চাঁদপুর। বুধবার ১১ জানুয়ারি ২০১৭। ২৮ পৌষ ১৪২৩। ১২ রবিউস সানি ১৪৩৮
ckdf

বিজ্ঞাপন দিন

সর্বশেষ খবর :

  • --
হেরার আলো
বাণী চিরন্তন
আল-হাদিস

২৬-সূরা শু’আরা


২২৭ আয়াত, ১১ রুকু, ‘মক্কী’


পরম করুণাময় ও অসীম দয়ালু  আল্লাহর নামে শুরু করছি।


 


১৮২। ‘এবং ওজন করিবে সঠিক দাঁড়িপাল্লায়’।


১৮৩। ‘লোকদিগকে তাহাদের প্রাপ্য বস্তু কম দিবে না এবং পৃথিবীতে বিপর্যয় ঘটাইবেন’।


দয়া করে এই অংশটুকু হেফাজত করুন

যারা আত্মপ্রশংসা করে খোদা তাহাদের ঘৃণা করে।                     -সেন্ট ক্লিমেন্ট। 


নারী-পুরুষ যমজ অর্ধাঙ্গিনী।        


ফটো গ্যালারি
প্রযুক্তিতে আলোচিত ২০১৬
মুহম্মদ খান
১১ জানুয়ারি, ২০১৭ ০০:০০:০০
প্রিন্টঅ-অ+


আইসিটি ফর ডেভেলপমেন্ট অ্যাওয়ার্ড জয় সম্মানের মূল্যায়নে ২০১৬ সালে 'আইসিটি ফর ডেভেলপমেন্ট অ্যাওয়ার্ড' সেরা অর্জন। দেশের তথ্য-প্রযুক্তি খাতকে দ্রুত এগিয়ে নেওয়ার স্বীকৃতিস্বরূপ অ্যাওয়ার্ডটি পান প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও প্রযুক্তি বিষয়ক উপদেষ্টা সজীব ওয়াজেদ।



১৯ সেপ্টেম্বর যুক্তরাষ্ট্রে হলিউড অভিনেতা রবার্ট ডেভির হাত থেকে পুরস্কারটি গ্রহণ করেন তিনি। ওয়ার্ল্ড অর্গানাইজেশন অব গভর্ন্যান্স অ্যান্ড কম্পিটিটিভনেস, প্ল্যান ট্রিফিনিও, গ্লোবাল ফ্যাশন ফর ডেভেলপমেন্ট এবং যুক্তরাষ্ট্রের নিউ হ্যাভেন বিশ্ববিদ্যালয়ের স্কুল অব বিজনেস সম্মিলিতভাবে এই পুরস্কার দেয়।



ডিজিটাল গভর্নমেন্ট অ্যাওয়ার্ড অর্জন



ডিজিটাল বাংলাদেশ বাস্তবায়নে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখায় ২০১৬ সালে সম্মানজনক আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি 'ডিজিটাল গভর্নমেন্ট অ্যাওয়ার্ড' পায় বাংলাদেশ সরকারের তথ্য-প্রযুক্তি বিভাগ। তথ্য-প্রযুক্তিতে এশিয়ার কুলীন সংগঠন এশিয়ান-ওশেনিয়ান কম্পিউটিং ইন্ডাস্ট্রি অর্গানাইজেশনের (অ্যাসোসিও) দেওয়া অ্যাওয়ার্ডটি বছরের অন্যতম সেরা অর্জন।



নভেম্বরে মিয়ানমারে অনুষ্ঠিত অ্যাসোসিও আইসিটি সামিট ২০১৬-তে সংগঠনের সভাপতি বুনরাক সারাগানান্দার হাত থেকে পুরস্কারটি গ্রহণ করেন তথ্য-প্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহেমদ।



বাংলাগভনেট ও ইনফো সরকার-২ প্রকল্পের আওতায় দেশের ৫৮টি মন্ত্রণালয় ও বিভাগ, ২২২টি অধিদপ্তর ও সংস্থাসহ সব জেলা ও উপজেলাকে উচ্চগতির ফাইবার অপটিক কেবল সংযোগের আওতায় আনা, আট শতাধিক ভিডিও কনফারেন্সিং সিস্টেমের মাধ্যমে সরকারি কার্যক্রম দ্রুততর করাসহ তথ্য-প্রযুক্তি বিভাগের বিভিন্ন কার্যক্রম বিবেচনায় এনে এই পুরস্কার দেওয়া হয়।



