চাঁদপুর, শনিবার ১৫ অক্টোবর ২০১৬, ৩০ আশ্বিন ১৪২৩, ১৩ মহরম ১৪৩৮
ckdf

সর্বশেষ খবর :

  • পুরানবাজার ট্রাঙ্কপট্টিতে ভয়াবহ অগ্নিকান্ড, আগুন নিয়ন্ত্রনে কাজ করছে ফায়ার সার্ভিস || পুরানবাজার ট্রাঙ্কপট্টিতে ভয়াবহ অগ্নিকান্ড, আগুন নিয়ন্ত্রনে কাজ করছে ফায়ার সার্ভিস
হেরার আলো
বাণী চিরন্তন
আল-হাদিস

২৫-সূরা শু‘আরা’

২২৭ আয়াত, ১১ রুকু, ‘মক্কী’

পরম করুণাময় ও অসীম দয়ালু  আল্লাহর নামে শুরু করছি।

৫। যখন উহাদের কাছে দয়াময়ের নিকট হইতে কোন নূতন উপদেশ আসে, তখনই উহারা উহা হইতে মুখ ফিরাইয়া লয়।

৬। উহারা তো অস্বীকার করিয়াছে। সুতরাং উহারা যাহা লইয়া ঠাট্টা-বিদ্রুপ করিত তাহার প্রকৃত বার্তা তাহাদের নিকট শীঘ্রই আসিয়া পড়িবে।      

দয়া করে এই অংশটুকু হেফাজত করুন


অন্ধভাবে কাউকে ভালোবেসো না, তার ফল শুভ হবে না।      


-কারলাইন।


যে ব্যক্তি আকণ্ঠ ভোজন করে এবং প্রতিবেশী ক্ষুধায় কষ্ট পাইলেও তাহার কথা ভাবে না, সে কখনই প্রকৃত মুসলমান নয়।  


তিস্তা ইস্যুতে দিল্লিকে চাপ ঢাকার
১৫ অক্টোবর, ২০১৬ ১৩:৫১:২৯
প্রিন্টঅ-অ+


গোয়ায় ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সঙ্গে শেখ হাসিনার আসন্ন দ্বিপাক্ষিক বৈঠকের আগে তিস্তা নিয়ে দিল্লির ওপর প্রবল চাপ সৃষ্টি করছে ঢাকা। কলকাতা থেকে প্রকাশিত আনন্দবাজার পত্রিকা শনিবার এই সংবাদ দিয়েছে। এতে বলা হয়, ভারতের প্রধানমন্ত্রী ও পররাষ্ট্রমন্ত্রীর তিস্তা চুক্তির গুরুত্ব তুলে ধরতে বাংলাদেশের কূটনীতিকরা জোর তৎপরতা শুরু করেছেন। বাংলাদেশের একাধিক মন্ত্রী, বিশেষ করে মৎস্যমন্ত্রী নারায়ণ চন্দ্র চন্দ এ নিয়ে বেশি তৎপর। তিনি বলেছেন, সন্ত্রাসকে পুরোপুরি নির্মূল করতে নরেন্দ্র মোদির ভূমিকাকে যদি শেখ হাসিনা শতভাগ সমর্থন করেন, বিনিময়ে ভারত সরকারেরও উচিত তিস্তা চুক্তিতে স্বাক্ষর করা।



মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় তিস্তা চুক্তি নিয়ে যে আপত্তি করছেন, সে সম্পর্কে ঢাকা ওয়াকিবহাল। বাংলাদেশ সরকার এও জানে যে এখনো মমতা তার অবস্থান বদলাননি। তবে মনমোহন সিংয়ের জমানায় বাংলাদেশ যেভাবে নিজ উদ্যোগে ঢাকা-দিল্লির পাশাপাশি ঢাকা-কলকাতা সম্পর্ক উন্নয়নে তৎপর ছিল, এবার আর সেই অবস্থানে নেই। সে সময়ে সাবেক পররাষ্ট্র বিদেশমন্ত্রী দীপু মনি মমতার সঙ্গেও বৈঠক করেছিলেন। কিন্তু বাংলাদেশ এবার মমতাকে রাজি করানোটা ‘ভারতের অভ্যন্তরীণ বিষয়’— এই যুক্তিতে শেখ হাসিনা পুরো ব্যাপারটাই নরেন্দ্র মোদির হাতে ছেড়ে দিয়েছেন।



ভারতীয় কূটনীতিকরা ইঙ্গিত দিয়েছেন, ১৬ অক্টোবর বৈঠকে নরেন্দ্র মোদি তিস্তার ব্যাপারে শেখ হাসিনাকে ইতিবাচক বার্তাই দেবেন। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের তোলা অভিযোগগুলো দ্রুত মেটাতে চান ভারতীয় প্রধানমন্ত্রী। এ জন্য মোদির সচিব ভাস্কর খুলবেকে মমতার সঙ্গে আলোচনার দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। তিস্তা নিয়ে সিকিমের সঙ্গে পশ্চিমবঙ্গ সরকারের যে বিবাদ চলছে, তাও মেটানোর ব্যবস্থা নিচ্ছে দিল্লি। কয়েকদিন আগেই সিকিমের মুখ্যমন্ত্রী পবন চামলিং দিল্লি গিয়েছিলেন। তিনি ভারতের প্রধানমন্ত্রী, রাষ্ট্রপতি, বিদ্যুৎমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠক করেছেন।



পবন চামলিং কেন্দ্রকে জানিয়েছেন, তিস্তা চুক্তিতে তার কোনো অসুবিধা নেই। কিন্তু তিস্তার পানি নিয়ন্ত্রণের প্রশ্নে সিকিমের কিছু দাবি রয়েছে। জটিলতা দূর করতে দিল্লি চামলিং ও মমতা দুজনের সঙ্গেই আলাদা ভাবে আলোচনার উদ্যোগ নিয়েছে। তিস্তা ইস্যু সমাধানে শেখ হাসিনার সঙ্গে বৈঠকের পর নরেন্দ্র মোদি মমতার সঙ্গে আলোচনা করবেন। ভারতের পররাষ্ট্র সচিব ও অন্য কূটনীতিকদের পাশাপাশি মমতার সঙ্গে মধ্যস্থতায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নিতে পারেন রাষ্ট্রপতি প্রণব মুখোপাধ্যায়ও। অবশ্য তিস্তা ইস্যুতে মমতা এখনো তার অবস্থান বদলাননি। তবে কাশ্মির নিয়ে পাকিস্তানের সঙ্গে ভারতের বর্তমান সংঘাতের কারণে কিছুটা ছাড় দিয়েও তিস্তা চুক্তি করতে আগ্রহী নরেন্দ্র মোদি।



উল্লেখ্য, ২০১৯ সালে বাংলাদেশে সাধারণ নির্বাচন। তার আগেই তিস্তা নিয়ে একটি অন্তর্বর্তীকালীন চুক্তি করতে আগ্রহী নরেন্দ্র মোদি।



সূত্র ঢাকা প্রতিদিন


আজকের পাঠকসংখ্যা
৪৮৭৭৬৫
পুরোন সংখ্যা