চাঁদপুর। রোববার ০৯ জুলাই ২০১৭। ২৫ আষাঢ় ১৪২৪। ১৪ শাওয়াল ১৪৩৮

বিজ্ঞাপন দিন

বিজ্ঞাপন দিন

সর্বশেষ খবর :

  • আজ ভোরে অ্যাডঃ এ.বি.এম. মোনাওয়ার উল্লা মৃত্যুবরন করেছেন (ইন্নালিল্লাহে.....রাজেউন)। তাঁর মৃত্যুতে চাঁদপুর রোটারী ক্লাব ও চাঁদপুর ডায়াবেটিক সমিতির পক্ষ থেকে গভীর শোক জানিয়েছেন
হেরার আলো
বাণী চিরন্তন
আল-হাদিস

২৮-সূরা কাসাস 


৮৮ আয়াত, ৯ রুকু, ‘মক্কী’


পরম করুণাময় ও অসীম দয়ালু  আল্লাহর নামে শুরু করছি।


 


৭৮। সে বলিল, ‘এই সম্পদ আমি আমার জ্ঞানবলে প্রাপ্ত হইয়াছি।’  সে কি জানিত না আল্লাহ্ তাহার পূর্বে ধ্বংস করিয়াছেন বহু মানবগোষ্ঠীকে যাহারা তাহা অপেক্ষা শক্তিতে ছিল প্রবল, জনসংখ্যায় ছিল অধিক? অপরাধীদিগকে উহাদের অপরাধ সম্পর্কে প্রশ্ন করা হইবে না।


দয়া করে এই অংশটুকু হেফাজত করুন


 

সংসার আনন্দময় পরিবেশ ভালো কিছু করার প্রেরণা যোগায়।             -জন মেসাভ-।


স্বভাবে নম্রতা অর্জন কর।  


দেশে মোবাইলে ইন্টারনেট ব্যবহার করে ৯৩ ভাগ
০৯ জুলাই, ২০১৭ ০২:৪৭:২৫
প্রিন্টঅ-অ+


বাংলাদেশে সক্রিয় ইন্টারনেট ব্যবহারকারীর সংখ্যা ৭ কোটি ছাড়িয়ে গেছে। গত এপ্রিল মাসের হিসাবে এই মাইলফলক পার করেছে বলে জানিয়েছে টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রক সংস্থা বিটিআরসি। সংস্থাটির হিসাবে ৩১ মে পর্যন্ত দেশে মোট ইন্টারনেট গ্রাহক ৭ কোটি ২০ লাখ এবং মোট মোবাইল ফোন ব্যবহারকারীর সংখ্যা ১৩ কোটি ৫০ লাখ।

এই ৭ কোটি গ্রাহকদের মধ্যে ৯৩.৬৯ শতাংশ গ্রাহক মোবাইলের মাধ্যমে ইন্টারনেট ব্যবহার করে। এছাড়া ৬.১৭ শতাংশ ইন্টারনেট সার্ভিস প্রোভাইডার (আইএসপি) এবং ০.১৪ শতাংশ গ্রাহক ওয়াইম্যাক্স অপারেটরদের গ্রাহক। মোবাইল ফোন অপারেটরদের মধ্যে গ্রামীণফোনের মোট ইন্টারনেট গ্রাহক ২ কোটি ৯৬ লাখ, রবি ও এয়ারটেলের ২ কোটি ১৮ লাখ, বাংলালিংকের ১ কোটি ৫৫ লাখ এবং টেলিটকের ৪ লাখ ৪৮ হাজার। দেশে বিদ্যমান ওয়াইম্যাক্স অপারেটর বাংলালায়নের মোট ইন্টারনেট ব্যবহারকারীর সংখ্যা ৪৫ হাজার ৫৫১ জন এবং ওপর ওয়াইম্যাক্স অপারেটর কিউবির মোট ইন্টারনেট ব্যবহারকারীর সংখ্যা ৩৬ হাজার ৫৫৯ জন। এছাড়া সরকারি প্রতিষ্ঠান বাংলাদেশ টেলিকমিউনিকেশন্স কোম্পানি লিমিটেডের (বিটিসিএল) মোট ইন্টারনেট ব্যবহারকারীর সংখ্যা ২১ হাজার ২১ জন। দেশে ইন্টারনেট ব্যবহারকারীর সংখ্যা দ্রুত বৃদ্ধিকে ইতিবাচক হিসেবে দেখছে দেশের মোবাইল ফোন অপারেটররা। তারা বলছে ইন্টারনেট এখন মানুষের মৌলিক চাহিদা হয়ে উঠেছে এবং ব্যান্ডউইথের মূল্য কমানোর পর থেকে ইন্টারনেট ব্যবহারকারীর গ্রোথও ভালো।

সম্প্রতি দেশের শীর্ষ তিন মোবাইল ফোন অপারেটরের ত্রৈমাসিক আর্থিক প্রতিবেদনেও দেখা গেছে, দেশে ডাটা ইউজেসের পরিমাণ বৃদ্ধি পেয়েছে। তবে অপারেটররা বলছে, ডাটার ব্যবহার বৃদ্ধি পেলেও ইউনিক ইন্টারনেট ব্যবহারকারীর সংখ্যা চোখে পড়ার মতো বৃদ্ধি পাচ্ছে না। দেশে তাদের মোবাইল ফোন ব্যবহারকারীর মধ্যে মাত্র ২০ শতাংশ মানুষ ইন্টারনেট ব্যবহার করছে।

এদিকে বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশনের (বিটিআরসি) চেয়ারম্যান শাহজাহান মাহমুদ বলছেন, বিশ্বের খুব অল্প দেশই আছে এই বিপুল পরিমাণ ইন্টারনেট ব্যবহারকারী রয়েছে। দেশে এখন ইন্টারনেট পেনিট্রেশনের পরিমাণ ৪৪.৪৩ শতাংশ।

প্রসঙ্গত, এর আগে দেশে ৬ কোটি ইন্টারনেট গ্রাহকের মাইলস্টোন পার করে গত বছরের আগস্টে। ৫ কোটি ইন্টারনেট গ্রাহক হয়েছিলো ২০১৫ সালের আগস্টে এবং ৪ কোটি ইন্টারনেট গ্রাহক হয়েছিলো ২০১৪ সালের সেপ্টেম্বরে।

উল্লেখ্য, বিটিআরসি আগে প্রতিমাসে মোবাইল ফোন ও ইন্টারনেট গ্রাহকের পরিসংখ্যা তাদের ওয়েবসাইটে প্রকাশ করলেও সর্বশেষ গত ফেব্রুয়ারির পর আর কোনো নতুন আপডেট প্রকাশ করেনি।

তথ্যসূত্র : টেকশহর।


আজকের পাঠকসংখ্যা
৪৩২৮৫১
পুরোন সংখ্যা