স্মার্ট বাস চালু



তথ্য-প্রযুক্তিতে নারীদের প্রশিক্ষণ দিতে ১৯ অক্টোবর চালু হয় স্মার্ট বাস। এই বাস একটু অন্য রকম। যাত্রী হতে পারবেন শুধু নারীরা। যে স্টেশন থেকেই উঠুন না কেন, বিনা টিকিটের এ যাত্রায় গন্তব্য একটাইত্মতথ্য-প্রযুক্তির জ্ঞানের শহর। বাসে উঠতে যেতে হবে না দূরে কোথাও। বরং বাসই এসে দাঁড়াবে আপনার চিরচেনা গ্রামে।



শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত এই বাসে আসন তো আছেই, সঙ্গে আছে টেবিলও। ২৫ আসনের সামনের প্রতিটি টেবিলেই আছে একটি নামি ব্র্যান্ডের ল্যাপটপ। তথ্য-প্রযুক্তি প্রশিক্ষণসংক্রান্ত সফটওয়্যার ও প্রশিক্ষণ আয়ত্তের সহজ পাঠ্যসূচি (মডিউল) দেওয়া আছে প্রতিটি ল্যাপটপে।



ইন্টারনেট সংযোগ সুবিধা দিতে পুরো বাসটিকেই করা হয়েছে ওয়াই-ফাই। রয়েছে এলইডি স্ক্রিন ও বাসের এপাশ-ওপাশজুড়ে সাউন্ড সিস্টেম। বাইরের শব্দে যাতে প্রশিক্ষণে ব্যাঘাত না ঘটে সে জন্য বাসটি সাউন্ডপ্রুফ করা হয়েছে।



বিদ্যুতের জন্য আছে জেনারেটর। আরো আছে আধুনিক নিরাপত্তা ও অগি্ননির্বাপণব্যবস্থা, মোশন ডিটেক্টর ও অ্যালার্মিং সিস্টেম এবং জরুরি নির্গমনব্যবস্থা। অডিও-ভিজ্যুয়াল সিস্টেমও আছে এই বাসে।



সরকারের তথ্য-প্রযুক্তি বিভাগ, মোবাইল ফোন অপারেটর রবি এবং চীনের স্বনামধন্য প্রযুক্তিপণ্য নির্মাতা হুয়াওয়ে টেকনোলজিস বাংলাদেশ লিমিটেড যৌথভাবে এই বাস এনেছে। সব মিলিয়ে থাকছে মোট সাতটি বাস। এর মধ্যে তথ্য-প্রযুক্তি বিভাগ তিনটি এবং রবি ও হুয়াওয়ে দুটি করে বাস দিয়েছে। তথ্য-প্রযুক্তি বিভাগের তত্ত্বাবধানে বাসগুলোর রক্ষণাবেক্ষণের দায়িত্ব রবি ও হুয়াওয়ের।



'টেকসই নারী উন্নয়নে আইসিটি' নামের প্রকল্পের আওতায় এই স্মার্ট বাসের মাধ্যমে সুবিধাবঞ্চিত নারীদের তথ্য-প্রযুক্তি ব্যবহারে উদ্বুদ্ধ করাই প্রধান উদ্দেশ্য। প্রাথমিকভাবে প্রকল্পটির মেয়াদ তিন বছর। বাসগুলো নির্দিষ্ট রুটে চলাচল করবে। কার্যক্রম চলবে বছরে ৪০ সপ্তাহ। এতে মোট এক লাখ ৬৬ হাজার নারীকে প্রশিক্ষণ দেওয়া হবে। দেশের সব জেলায় যাবে এই বাস, যাবে একেবারে গ্রামগঞ্জে। স্থানীয় প্রশিক্ষণার্থীর সংখ্যা ও চাহিদার ওপর ভিত্তি করে প্রশিক্ষণ দেওয়া হবে। প্রশিক্ষণ শেষে ওই এলাকার তরুণ শিক্ষার্থীদের মধ্যে তথ্য-প্রযুক্তি সচেতনতা বাড়াতে বাসগুলো নিয়ে রোড শো করা হবে।



যাত্রা শুরু অগমেডিঙ্রে



বাংলাদেশে রোগীর 'হিস্টরি' লেখার কাজটি করেন তাঁর সহকারীরা। কিন্তু যুক্তরাষ্ট্রের মতো উন্নত কোনো দেশে সহকারী রাখাটা ব্যয়বহুল। তাই মার্কিন ডাক্তারদের জন্য বিকল্প পথ খুঁজতে গিয়েই বায়োটেকনোলজির গ্র্যাজুয়েট বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিক ইয়ান এ বছর বের করলেন নতুন এক আইডিয়াত্মঅগমেডিঙ্। প্রতিদিন মার্কিন ডাক্তারদের হাজারো কর্মঘণ্টা বাঁচিয়ে দিচ্ছে তাঁর উদ্ভাবিত এই পদ্ধতি। বাংলাদেশ থেকে পরিচালিত হচ্ছে এর কার্যক্রম।



