চাঁদপুর। শনিবার ১১ নভেম্বর ২০১৭। ২৭ কার্তিক ১৪২৪। ২১ সফর ১৪৩৯
kzai
jibon dip

সর্বশেষ খবর :

  • ফরিদগঞ্জের রুপসা বাজার ব্যবসায়ী কমিটির নির্বাচনকে কেন্দ্র করে হাঙ্গামা, ভোট গণনা স্থগিত || মতলব উত্তর উপজেলার ষাটনল এলাকায় সড়কের পাশ থেকে এক নারীর লাশ উদ্ধার।। ২০১৯ সালে দেশে লোডশেডিং থাকবে না--মেজর অব: রফিকুল ইসলাম বীর উত্তম এমপি।  || মতলব উত্তর উপজেলার ষাটনল এলাকার সড়কের পাশ থেকে এক নারীর লাশ উদ্ধার || মতলব উত্তর উপজেলার ষাটনল এলাকার রাস্তার পাশ থেকে হিন্দু মহিলার লাশ উদ্ধার
হেরার আলো
বাণী চিরন্তন
আল-হাদিস

৩১-সূরা লোকমান


৩৪ আয়াত, ৪ রুকু, ‘মক্কী’


পরম করুণাময় ও অসীম দয়ালু  আল্লাহর নামে শুরু করছি।


 


৩০। এটাই প্রমাণ যে, আল্লাহ্-ই সত্যি এবং আল্লাহ্ ব্যতীত তারা যাদের  পূজা সব মিথ্যা। আল্লাহ্ সর্বোচ্চ, মহান।


৩১। তুমি কি দেখ না যে, আল্লাহর অনুগ্রহে জাহাজ সমুদ্রে চলাচল করে, যাতে তিনি তোমাদেরকে তাঁর নির্দেশনাবলী প্রদর্শন করেন? নিশ্চয়ই এতে প্রত্যেক সহনশীল, কৃতজ্ঞ ব্যক্তির জন্যে নির্দেশন রয়েছে।


দয়া করে এই অংশটুকু হেফাজত করুন


 


চোখ পেটের চেয়ে বড়।


                               -স্কট।

দোলনা থেকে কবর পর্যন্ত জ্ঞান চর্চায় নিজেকে উৎসর্গ করো।


ফটো গ্যালারি
হলদে-হেমন্ত দিনে
শাহমুব জুয়েল
১১ নভেম্বর, ২০১৭ ০০:০০:০০
প্রিন্টঅ-অ+

শশীর পূর্বে উঠে ডাহুক-শালিকের উদাসী রাগ দেঁৗড়ে যায়, মাঠ মাটির শিয়রে

সোনালী হলদে পালক নড়ে ওঠে

শিশিরের মাখনে নুয়ে পড়ে শীষনথ

গোমটে বধূর নথ গায়ের গন্ধ গামছার সুঁতোয়

এঁটে যায় হৃদয়মাঠ থেকে হলদে মাঠের ওধারে।

ক্ষণে যদি শাশুড়ি-ননদ ক্ষেপে গেছে ঝাঁটায়

সে নেই বোল দেবে, আল ধরেছে, হলদে শীষ পাড়ায়। গাল পড়েছে, গাল পড়েছে

আবেগী বিছানায়-

কাঁচুমাচু চেহারায়-

থমথম

উড়ছে শীতল হাওয়ায়। কেউ নেই হলদের অধরায়, ঐদিকে খিঁচে

আলকাঁচির নিমেশে ধূ ধূ মাