চাঁদপুর। রোববার ০৯ জুলাই ২০১৭। ২৫ আষাঢ় ১৪২৪। ১৪ শাওয়াল ১৪৩৮

বিজ্ঞাপন দিন

বিজ্ঞাপন দিন

সর্বশেষ খবর :

  • আজ ভোরে অ্যাডঃ এ.বি.এম. মোনাওয়ার উল্লা মৃত্যুবরন করেছেন (ইন্নালিল্লাহে.....রাজেউন)। তাঁর মৃত্যুতে চাঁদপুর রোটারী ক্লাব ও চাঁদপুর ডায়াবেটিক সমিতির পক্ষ থেকে গভীর শোক জানিয়েছেন
হেরার আলো
বাণী চিরন্তন
আল-হাদিস

২৮-সূরা কাসাস 


৮৮ আয়াত, ৯ রুকু, ‘মক্কী’


পরম করুণাময় ও অসীম দয়ালু  আল্লাহর নামে শুরু করছি।


 


৭৮। সে বলিল, ‘এই সম্পদ আমি আমার জ্ঞানবলে প্রাপ্ত হইয়াছি।’  সে কি জানিত না আল্লাহ্ তাহার পূর্বে ধ্বংস করিয়াছেন বহু মানবগোষ্ঠীকে যাহারা তাহা অপেক্ষা শক্তিতে ছিল প্রবল, জনসংখ্যায় ছিল অধিক? অপরাধীদিগকে উহাদের অপরাধ সম্পর্কে প্রশ্ন করা হইবে না।


দয়া করে এই অংশটুকু হেফাজত করুন


 

সংসার আনন্দময় পরিবেশ ভালো কিছু করার প্রেরণা যোগায়।             -জন মেসাভ-।


স্বভাবে নম্রতা অর্জন কর।  


দেশের খাদ্য সংগ্রহ ব্যবস্থা ডিজিটালাইজেশন করছে সরকার
০৯ জুলাই, ২০১৭ ০২:৪৮:২৮
প্রিন্টঅ-অ+


দেশের খাদ্য সংগ্রহ ও কৃষকের ভোগান্তি দূর করতে খাদ্য সংগ্রহ ব্যবস্থার ডিজিটালাইজেশন করছে সরকার। যুক্তরাজ্যভিত্তিক আর্নস্ট অ্যান্ড ইয়ংয়ের (ইওয়াই) কারগিরি সহযোগিতায় তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগে বাংলাদেশ কম্পিউটার কাউন্সিলের (বিসিসি) লিভারেজিং আইসিটি ফর গ্রোথ, অ্যামপ্লয়মেন্ট অ্যান্ড গভর্নেন্স (এলআইসটি) প্রকল্প ইতোমধ্যে খাদ্য সংগ্রহ প্রক্রিয়ার ডিজিটাইজেশনের লক্ষ্যে অ্যাপ্লিকেশন সফটওয়্যারের উন্নয়ন করেছে। অচিরেই তা শেরপুরের নালিতাবাড়ি ও নাটোরে পাইলটিং করা হচ্ছে বলে তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগ সূত্রে জানা গেছে। এলআইসিটি উপ-প্রকল্প পরিচালক তারেক বরকতউল্লাহ জানান, উন্নয়নকৃত সফটওয়্যারটির কার্যকারিতা দেখার জন্যে শেরপুরের নালিতাবাড়ি এবং নাটোরে খুব শীঘ্রই খাদ্য সংগ্রহ পদ্ধতির ডিজিটাইজেশনের পাইলটিং হতে যাচ্ছে। তবে তার আগে পাইলটিং কার্যক্রম চালু উপলক্ষে আগামী ৯ জুলাই কৃষি মন্ত্রনালয়, খাদ্য অধিদপ্তর এবং এলআইসিটি প্রকল্পের সমন্বয়ে গঠিত একটি টিম নালিতাবাড়ি সফর করবে। তিনি আরও জানান, খাদ্য সংগ্রহ ব্যবস্থার ডিজিটাইজেশনের লক্ষ্যে উন্নয়নকৃত অ্যাপ্লিকেশন সফট্ওয়্যারটির মাধ্যমে উপজেলাভিত্তিক বরাদ্দকৃত খাদ্যের বিভাজন অনলাইনেই সম্পাদন করা যাবে। এছাড়া কৃষক এবং মিল মালিকদের রেজিস্ট্রেশন ও আবেদন এবং মিল মালিকদের আগ্রহ পত্র (ইওআই) অনলাইনে করা এবং ওয়েবসাইটে তথ্যজানানোসহ স্বয়ংক্রিয়ভাবে মিল মালিক এবং কৃষকের মোবাইলে ধান চালের চাহিদা ও সরবরাহের তারিখ জানিয়ে খুদে বার্তা প্রেরণের ব্যবস্থা থাকছে। তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি সচিব সুবীর কিশোর চৌধুরী বলেন, ‘খাদ্য সংগ্রহ ব্যবস্থার ডিজিটাইজেশন করার ফলে মধ্যস্বত্বভোগীর দৌরাত্ব্য থাকবে না।’ সংশ্লিষ্ট অভিজ্ঞ মহলের মতে, সরকার প্রতি বছর প্রায় ১৫ লক্ষ মেট্রিক টন খাদ্য সংগ্রহ করে। যার মধ্যে ৮ লাখ মেট্রিক টন চাল এবং প্রায় ৭ লক্ষ মেট্রিক টন ধান। খাদ্য সংগ্রহ ব্যবস্থার ডিজিটাইজেশন করা হলে কৃষক এবং মিল মালিকদের কাছ থেকে এই বিপুল পরিমান খাদ্য সংগ্রহের গোটা প্রক্রিয়ায় যেমন স্বচ্ছতা আসবে তেমনি সবচেয়ে বেশি উপকার পাবে কৃষকরা।


আজকের পাঠকসংখ্যা
৪৩৩০৫৪
পুরোন সংখ্যা