অগমেডিঙ্ পদ্ধতিতে বাংলাদেশে অবস্থানরত সহকারীর মাধ্যমে রোগীর ইতিহাস লেখার কাজটি করিয়ে নেন একজন মার্কিন চিকিৎসক। ওই চিকিৎসক এবং এখানে কল সেন্টারে কমর্রত একজন অপারেটর গুগল গ্লাস পরেন। চিকিৎসকের সঙ্গে রোগী কথা বলেন, তাঁদের কথোপকথন শুনে লিপিবদ্ধ করেন ডাটা অপারেটর। চিকিৎসক রোগীকে যেসব গাইডলাইন দেন, সেগুলোও তিনি ব্যবস্থাপত্র আকারে লিখে ফেলেন। এসব তথ্য কল সেন্টারের দায়িত্বরত অপারেটর একটি নির্দিষ্ট ডাটাবেইসে ডকুমেন্ট আকারে সেভ করে রাখেন। পরে অগমেডিঙ্ অ্যাপলিকেশনের সাহায্যে যেকোনো সময় রোগী বা চিকিৎসক এটা দেখতে পান। মোটকথা, গুগল গ্লাস ব্যবহার করে অডিওর মাধ্যমে রোগীকে পরামর্শ, ব্যবস্থাপত্রত্মসবই দিতে পারেন একজন চিকিৎসক।



বর্তমানে যুক্তরাষ্ট্রের বড় পাঁচটি স্বাস্থ্যসেবা প্রতিষ্ঠানের কাছ থেকে প্রায় ১৭ মিলিয়ন ডলারের বিনিয়োগ পেয়েছে অগমেডিঙ্। বিশ্বের সর্ববৃহৎ স্টার্টআপ হিসেবেও পুরস্কৃত হয়েছে এটি।



 



সিএমএমআই স্বীকৃতি পেল ডাটাসফট



১৫ জানুয়ারি দেশের প্রথম প্রতিষ্ঠান হিসেবে সিএমএমআই লেভেল ৫ স্বীকৃতি পায় ডাটাসফট। তথ্য-প্রযুক্তিতে বাংলাদেশি কোনো প্রতিষ্ঠানের এটিই সর্বোচ্চ স্বীকৃতি। সফটওয়্যার তৈরিতে বিশ্বমানের পদ্ধতি ব্যবহার, নিত্যনতুন উদ্ভাবন এবং বহুমাত্রিক উপাত্ত বিশ্লেষণের জন্য এই স্বীকৃতি।



তৈরি সফটওয়্যার মূল্যায়নে ক্যাপাবিলিটি ম্যাচিউরিটি মডেল ইন্টিগ্রেশন বা সিএমএমআই আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত একটি মডেল। সফটওয়্যার অ্যাপলিকেশনের মানের ওপর ভিত্তি করে এই স্বীকৃতি দেওয়া হয়। এই স্বীকৃতি প্রতিষ্ঠানের কাজের মান নিশ্চিত করে। এই স্বীকৃতির নিবন্ধন যুক্তরাস্ট্রের পেটেন্ট অ্যান্ড ট্রেডমার্ক অফিসেও গ্রহণযোগ্য। তিনটি বিষয়ের ওপর ভিত্তি করে সিএমএমআই লেভেল স্বীকৃতি দেওয়া হয়। এগুলো হলো পণ্য ও সেবার উন্নয়ন, সেবার স্থায়িত্ব ও ব্যবস্থাপনা এবং পণ্য ও সেবার মান অর্জন।



 



সিএমএমআই আন্তর্জাতিকভাবে গ্রহণযোগ্য একটি স্বীকৃতি। যেকোনো আন্তর্জাতিক সফটওয়্যার পণ্য বা সেবা কেনার প্রক্রিয়ায় সিএমএমআই লেভেল ৫ সফটওয়্যার কম্পানি সবচেয়ে বেশি অগ্রাধিকার পায়। এই লেভেলপ্রাপ্তির মাধ্যমে উত্তর আমেরিকা, ইউরোপ, জাপানসহ সম্ভাবনাময় বাজারে আউটসোর্সিং গন্তব্যস্থল হিসেবে বাংলাদেশি প্রতিষ্ঠানগুলো আস্থা অর্জন করতে পারবে।



