চাঁদপুর, বুধবার ২৯ মে ২০১৯, ১৫ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৬, ২৩ রমজান ১৪৪০
jibon dip

সর্বশেষ খবর :

  • -
হেরার আলো
বাণী চিরন্তন
আল-হাদিস

৫০-সূরা কাফ্

৪৫ আয়াত, ৩ রুকু, মক্কী

পরম করুণাময় ও অসীম দয়ালু আল্লাহর নামে শুরু করছি।

১৪। ‘তোমরা তোমাদের শাস্তি আস্বাদন কর, তোমরা এই শাস্তিই ত্বরান্বিত করিতে চাহিয়াছিলে।’

১৫। সেদিন নিশ্চয় মুত্তাকীরা থাকিবে প্রস্রবণ বিশিষ্ট জান্নাতে,


assets/data_files/web

বাণিজ্যই হলো বিভিন্ন জাতির সাম্য সংস্থাপক। -গ্লাডস্টোন।


 


 


ব্যভিচারী হইতে ঈমান দূরে পলায়ন করে, কিন্তু সে ব্যভিচার ত্যাগ করিলেই ঈমান আবার তাহার নিকট প্রত্যাবর্তন করিবে।


ফটো গ্যালারি
ইন্টারনেটে লিখেও করা যায় আয়
মোঃ মাসুদ
২৯ মে, ২০১৯ ০০:০০:০০
প্রিন্টঅ-অ+


ছাত্রছাত্রী, কর্মজীবী বা গৃহিণী, অনেকেই শখের বশে লেখালেখি করতে পছন্দ করেন। কিন্তু লেখার মান ভালো হলে এই শখের কাজ থেকেই আয় করা সম্ভব। তাছাড়া আপনার লেখা প্রিন্ট মাধ্যম বা অনলাইনে প্রকাশিত হলে আপনি সবার কাছ থেকে পাবেন বাড়তি কদর। অফলাইন ও অনলাইন দুইভাবেই কনটেন্ট রাইটিংয়ের মাধ্যমে আয় করা সম্ভব। দেশের বিভিন্ন পত্রিকা ও ম্যাগাজিনের জন্যে আর্টিকেল লিখে অফলাইনে আয় করা যায়। আর অনলাইনে আয় করতে আপওয়ার্ক, ফাইভার, ফ্রিল্যান্সারসহ অন্যান্য অনলাইন মার্কেটপ্লেসে নিবন্ধন করে খুঁজে নিতে হবে নিজের পছন্দের লেখালেখির কাজটি।



 



কনটেন্ট রাইটার হতে হলে কী কী যোগ্যতা লাগে



যে কেউই কনটেন্ট রাইটার হতে পারেন। কনটেন্ট রাইটার হিসেবে কোনো প্রতিষ্ঠানে পূর্ণকালীন চাকরি করতে চাইলে স্নাতক বা স্নাতকোত্তর শিক্ষাগত যোগ্যতা চাওয়া হতে পারে। তবে কন্ট্রিবিউটর হিসেবে বা অনলাইনে কাজ করার ক্ষেত্রে তেমন কোনো ডিগ্রির প্রয়োজন নেই। লেখার ভালো হাত থাকলে যে কোনো ব্যাকগ্রাউন্ড থেকেই ভালো কনটেন্ট রাইটার হওয়া সম্ভব। ভাষাগত দক্ষতা ও বিষয়বস্তু সম্পর্কে জ্ঞান থাকলে যে কেউই স্বাধীন আয়ের উৎস হিসেবে বিভিন্ন কনটেন্ট লিখতে পারেন।



 



