ অক্টোবর, ২০১৯ ০৮:৪৪:৫১
প্রিন্টঅ-অ+

 চাঁদপুর শহরের বড় স্টেশন যমুনা রোড ও টিলা বাড়ি এলাকা যেনো এখন অসাধু জেলেদের অভয়ারণ্য। দিনে তাদের দেখা না গেলেও রাতে তারা মেঘনায় থাকে সরব। একাধিক ইঞ্জিনচালিত নৌকা নিয়ে নদীতে নেমে যায় ইলিশ ধরতে। মেঘনার বিস্তীর্ণ এলাকায় কারেন্ট জাল দিয়ে ইলিশ নিধন যজ্ঞে মেতে ওঠে। ঝাঁকে ঝাঁকে মা ইলিশ ধরে নদীতেই বিক্রি করে ফেলে। রাতে যমুনা রোড ও টিলা বাড়ি এলাকায় মেঘনায় অসাধু জেলেরা এই মা ইলিশ নিধন যজ্ঞে মেতে ওঠে বাদশা মাল ও আব্দুল মাল গংয়ের নেতৃত্বে। এমন অভিযোগ ওইসব এলাকার সচেতন জনগণের। 


ইলিশ সম্পদ রক্ষায় এখন পদ্মা-মেঘনায় ইলিশের অভয়াশ্রম চলছে। ৯ অক্টোবর থেকে ৩০ অক্টোবর পর্যন্ত ২২ দিন নদীতে জাল নিয়ে নামা যাবে না। কিন্তু অসাধু জেলেরা সরকারের এ নিষেধাজ্ঞা মানছে না। তারা প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর চোখ ফাঁকি দিয়ে নদীতে ইলিশ ধরতে নেমে যায়। অবশ্য ধরাও পড়ছে অনেকে। অভিযোগ রয়েছে, আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কিছু অসাধু লোককে ম্যানেজ করে কিছু অসাধু জেলে নদীতে ইলিশ ঠিকই ধরছে। তারা ধরা ছোঁয়ার বাইরে থেকে যাচ্ছে। অভিযোগ রয়েছে, চাঁদপুর পৌরসভার ৭নং ওয়ার্ডের মাদ্রাসা রোডস্থ মৃত মিনা মালের ছেলে বাদশা মাল ও আব্দুল মাল গংয়ের নেতৃত্বে বেশ কিছু অসাধু জেলে যমুনা রোড ও টিলা বাড়ি এলাকা বরাবর মেঘনা নদীতে ইলিশ নিধনে নেমে যায় ইঞ্জিনচালিত নৌকা ও কারেন্ট জাল নিয়ে। তারা রাত ৮টা/৯টার পর নদীতে নেমে পড়ে। সারা রাত নদীতে ইলিশ ধরতে থাকে। তখন ইলিশ কেনার জন্যও পার্টি প্রস্তুত থাকে নদীতে। তাই নদীতেই তারা ইলিশ বিক্রি করে ফেলে। সূত্র জানায়, এক রাতে কয়েক লক্ষ টাকার ইলিশ এভাবেই নদীতে ধরে এবং নদীতে রেখেই বিক্রি করে দেয়। কোনো অভিযানকারী দল যদি এসেই যায়, তখন যেনো তারা পাকড়াও থেকে রক্ষা পেতে পারে সে জন্য তারা নৌকায় ডাবল ইঞ্জিন লাগিয়ে নেয় দ্রুতগতি করার জন্যে। 


সচেতন মানুষ দাবি করেছে, যমুনা রোড ও টিলা বাড়ি এলাকায় প্রতিটি ঘরে অভিযান চালালে বিপুল পরিমাণ কারেন্ট জাল উদ্ধার করা যাবে। আর ওই এলাকায় রাতে যেনো সাঁড়াশি অভিযান চালানো হয়।

এই পাতার আরো খবর -
    আজকের পাঠকসংখ্যা
    ৬০৭৬৭৬
    পুরোন সংখ্যা