চাঁদপুর, মঙ্গলবার ৮ অক্টোবর ২০১৯, ২৩ আশ্বিন ১৪২৬, ৮ সফর ১৪৪১
jibon dip

সর্বশেষ খবর :

  • -
হেরার আলো
বাণী চিরন্তন
আল-হাদিস

৫৭-সূরা হাদীদ


২৯ আয়াত, ৪ রুকু, মাদানী


পরম করুণাময় ও অসীম দয়ালু আল্লাহর নামে শুরু করছি।


 


 


 


০৩। তিনিই আদি, তিনিই অন্ত; তিনিই ব্যক্ত ও তিনিই গুপ্ত এবং তিনি সর্ববিষয়ে সম্যক অবহিত।


৪। তিনিই ছয় দিবসে আকাশম-লী ও পৃথিবী সৃষ্টি করিয়াছেন; অতঃপর 'আরশে সমাসীন হইয়াছেন। তিনি জানেন যাহা কিছু ভূমিতে প্রবেশ করে ও যাহা কিছু উহা হইতে বাহির হয় এবং আকাশ হইতে যাহা কিছু নামে ও আকাশে যাহা কিছু উত্থিত হয়। তোমরা যেখানেই থাক না কেনো_তিনি তোমাদের সঙ্গে আছেন, তোমরা যাহা কিছু করো আল্লাহ তাহা দেখেন।


 


assets/data_files/web

সংশয় যেখানে থাকে সফলতা সেখানে ধীর পদক্ষেপে আসে।


-জন রে।


 


 


যে ব্যক্তি উদর পূর্তি করিয়া আহার করে, বেহেশতের দিকে তাহার জন্য পথ উন্মুক্ত হয় না।


 


যে শিক্ষা গ্রহণ করে তার মৃত্যু নেই।


 


ফটো গ্যালারি
চাঁদপুরের জালাল আহমেদ কাতারে স্থায়ী রেসিডেন্সি অনুমতি পেয়েছেন
কাতার থেকে ইউসুফ পাটোয়ারী লিংকন
০৮ অক্টোবর, ২০১৯ ১৫:১৭:০৭
প্রিন্টঅ-অ+


চাঁদপুরের কৃতী সন্তান জালাল আহমেদ কাতার সরকারে দেয়া (স্থায়ী রেসিডেন্সি পারমিট) স্থায়ী আবাসনের অনুমতি পেয়েছে। স্থায়ী রেসিডেন্সি আবাস থাকার সুবিধাগুলো হল :

এ জাতীয় অনুমতিধারীরা তার অনুমতি স্থগিত বা বাতিল না করে ৬ মাসের বেশি সময় কাতারের বাইরে থাকতে পারেন। অনুমতি প্রাপ্ত ব্যক্তি এবং তাদের পরিবারকে বিনামূল্যে সরকারী ও সরকারী অনুদানযুক্ত স্বাস্থ্যসেবা এবং শিক্ষা প্রদান করা হবে। স্বামী বা স্ত্রী এবং ১৮ বছরের কম বয়সী এবং ২৫ বছরের কম বয়সী শিশুরা যদি অধ্যয়নরত হয় তবে তারা স্থায়ী আবাস হতে পারে। সবচেয়ে আগ্রহের বিষয়, স্থায়ী আবাসনের মালিকরা স্থানীয় কাতারি যৌথ উদ্যোগের অংশীদার ছাড়াই বিভিন্ন অর্থনৈতিক খাতে ব্যবসা নিবন্ধন করতে সক্ষম হবেন। তদুপরি, কাতারি কর্তৃপক্ষ নিশ্চিত করেছে যে এই জাতীয় ব্যক্তিরা রিয়েল এস্টেট এবং অর্থনীতির বিভিন্ন ক্ষেত্রে বিনিয়োগ করতে সক্ষম হবে যা কেবল কাতারি নাগরিকদের জন্য সংরক্ষিত।


 



চাঁদপুর জেলা ফরিদগঞ্জ উপজেলা পৌর এলাকার মিয়াজি বাড়ির সিআইপি জালাল আহমেদ কাতারে গোল্ডেন মার্বেল ইন্ডাষ্ট্রির প্রধান নির্বাহী এবং কাতার সাংবাদিক ফোরেমের প্রধান উপদেষ্টা।

জালাল আহমেদ গত ২৩ বছর ধরে কাতারে ব্যবসায়ী হিসেবে সুনামের সাথে ব্যবসা করে চলছেন। সেখানে তিনি ৪টি মার্বেল পাথরের কারখানা স্থাপন করেন। যেখানে প্রায় সহস্রাধিক বাংলাদেশী কর্মরত রয়েছেন। এছাড়া বাংলাদেশে মঙ্গলায় তাঁর একটি মার্বেল ফ্যাক্টরি রয়েছে। তিনি ফরিদগঞ্জ উপজেলার পৌর এলাকার হাজী আব্দুর রশিদ মিয়াজির বড় ছেলে। তিনি ব্যবসায়ী হিসেবে ইতিমধ্যেই বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক সিআইপি হিসেবে মর্যাদা লাভ করেছেন।

জালাল আহমেদ সর্বদা সাদামাটা জীবন যাপন করেন। গত ২৩ বছর ধরে তিনি কাতারে সুনামের সাথে ব্যবসা করে আসছেন। কাতারে তার প্রতিষ্ঠানের নাম গোল্ডেন মার্বেল। তিনি ব্যবসা করার সাথে সাথে এলাকার লোকজনের জন্য নিবেদিত প্রাণ। নিজস্ব অর্থে তিনি এতিম খানা ও মাদ্রাসা তৈরি করেছেন। সমাজের অসহায় ও দরিদ্র লোকজনের পাশে দাড়াচ্ছেন নিয়মিত। বছরে বিভিন্ন সময়ে দেশে এসে দরিদ্র মানুষের আর্থিক ভাবে সহযোগিতা করে তাদের স্বাবলম্বী করে গড়ে তোলার চেষ্টা এখনো করে যাচ্ছেন।

তারা ৭ ভাই ২ বোন। এর মধ্যে এক বোন মাজেদা বেগম বর্তমান ফরিদগঞ্জ উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান হিসেবে নির্বাচিত হয়েছেন। তিন মেয়ে ও এক ছেলে নিয়ে জালাল আহমেদ স্ত্রীসহ কাতারেই থাকেন। প্রবাসী ব্যবসায়ী হিসেবে তিনি ইতিমধ্যেই কাতার সরকারের সুনজরে
থাকায় তাকে কাতার সরকার এই স্থায়ী রেসিডেন্সি পারমিট স্থায়ী আবাসনের অনুমতি দিয়েছেন। 





 

এই পাতার আরো খবর -
    আজকের পাঠকসংখ্যা
    ৩৩৩০৪৭
    পুরোন সংখ্যা