চাঁদপুর। বুধবার ১১ জানুয়ারি ২০১৭। ২৮ পৌষ ১৪২৩। ১২ রবিউস সানি ১৪৩৮
ckdf

সর্বশেষ খবর :

  • পুরানবাজার ট্রাঙ্কপট্টিতে ভয়াবহ অগ্নিকান্ড, আগুন নিয়ন্ত্রনে কাজ করছে ফায়ার সার্ভিস || পুরানবাজার ট্রাঙ্কপট্টিতে ভয়াবহ অগ্নিকান্ড, আগুন নিয়ন্ত্রনে কাজ করছে ফায়ার সার্ভিস
হেরার আলো
বাণী চিরন্তন
আল-হাদিস

২৬-সূরা শু’আরা


২২৭ আয়াত, ১১ রুকু, ‘মক্কী’


পরম করুণাময় ও অসীম দয়ালু  আল্লাহর নামে শুরু করছি।


 


১৮২। ‘এবং ওজন করিবে সঠিক দাঁড়িপাল্লায়’।


১৮৩। ‘লোকদিগকে তাহাদের প্রাপ্য বস্তু কম দিবে না এবং পৃথিবীতে বিপর্যয় ঘটাইবেন’।


দয়া করে এই অংশটুকু হেফাজত করুন

যারা আত্মপ্রশংসা করে খোদা তাহাদের ঘৃণা করে।                     -সেন্ট ক্লিমেন্ট। 


নারী-পুরুষ যমজ অর্ধাঙ্গিনী।        


আমেরিকান সোসাইটি অব মাইক্রোবায়োলজি পুরস্কার পাচ্ছেন চাঁদপুরের বিজ্ঞানী ড. সমীর কুমার সাহা
শফিকুল ইসলাম
১১ জানুয়ারি, ২০১৭ ০০:০০:০০
প্রিন্টঅ-অ+


 



অণুজীববিজ্ঞানের প্রায়োগিক চিকিৎসার (ক্লিনিক্যাল মাইক্রোবায়োলজি) গবেষণায় গুরুত্বপূর্ণ অবদানের স্বীকৃতি স্বরূপ ২০১৭ সালের আমেরিকান সোসাইটি অব মাইক্রোবায়োলজি (অঝগ) পুরস্কারের জন্য নির্বাচিত হয়েছেন চাঁদপুরের কৃতীসন্তান অণুজীবিজ্ঞানী ড. সমীর কুমার সাহা। বাংলাদেশ তথা বিশ্বের উন্নয়নশীল দেশগুলোর মধ্যে তিনিই প্রথম সম্মানজনক এই পুরস্কারে ভূষিত হলেন। ২০১৭ সালের ১-৫ জুন মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের নিউ অর্লিন্সে অঝগ এর সভায় এই পুরস্কার প্রদান করা হবে। ড. সমীর কুমার সাহা সংস্কৃতি অনুরাগী চন্দ্রকান্ত সাহার বড় ছেলে। তিনি চাঁদপুর সরকারি কলেজের গ্রন্থাগারিক তৃপ্তি সাহার বড় ভাই। ড. সমীর কুমার সাহা চাঁদপুর সরকারি কলেজ থেকে ইন্টারমিডিয়েড পড়েছেন।



 



ড. সাহা ঢাকা শিশু হাসপালের (উঝঐ) অণুজীববিজ্ঞান বিভাগের প্রধান এবং শিশু স্বাস্থ্য গবেষণা সংস্থার নির্বাহী পরিচালক। তিনি সংক্রমক রোগগুলোকে অত্যাধুনিক প্রযুক্তিতে নির্ণয়ের মাধ্যমে উচ্চ শিশু মৃত্যুহার সম্পন্ন উন্নয়নশীল দেশগুলোর সাথে উন্নত বিশ্বের বিদ্যমান দূরত্ব কমিয়ে আনার জন্য নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছেন।



 



ড. সাহা ১৯৮৩ সালে উঝঐ এর রোগবিদ্যা বিভাগের "বারান্দায়" দল গঠন করে তাঁর কার্যক্রম শুরু করেছিলেন। বর্তমানে তিনি বিভিন্ন অণুবিজ্ঞানের প্রায়োগিক চিকিৎসা গবেষণাগারের সাথে গুচ্ছ গবেষণা কার্যক্রম পরিচালনার জন্য একটি সম্পর্ক স্থাপন করেছেন। ১০০ সদস্যের দলটি নিউমোনিয়া, মস্তিষ্ক ঝিল্লীর প্রদাহ, টাইফয়েড এবং নবজাতকের বিষক্রিয়ার মতো আক্রমণকারী শিশুরোগের ওপর নজরদারি পরিচালনাসহ সংক্রামক রোগ বিশেষকরে স্ট্রেপ্টোককাস নিউমোনিয়া, হ্যামোফিলাস ইনফ্লুয়েঞ্জা, স্যালমনেল্যা টাইফি/প্যারাটাইফির মতো জীবাণুদের রোগ ছড়ানোর কৌশল নিয়ে পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে থাকেন। টাইপ বি হ্যামোফিলাস ইনফ্লুয়েঞ্জা এবং স্ট্রেপ্টোককাস নিউমোনিয়ার উপর তাঁদের আবিষ্কার বাংলাদেশে এদের টিকা প্রবর্তনে একটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছে।



 



ড. সাহা বহুজাতি ভিত্তিক প্রকল্প অবঃরড়ষড়মু ড়ভ ঘবড়হধঃধষ ওহভবপঃরড়হ রহ ঝড়ঁঃয অংরধ (অঘওঝঅ)এর প্রধান গবেষক। অঘওঝঅ প্রকল্পটি বর্তমানে দক্ষিণ এশিয়ার দেশ ভারত, পাকিস্তান এবং বাংলাদেশে পরিচালিত হচ্ছে। পিয়ার রিভিউড জার্নালে তাঁর ১৫০ টিরও বেশি প্রবন্ধ প্রকাশিত হয়েছে। এছাড়াও তিনি জন হপকিন্স বিশ্ববিদ্যালয়ের একজন সহযোগী, রপফফৎন এর অতিরিক্ত বিজ্ঞানী, বাংলাদেশ সরকারের টিকাদান নীতি জাতীয় কমিটির সদস্যসহ বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সংস্থার গবেষণামূলক কর্মকা-ের সাথে জড়িত।



 



এটা শুধু ড. সমীর সাহা এবং তাঁর দলের জন্যই গৌরবের বিষয় নয় বরং সমগ্র বাংলাদেশ ও চাঁদপুরের জন্য গৌরবের। (ঈযরষফ ঐবধষঃয জবংবধৎপয ঋড়ঁহফধঃরড়হ অবলম্বনে_



সূত্র : বিজ্ঞান পত্রিকা।



 



 


আজকের পাঠকসংখ্যা
৪৯১৬৫৯
পুরোন সংখ্যা