চাঁদপুর। সোমবার ১২ মার্চ ২০১৮। ২৮ ফাল্গুন ১৪২৪। ২৩ জমাদিউস সানি ১৪৩৯
ckdf
jibon dip

সর্বশেষ খবর :

  • চাঁদপুরসহ দেশের বেশ কিছু জেলায় আজ ঈদ পালিত হচ্ছে
হেরার আলো
বাণী চিরন্তন
আল-হাদিস

৩৬-সূরা ইয়াসিন

৮৩ আয়াত, ৫ রুকু, মক্কী

পরম করুণাময় ও অসীম দয়ালু  আল্লাহর নামে শুরু করছি।

৩১। তারা কি প্রত্যক্ষ করে না, তাদের পূর্বে আমি কত সম্প্রদায়কে ধ্বংস করেছি যে, তারা তাদের মধ্যে আর ফিরে আসবে না।

৩২। ওদের সবাইকে সমবেত অবস্থায় আমার দরবারে উপস্থিত হতেই হবে।

দয়া করে এই অংশটুকু হেফাজত করুন


সঙ্গ দোষেই মানুষ খারাপ হয়।        


-প্রবাদ।


মানুষ যে সমস্ত পাপ করে আল্লাহতায়ালা তার কতকগুলি মাফ করে থাকেন, কিন্তু যে ব্যক্তি মাতা-পিতার অবাধ্যতাপূর্ণ আচরণ করে, তার পাপ ক্ষমা করেন না।


ফটো গ্যালারি
কাতারে অনুষ্ঠিত আন্তর্জাতিক কোরআন প্রতিযোগিতায় বাংলাদেশী কিশোর চ্যাম্পিয়ন
ইউসুফ পাটোয়ারী লিঙ্কন, কাতার ॥
১২ মার্চ, ২০১৮ ১৩:৫২:২৯
প্রিন্টঅ-অ+


কাতারে অনুষ্ঠিত আন্তর্জাতিক হিফজুল কোরআন প্রতিযোগিতায় বাংলাদেশী কিশোর (অনূর্ধ্ব-১৩) বিশ্ব চ্যাম্পিয়ন হওয়ায় গত ১০ মার্চ সন্ধা সাড়ে ৯টায় দোয়ায় স্থানীয় সালিমার আর্কেড মিলনায়তনে বাংলাদেশ নাগরিক সমাজের পক্ষ থেকে নাগরিক সংবর্ধনার আয়োজন করা হয়েছে।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে সংবর্ধিত অতিথিদের হাতে পুরস্কার তুলেন দেন কাতারে নিযুক্ত বাংলাদেশর মান্যবর রাষ্ট্রদূত আসুদ আহমেদ ই,এম আকাশের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন এম নাছির উদ্দিন চৌধুরী। বক্তব্য রাখেন সাংবাদিক ইউসুফ পাটোয়ারী লিঙ্কন, কাজী শামীম, সফিকুল কাদের, মোহাম্মদ আলী, ইঞ্জিনিয়ার আবু রায়হান, মোঃ আবুল কাসেম, আবুল কাসেম সরকার, হাসিবুর রহমান, বদরুল আলম, মাওলানা তোহা সিদ্দিকী, বারেক চৌধুরী, মুফতি আব্দুল কাইয়ুম মোল্লাসহ আরও অনেকে। প্রতিযোগিতায় ৯১টি দেশের প্রতিযোগীরা অংশ নেয়। এর মাঝে বিশ্ব চ্যাম্পিয়ন হয়েছে শিশু ক্বারী আবু রায়হান শহীদ উল্লাহ্, দ্বিতীয় হয়েছে আবু রায়হান নূরুল ইসলাম এবং তৃতীয় হয়েছে হাফেজ লোকমান শাফি। এরা তিনজনই বাংলাদেশী। এছাড়া ক্বেরাত প্রতিযোগিতায়ও তৃতীয় হয়েছে শিশু ক্বারী মাহমাদুল হাসান এবং ৪র্থ হয়েছে আবু রায়হান শহিদুল্লাহ।

কাতারে এবারই প্রথম বাংলাদেশী শিশু হাফেজগণ ১ম, ২য় এবং ৩য় হয়ে বিশ্ব রেকর্ড করেছে। এছাড়া ক্বেরাতে ৩য় এবং ৪র্থ স্থান লাভ করেছে বাংলাদেশী শিশু ক্বারীগণ।

প্রধান অতিথি বলেন, সবধরনের রেকর্ডই যে কোনো দেশের জন্যে সুখকর। এভাবে বছরের পর বছর বিশ্বব্যাপী অনুষ্ঠিত বিভিন্ন আন্তর্জাতিক হিফজুল কোরআন প্রতিযোগিতায় চ্যাম্পিয়ন হওয়া বাংলাদেশের জন্যে একটি বিরল অর্জনও বটে। এছাড়া ক্বেরাতেও তৃতীয় এবং চতুর্থ হয়েছে বাংলাদেশর শিশু হাফেজ। এই অর্জনের মাধ্যমে বাংলাদেশ যেমন বিশ্বব্যাপী সম্মানীত হয়েছে। তেমনি স্থান করে নিয়েছে বিশ্ব রেকর্ড বুকে। অর্জিত হয়েছে অর্থনৈতিক সমৃদ্ধি। আমার চাই বাংলাদেশী হাফেজদের এমন সফলতার অগ্রযাত্রা অব্যাহত থাকুক। আরও বেশি বেশি সম্মান বয়ে আনুক। উজ্জ্বল করুক দেশের নাম।

 



 


এই পাতার আরো খবর -
    আজকের পাঠকসংখ্যা
    ২২৫২২৭৩
    পুরোন সংখ্যা