চাঁদপুর। শুক্রবার ১৪ এপ্রিল ২০১৭। ১ বৈশাখ ১৪২৪। ১৬ রজব ১৪৩৮
ckdf

বিজ্ঞাপন দিন

সর্বশেষ খবর :

  • ***
হেরার আলো
বাণী চিরন্তন
আল-হাদিস

২৭-সূরা নাম্ল 


৯৩ আয়াত, ৭ রুকু, ‘মক্কী’


পরম করুণাময় ও অসীম দয়ালু  আল্লাহর নামে শুরু করছি।


 


৮৬। উহারা কি অনুধাবন করে না যে, আমি রাত্রি সৃষ্টি করিয়াছি উহাদের বিশ্রামের জন্য এবং দিবসকে করিয়াছি আলোকপ্রদ? ইহাতে মু’মিন সম্প্রদায়ের জন্য অবশ্যই নিদর্শন রহিয়াছে।  


দয়া করে এই অংশটুকু হেফাজত করুন

আমি দুর্ভাগ্যকে স্বাগত জানাই, কারণ দুর্ভোগের পরই সৌভাগ্য আসে।            -টমাস কিড। 


যে ব্যক্তি (অভাবগ্রস্ত না হয়ে) ভিক্ষা করে, কেয়ামতের দিন তার কপালে একটি প্রকাশ্য ঘা হবে ।  


ফটো গ্যালারি
প্রবাসে বৈশাখ
জাহাঙ্গীর আলম হৃদয়
১৪ এপ্রিল, ২০১৭ ০০:০০:০০
প্রিন্টঅ-অ+

এমন দেশটি কোথাও খুঁজে পাবে নাকো তুমি/সকল দেশের রানী সে যে আমার জন্মভূমি/সে যে আমার জন্মভূমি।' আমার দেশ, আপনার দেশ, সবুজ শ্যামল প্রিয় বাংলাদেশ_গীতিকারের লেখা গান আর শিল্পীর কণ্ঠে খাওয়া এই গানটি মতো চিরসত্য। আর এই গানটির কথা ধরেই বলছি_বাংলাদেশের সাথে পৃথিবীর কোনো দেশের তুলনা হয় না আর হবেও না। আজ দীর্ঘ ১০ বছর ধরে প্রবাসী সাংবাদিক ও সাংস্কৃতিককর্মী হিসেবে কাজ করছি। আর এই কাজ করতে গিয়ে প্রবাসের কৃষ্টি কালচারের সাথে বাংলাদেশের তেমন মিল খুঁজে পাইনি। প্রবাসে উন্মুক্তভাবে চাইলেও আবহমান বাংলার মতো করে পহেলা বৈশাখ বা কোনো দিবসই পালন করা যায় না। বৈশাখী সাজে নতুন রং বে-রংয়ের পোশাক পরে ঘুরে বেড়ানোও যায় না।

প্রবাসে রয়েছে প্রশাসনিক ঝামেলা। সকল কিছু মাথায় রেখে একটি কমিউনিটি সেন্টার ভাড়া করেই পালন করা হয় বৈশাখ। দূর দিগন্ত থেকে মাইকে ভেসে আসে না সেই গানের শব্দ_'মেলাই যাইরে...'। মনের গভীরে বাজে এই গান, আর বাসন্তী শাড়ি পরে ললনাদের দেখা মিলে না। পান্তা, ইলিশ, পেঁয়াজ, কাঁচা মরিচ তেমন খাওয়া হয় না। কেননা স্বাদ থাকলেও কেনার সাধ্য সবার থাকে না। যার ফলে প্রবাসে বৈশাখী খাবারবিহীন বৈশাখ আসে আর যায়। তবুও মনের কিছু ক্লান্তি দূর করতেই উল্লাসে মেতে উঠে প্রবাসী বাংলাদেশীরা। এবারও তার ব্যতিক্রম হচ্ছে না। আসছে পহেলা বৈশাখ (১৪ এপ্রিল) সৌদি আরব রিয়াদ বাংলাদেশ দূতাবাসের সহায়তায়, রিয়াদের সামাজিক সংগঠন শ্যাডো আয়োজন করছে বৈশাখী মেলা। নারী-পুরুষ, শিশু, রাজনৈতিক, সামাজিক, সাংস্কৃতিক ব্যক্তিবর্গ ও সাংবাদিকদের মিলনমেলায় পরিণত হবে এ বৈশাখী মেলা। গভীর রাত পর্যন্ত চলবে এই মেলা, মেলা মঞ্চে দেশীয় সঙ্গীত, নৃত্য, কবিতা, নাটক পরিবেশন করবেন স্থানীয় প্রবাসী শিল্পীরা। সব শেষে থাকে আকর্ষণীয় রাফেল ড্র। আর প্রবাসীদের বছরে অন্তত একটি দিন আনন্দ দিতেই এমন আয়োজন বলে জানিয়েছেন আয়োজকদের পক্ষ থেকে। মেলা প্রাঙ্গণে নানা ধরনের স্টল থাকে। সেখানে দেশীয় খাবার, পোশাক, বই, শিশুদের খেলনাসহ হরেক রকমের জিনিসপত্র পাওয়া যায়।

প্রবাসের মাটিতে যতোই দেশীয় সাজে সজ্জিত হোক না কেন তবুও সবার মাঝে অপূর্ণতা থেকেই যায়। কারণ চিরসবুজ শ্যামল বাংলায় যতোটা আনন্দ ভাগাভাগি করা যায় তা প্রবাসের মাটিতে সম্ভব নয়। তাই একটি কথাই বলবো এবং বলছি-ভাই, আমার দেশ, আপনার দেশ, প্রিয় লাল সবুজের দেশ বাংলাদেশ, পৃথিবীর শ্রেষ্ঠ দেশ। যার রূপের নেইকো শেষ এর-ই নাম বাংলাদেশ।

লেখক : সাংবাদিক ।

আজকের পাঠকসংখ্যা
৫৯৭৭
পুরোন সংখ্যা