কনটেন্ট রাইটিং কী কী ধরনের হতে পারে



বিভিন্ন ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠান তাদের প্রয়োজনে বিভিন্ন কনটেন্ট রাইটিংয়ের কাজ দিয়ে থাকেন। কনটেন্ট রাইটিংয়ের কাজ বিভিন্ন ধরনের হতে পারে। তার মধ্যে কিছু ধরন হলো ওয়েবসাইট কনটেন্ট রাইটিং, বস্নগ রাইটিং, ই-বুক রাইটিং, নিউজ কনটেন্ট রাইটিং, এসইও কনটেন্ট রাইটিং, অ্যাফিলিয়েট কনটেন্ট রাইটিং, পণ্যের রিভিউ লেখা, পণ্যের বর্ণনা লেখা, একাডেমিক কনটেন্ট রাইটিং, সিভি রাইটিং, ট্রান্সক্রিপশন রাইটিং, গবেষণার কাজ, বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের বিজ্ঞাপন ও ব্রশিউর রাইটিং ইত্যাদি। তাছাড়া রি-রাইটিং, প্রুফরিডিং ও এডিটিংয়ের কাজও করা যায়।



 



পেশা হিসেবে কনটেন্ট রাইটিং



কনটেন্ট রাইটিং থেকে প্রতিমাসে কত টাকা আয় করা সম্ভব, তা নির্দিষ্ট করে বলা মুশকিল। দেশের পত্রিকা ও ম্যাগাজিনের জন্যে আর্টিকেল লিখলে প্রতিটি লেখা ছাপা হলে নির্দিষ্ট পরিমাণ সম্মানী পাওয়া যায়। অন্যদিকে বর্তমান সময়ে ডিজিটাল মাধ্যমের উল্লেখযোগ্য প্রসারের কারণে প্রয়োজন পড়ছে অধিক সংখ্যক অনলাইন কনটেন্টের। অনলাইন প্ল্যাটফর্মে কাজ করলে নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে একেকটি কাজ জমা দিয়ে নির্দিষ্ট পরিমাণ ডলার আয় করা সম্ভব। অনলাইনে কাজ করার ক্ষেত্রে শুরুর দিকে উচিত কম পারিশ্রমিকের বিনিময়ে ভালো মানের কাজ প্রদান করে সেবাগ্রহীতার থেকে ভালো মন্তব্য আদায় করে নেয়া। তবে প্রথমেই পূর্ণ পেশা হিসেবে কনটেন্ট রাইটিংয়ের আয়ের ওপর নির্ভর না করে পড়াশোনা বা অন্যান্য কাজের পাশাপাশি লেখালেখির কাজটি চালিয়ে যাওয়া উচিত। অভিজ্ঞতা ও কাজের সংখ্যা বৃদ্ধি পেলে ভালো মানের কাজের বিপরীতে পারিশ্রমিকও বেশি পাওয়া যাবে। তখন কনটেন্ট রাইটিংকে পূর্ণ পেশা হিসেবে নেয়ার কথা ভাবা যেতে পারে।



 



ভালো কনটেন্ট তৈরির উপায়



কাজ পাওয়ার পর প্রথমেই বুঝে নিতে হবে কোন ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের জন্য কী উদ্দেশ্যে আপনি কনটেন্ট তৈরি করছেন। কিছু বিষয় খেয়াল রাখলে আপনি আপনার মেধা দিয়ে ভালো মানের কনটেন্ট তৈরি করতে পারেন।



 



* বিভিন্ন ভালো কনটেন্ট পড়ে একটি সামগ্রিক ধারণা তৈরি করা



* অন্যের কনটেন্ট কপি-পেস্ট না করে স্বতন্ত্র কনটেন্ট তৈরি করা



* বানান, ব্যাকরণ ও বাক্যের গঠনের দিকে খেয়াল রাখা



* নিশ্চিত না হয়ে অনুমানের ভিত্তিতে কোনো তথ্য না দেয়া



* নির্দিষ্ট কোনো তথ্য প্রদানের ক্ষেত্রে তথ্যসূত্র উল্লেখ করা



* অনেক বড় প্যারাগ্রাফ না লিখে একেকটি বিষয়ের জন্য একেকটি ছোট প্যারাগ্রাফ তৈরি করা



* যথাযথ কিওয়ার্ড ব্যবহার করে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য উপস্থাপন করা



* নিয়মিত চর্চা করা



সূত্র : প্রথম আলো।



 


আজকের পাঠকসংখ্যা
৫৯২৯৪১
পুরোন সংখ্যা