 



কনটেন্ট হলো চলমান



স্কুলের বই ডিজিটাল হয়েছিল আগেই। তবে সেগুলো ছিল মূল বইয়েরই পিডিএফ ও ফ্ল্যাশ সংস্করণ। এবার সরকারের উদ্যোগে ব্র্যাক এবং সেভ দ্য চিলড্রেনের কারিগরি সহায়তায় যুক্ত হলো এনিমেশন কনটেন্ট। এসব কনটেন্ট দেখে শিক্ষার্থীরা নিজে নিজেই পাঠ বুঝতে পারবে। প্রাথমিক শ্রেণির বিভিন্ন বিষয়ের পাঠ সহজ করে বোঝাতে তৈরি হয়েছে এই সব ডিজিটাল কনটেন্ট। পাঠ্য বইয়ের আলোকে তৈরি 'ইন্টার-অ্যাকটিভ মাল্টিমিডিয়া ডিজিটাল' সংস্করণ এ বছর ১৪ ফেরুয়ারি উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। 'প্রাথমিক শিক্ষা কনটেন্ট ইন্টার-অ্যাকটিভ মাল্টিমিডিয়া ডিজিটাল ভার্সনে রূপান্তর' শীর্ষক কর্মসূচির আওতায় প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের পাঠ্য বইয়ের পাঠগুলোর ডিজিটাল কনটেন্ট তৈরি করা হয়।



 



পোর্টালটিতে পাঠ্য বইগুলোকে ফ্ল্যাশ আকারে প্রকাশ করা হয়েছে। অর্থাৎ মূল প্রিন্ট বইয়ে যা আছে, পোর্টালে সেই বইটিকেই কম্পিউটার কিংবা ট্যাবে সহজে পড়ার উপযোগী করে তৈরি করা হয়েছিল।



ডিজিটাল কনটেন্টের সাইটটিতে (ফরমরঃধষপড়হঃবহঃ.রপঃফ.মড়া.নফ) পাঠ্য বইয়ের বিভিন্ন বিষয় সহজ করে বোঝাতে এনিমেশন বা চলমান কনটেন্ট ব্যবহার করা হয়েছে। এতে শিক্ষার্থীরা কারো সাহায্য ছাড়াই বাসায় বসেই কঠিন বিষয় সহজ করে বুঝতে পারবে। জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ড (এনসিটিবি) প্রণীত প্রাথমিক শিক্ষাক্রমের (প্রথম থেকে পঞ্চম শ্রেণি) আলোকে বাংলা, ইংরেজি, গণিত, বিজ্ঞান এবং বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয় বিষয়ক (১৭টি বইয়ের) ইন্টার-অ্যাকটিভ মাল্টিমিডিয়া ডিজিটাল শিক্ষা কনটেন্ট তৈরি করা এই কর্মসূচির মূল উদ্দেশ্য।



 



বাংলার অনুমোদন পেল বাংলাদেশ



ইন্টারনেটের নিয়ন্ত্রক সংস্থা ইন্টারনেট করপোরেশন ফর অ্যাসাইন নেমস অ্যান্ড নাম্বার (আইক্যান) তাদের ২০০৯ সালের অক্টোবর মাসের বার্ষিক সভায় বিভিন্ন ভাষায় ওয়েবসাইটের ঠিকানা বা ডোমেইন লেখার অনুমোদন দেয়। বাংলাদেশ ২০১৬ সালের অক্টোবরে এসে বাংলা ভাষার জন্য চূড়ান্ত অনুমোদন পায় .বাংলার। কান্ট্রি কোড টপ-লেভেল ডোমেইন হিসেবে বাংলাদেশের জন্য ডটবাংলা দ্বিতীয়। প্রথমটি বাংলা ভাষার নয়, ইংরেজিতে লেখা বাংলাদেশের নামের সংক্ষিপ্ত রূপ .নফ।



ডিভাইসে এলো বাংলা বই



বিশ্বজুড়ে ৩০ কোটিরও বেশি বাংলাভাষীর জন্য বেঙ্গল পাবলিকেশনেসর উদ্যোগ 'বেঙ্গল ই-বই'। বেঙ্গল ফাউন্ডেশনের অঙ্গপ্রতিষ্ঠান বেঙ্গল পাবলিকেশনেসর উদ্যোগে এবং বস্নুজ কমিউনিকেশনসের সহযোগিতায় এ বছরের ২২ জানুয়ারি তাদের ওয়েবসাইট (িি.িনবহমধষবনড়র.পড়স) ও অ্যাপসের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন হয়।



