চাঁদপুর। বুধবার ১৯ এপ্রিল ২০১৭। ৬ বৈশাখ ১৪২৪। ২১ রজব ১৪৩৮
ckdf

সর্বশেষ খবর :

  • ধেয়ে আসছে ঘূর্ণিঝড় মোড়া, চাঁদপুরে ০৭ (সাত) নম্বর বিপদ সংকেত নামিয়ে তার পরিবর্তে ১০ (দশ) নম্বর মহাবিপদ সংকেত  || ধেয়ে আসছে ঘূর্ণিঝড় মোড়া, চাঁদপুরে ৭ নম্বর বিপদ সংকেত
হেরার আলো
বাণী চিরন্তন
আল-হাদিস

২৭-সূরা নাম্ল 


৯৩ আয়াত, ৭ রুকু, ‘মক্কী’


পরম করুণাময় ও অসীম দয়ালু  আল্লাহর নামে শুরু করছি।


 


৯০। যে কেহ অসৎকর্ম লইয়া আসিবে, তাহাকে অধোমুখে নিক্ষেপ করা হইবে অগ্নিতে এবং উহাদিগকে বলা হইবে, ‘তোমরা যাহা করিতে তাহারই প্রতিফল তোমাদিগকে দেওয়া হইতেছে।  


দয়া করে এই অংশটুকু হেফাজত করুন

সুন্দর জিনিস চিরকালের আনন্দ।     -কিটস। 


যে ব্যক্তি কোনো বিদ্বান, বিদ্যার্থীকে সাহায্য করে এবং সে সাহায্য যদি একটা ভাঙ্গা কলম বা একটি কাগজ দ্বারাও হয়, তবে সে কাবাগৃহ সত্তর বার নির্মাণ করে দেয়ার সওয়াব (পুণ্য) লাভ করবে। 


এলসিডি না ওএলইডি টিভি?
১৯ এপ্রিল, ২০১৭ ০০:০০:০০
প্রিন্টঅ-অ+
গত দশকেই যখন কেউ টিভি কিনতে চাইতো, প্রথমেই তার মনে প্রশ্ন আসতো। এলইডি না প্লাজমা টিভি ভালো হবে। এখন প্লাজমা টিভি তার জনপ্রিয়তা হারিয়েছে।

এখন পর্যন্ত টিভির বাজারে এলসিডির চাহিদা সবচেয়ে বেশি। উৎপাদকরা একে এলইডি, এসইউএইচডি টিভি, সুপার ইউএইচডি টিভি নামে ডাকে। এমনকি এক চটকদার করার জন্য কোয়ান্টাম ডট এলইডি টিভিও বলা হয়।

নতুন প্রযুক্তি এসেছে ওএলইডি অর্থাৎ অর্গানিক লাইট এমিটিং ডায়োড ডিসপ্লে প্রযুক্তি। মৌলিকভাবে এলসিডি টিভি থেকে এই প্রযুক্তি ভিন্ন। সবচেয়ে প্রাথমিক বৈসাদৃশ্য হচ্ছে এর প্রতিটি পিক্সেলই ভিন্ন ভিন্নভাবে নিজস্ব আলো বের করে। অন্যদিকে এলসিডি টিভির আলো বের হয় এলইডি ব্যাকলাইট থেকে। এই পার্থক্যই ছবির মান নির্ধারিত করে। এর জন্য কেউ এলসিডি পছন্দ করে কিন্তু বেশি লাভ আছে ওএলইডিতে।

প্রথম ওএলইডি টিভি বাজারে আসে ২০১৩ সালে। এখন শুধুমাত্র এলজি কোম্পানি এই টিভি বিক্রি করে। সনি কোম্পানিও এলজির ওএলইডি টিভি বিক্রি করা শুরু করেছে। এলসিডির তুলনায় এটি আকারে বেশ বড় এবং দাম তুলনামূলকভাবে বেশি।

ছবির মানের ক্ষেত্রে ওএলইডি শীর্ষে। কিন্তু এলসিডি টিভি পিছিয়ে থাকছে না খুব সহজে। অনেক ক্ষেত্রে ওএলইডির সঙ্গে প্রতিযোগিতা করছে এটি। তাহলে কোন টিভি সবচেয়ে ভালো? এ কথা এখন সবার মনে? চলুন জেনে নেই এই দুই টিভি সুবিধা ও সীমাবদ্ধতা।

লাইট আউটপুট (উজ্জ্বলতা) :

দুটি টিভিতেই খুবই উজ্জ্বল ছবি দেখা যায়। এমনকি রোদ বা অন্ধকার ঘরের মধ্যেও এর ছবি দেখা যায়। কিন্তু এলসিডি টিভির সম্পূর্ণ পর্দা বা স্ক্রীন উজ্জ্বল দেখায়। ওএলইডি টিভিতে তা হয় না। এই টিভির সম্পূর্ণ পর্দা এতো উজ্জ্বল দেখায় না। যদিও সেটা চোখে পড়ার মতো নয়। এই দিক থেকে এলসিডি টিভি এগিয়ে রয়েছে।

