চাঁদপুর। শনিবার ১৮ মার্চ ২০১৭। ৪ চৈত্র ১৪২৩। ১৮ জমাদিউস সানি ১৪৩৮
redcricent
jibon dip

সর্বশেষ খবর :

  • -
হেরার আলো
বাণী চিরন্তন
আল-হাদিস

২৭-সূরা নাম্ল 


৯৩ আয়াত, ৭ রুকু, ‘মক্কী’


পরম করুণাময় ও অসীম দয়ালু  আল্লাহর নামে শুরু করছি।


 


৫১। অতএব দেখ, উহাদের চক্রান্তের পরিণাম কী হইয়াছে-আমি অবশ্যই উহাদিগকে ও উহাদের সম্প্রদায়ের সকলকে ধ্বংস করিয়াছি। 


দয়া করে এই অংশটুকু হেফাজত করুন


যে ব্যক্তি সিদ্ধান্ত গ্রহণে নিজস্ব সত্তাকে কাজে লাগায় না সে জীবনে উন্নতি করতে পারে না।   


                        -ডেভিড হিউম।


যে অন্ন হস্ত পরিচালনা দ্বারা উপার্জিত, তদপেক্ষা উৎকৃষ্ট অন্ন আর কেউ ভোজন করতে পারে না।   


 

ফটো গ্যালারি
তনুর সাথে যখন দেখা হলো
সোহানুর রহমান অনন্ত
১৮ মার্চ, ২০১৭ ০০:০০:০০
প্রিন্টঅ-অ+

তনুর সাথে আমার দেখা হয়নি। কেটে গেছে কয়েকটি বছর। কোন খোঁজও নিই নি আমি। অফিসের সুন্দরী কলিগকে বিয়ে করে আমি এখন সংসারি। একটা ছেলে হয়েছে আমার। ফুটফুটে, রাজপুত্র। তবুও যেন আমি সুখী নেই। কেন সুখী নেই তার উত্তরও খুঁজতে যাই না। অতীত টানতে চাই না। আমি তাই তনুকে ভুলে গেছি প্রায়। অথচ তনুকে আমি কত ভালো বাসতাম। এমন সময় একদিন তনুর ছোটবোন লিজার সাথে নিউমার্কেট দেখা হয়ে গেলো। কথায় কথায় তনুর কথা জিজ্ঞেস করতেই, লিজা জানালো, আপা এখন মানসিক রোগী। মানে? মানে আপনার সাথে যেদিন ব্রেকআপ হয়েছে, সেদিনের পর থেকে আপার আচরণ বদলে যায়। কোনো কিছু সহ্য করতে পারে না। দিন দিন আপার অবস্থা খারাপ হতে থাকে। কত ডাক্তার দেখানো হয়েছে কিন্তু কিছুতেই কিছু হয়নি। সারাক্ষণ ঘরে আটকিয়ে রাখতে হয় আপাকে। এই বলে কেঁদে দিলো লিজা। কথাটা শুনে কষ্টে মনটা ভরে উঠলো। মেয়েটিকে এভাবে কষ্ট না দিলেও পারতাম। লিজার সাথে তনুকে দেখতে গেলাম। জানালা শিক ধরে তনু দাঁড়িয়ে ছিল। চোখ দুটো ফুলে আছে, দেখেই বুঝা যাচ্ছিলো অনেক কেঁদেছে। মাথার চুলগুলো এলোমেলো। সেই মায়া ভরা সুন্দর মুখে কালচে রঙ। আমি কাছে গিয়ে বললাম তনু আমাকে চিনতে পেরেছো? প্লিজ ক্ষমা কর আমায়। তনু আমার কথা কিছুই বুঝলো বলে মনে হলো না, শুধু ড্যাব ড্যাব করে আমার দিকে তাকিয়ে রইলো। যার ভালোবাসায় জীবনের একটা অধ্যায় আমার কেটে গেছে। আজ সে কিনা আমারই জন্যে একলা জগতের বাসিন্দা। বন্দি ঘরে বন্দি আমার ভালবাসা, যার জন্য কেবল আমি দায়ী। আমি হাত বাঁড়িয়ে তনুর হাতটা ধরতে যাবো এমন সময় তনু জানালাটা বন্ধ করে দিলো। আমি জানালার পাশে দাঁড়িয়ে কাঁদতে লাগলাম। নিজেকে পৃথিবীর সবচেয়ে জঘন্য ব্যক্তি মনে হচ্ছিলো। ভেতর থেকে তনুর শিশুসুলভ কথা কানে আসছিলো। আয় আয় চাঁদ মামা টিপ দিয়ে যা। তনুর প্রতিটি কথাই যেন আমাকের বুকে আঘাত করছিলো। ভালোবাসাকে কষ্ট দিতে নেই, ভালবাসাকে কষ্ট দিয়ে কেউ সুখী হতে পারে না। তনুর কথাটা আবার মনে পড়ে গেলো। আমার কান্না কোনো ভাবেই থামছে না।

আজকের পাঠকসংখ্যা
১২৫৩৬৩২
পুরোন সংখ্যা