প্রাথমিকভাবে লেখকদের সঙ্গে দুইভাবে বেঙ্গল ই-বই কর্তৃপক্ষের চুক্তি সম্পাদিত হচ্ছে :



* কোনো বইয়ের ই-স্বত্ব একেবারে কিনে নেওয়া



* বই বিক্রি থেকে প্রাপ্ত রয়্যালটি ভাগাভাগি করে নেওয়া।



চুক্তি সম্পাদনের পর বইয়ের মুদ্রিত সংস্করণ থেকে পুরো বইটি আবার নতুন করে কম্পোজ ও প্রুফের পর মেকআপ করা এবং সব শেষে তা ই-বুক কনভার্সন সফটওয়্যারের মাধ্যমে কনভার্ট করা।



এর সঙ্গে বেঙ্গল ই-বইয়ের সম্পাদনা দলের অধীনে লেখা হয় বই পরিচিতি এবং লেখক পরিচিতি, যা পরে পাঠকদের ওই বই সম্পর্কে ধারণা পেতে সহায়তা করে। সব শেষে তা পাঠকদের জন্য সহজ একটি ওয়েবসাইট ও অ্যাপসে প্রদর্শন করা হয়।



ভারতে খেলে চ্যাম্পিয়ন হলো বাংলাদেশ!



ভারতের বেঙ্গালুরুতে ১৪ নভেম্বর শেষ হয় জনপ্রিয় ভিডিও গেইম টুর্নামেন্ট 'দ্য ইলেকট্রনিক স্পোর্টস লিগ (ইএসএল)'-এর ইন্ডিয়া পর্ব। এতে চ্যাম্পিয়ন হয়েছে বাংলাদেশের গেইমিং দল 'দ্য কাউন্সিল'। ডাটা২ গেইমভিত্তিক প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণ করে দলটি ভারতের ওরাম পো দলকে হারিয়ে চ্যাম্পিয়ন হয়েছে। চ্যাম্পিয়ন হিসেবে পায় ট্রফি ও দেড় লাখ রুপি পুরস্কার।



 



চালু হলো ডিজিটাল ডিশ



'ডিজিটাল' জাদুর ছোঁয়ায় একে একে বদলে যাচ্ছে সব। বাদ থাকল না ড্রয়িংরুমের টেলিভিশনও। ঝকঝকে ছবি দেখানোর প্রতিশ্রুতি দিয়ে ১৯ জানুয়ারি দেশে প্রথমবারের মতো চালু হয় ডিজিটাল টেলিভিশন দেখার ব্যবস্থা। ঢাকার কিছু এলাকায় সেবাটি চালু করে বেঙ্গল ডিজিটাল।



অ্যানালগ টিভিতে ১০৬টির বেশি চ্যানেল দেখা যায় না। এইচডি চ্যানেলগুলোও এই পদ্ধতিতে সম্পূর্ণ কার্যকর নয়। ডিজিটাল কেবল টিভিতে এইচডিসহ অনেক বেশি দেখা যায়। এ পদ্ধতিতে ফাইবার অপটিক কেবল ব্যবহার করে সেট টপ বঙ্ স্থাপন করতে হয়। ডিজিটালের সেবায় বাড়িতে ডিটিএইচের মতো ছোট ডিশ অ্যান্টেনা বসাতে হবে না, আবার অ্যানালগ কেবল টিভি সেবা প্রদানকারী প্রতিষ্ঠানগুলোর ব্যবসায়ও বিঘ্ন ঘটবে না। অ্যানালগ সেবাদানকারীরা তাদের কেবল সংযোগ নেবে। এরপর তারাই কেবল দিয়ে দর্শকদের বাড়িতে সংযোগ দেবে। এই কেবল যুক্ত হবে সেট টপ বঙ্।ে আর সেট টপ বঙ্রে মাধ্যমে টিভি অনুষ্ঠান দেখা যাবে। ঝড়বৃষ্টি কিংবা রাস্তার খননকাজে কেবল কাটা পড়লে বিকল্প ব্যবস্থায় সংযোগ চালু থাকবে। ছবি দেখাসহ যেকোনো ধরনের সমস্যা হলে বেঙ্গল ডিজিটালের কল সেন্টারে অভিযোগ করা হলে দ্রুততম সময়ে সমাধান পাওয়া যাবে।



 



 


আজকের পাঠকসংখ্যা
২৭২৮৭৪
পুরোন সংখ্যা