ব্ল্যাক লেভেল :

উজ্জ্বলতার অপরদিকের বৈশিষ্ট্য হলো ব্ল্যাক লেভেল। অর্থাৎ একটি টিভির পর্দা কতটা কালো হতে পারবে। ওএলইডি টিভির পর্দা এদিক থেকে এগিয়ে। কালো হয়ে যাওয়ার সময় এই টিভি তার সবগুলো পিক্সেল বন্ধ করে দেয়। ফলে টিভিতে গভীর কালো রং ভেসে ওঠে। এলসিডির ক্ষেত্রে যে অংশ কালো করতে হবে সে অংশ অস্পষ্ট করে দেয়। ফলে তা আসলে কালো হয় না। কালো দেখালেও তা মূলত কালো নয়।

কনট্রাস্ট রেশিও :

কনট্রাস্ট রেশিও হচ্ছে সবচেয়ে উজ্জ্বল ও সবচেয়ে কালোর মধ্যে যে পার্থক্য। এটা যত বেশি উচ্চ মানের হবে, ছবির মান তত বেশি ভালো বা বাস্তব মনে হবে। ওএলইডি টিভি যত উজ্জ্বল হতে পারে তত কালো রং ফুটিয়ে তুলতে পারে। তাই কনট্রাস্ট রেশিও এই টিভির সবচেয়ে বেশি ভালো।

রেজোলিউশন :

ওএলইডি ও এলসিডি উভয়ের পর্দা আল্ট্রা এইচিডি ৪কে। দুটি টিভিতে ১০৮০ পিক্সেলের পর্দা আছে। ওএলইডির নতুন টিভির পর্দা ৪কে বা ৪০০০ পিক্সেলে পাওয়া যাচ্ছে।

রিফ্রেশ রেট এবং মোশন ব্লার :

মোশন ব্লার বা স্ক্রিনের কোণও অস্পষ্টতা কমানোর জন্য রিফ্রেশ রেট অত্যন্ত প্রয়োজনীয়। ওএলইডির বর্তমান মডেলে মোশন ব্লার রয়েছে। রিফ্রেশ রেট ১২০ হার্টজ বা প্রতি সেকেন্ডে ১২০ টি ছবি দেখা যায়। অন্যদিকে এলসিডি টিভির কম মূল্যেরটা ৬০ হার্টজ ও ১০৮০ পিক্সেলেরটা ২৪০ হার্টজ রিফ্রেশ রেট। মোশন রেজোলিউশনের জন্য দুই টিভিতেই কালো ফ্রেম দেওয়া আছে।

শক্তি খরচের ক্ষেত্রে :

শক্তি খরচের ক্ষেত্রে ওএলইডি টিভির উজ্জ্বলতা নির্ভর করে। যত বেশি এটি উজ্জ্বল হবে তত বেশি শক্তি খরচ করবে। যদি আপনি কম আলোর চলচ্চিত্র দেখেন তাহলে শক্তি কম খরচ হবে। এলসিডি টিভির ক্ষেত্রে ব্যাকলাইটের সেটিং নির্ভর করে শক্তি খরচের বিষয়ে। যত কম ব্যাকলাইট তত কম শক্তি খরচ হবে। ওএলইডির তুলনায় এলসিডি কম বিদ্যুৎ খরচ করে।

জীবনকাল :

এলজির দাবি যদি ওএলইডি টিভির উজ্জ্বলতা কমানো হয় তবে দশ লাখ ঘণ্টা পর্যন্ত চলবে। এলসিডি টিভিরও সময়কাল এক। যেহেতু ওএলইডি নতুন প্রযুক্তি এবং এর সম্পর্কে কোনো অভিযোগ এখনও পাওয়া যায়নি।

পর্দার আকার :

এলসিডি টিভি ২০ থেকে ১০০ ইঞ্চির মধ্যে পাওয়া যায়। ওএলইডি বর্তমানে তিনটি আকারের পর্দার পাওয়া যায়। ৫৫, ৬৫ ও ৭৭ ইঞ্চি।

মূল্য :

৫০ ইঞ্চি স্যামসাংয়ের এলসিডি টিভির মূল্য নব্বই হাজার টাকা। অন্যদিকে এলজির ৫৫ ইঞ্চি ওএলইডি টিভির মূল্য এক লাখ পঁচাত্তর হাজার টাকা।

সবদিক থেকে কম মূল্যে ভালো টিভি কিনতে চাইলে এলসিডি টিভিই সবচেয়ে সেরা। এলসিডি টিভি দিন দিন কোম্পানিরা উন্নত করছে। ওএলইডির সীমাবদ্ধতা এখনও দূর হয়নি। সূত্র : সিনেট। 

 

আজকের পাঠকসংখ্যা
৮৬৪৮৯
পুরোন সংখ্যা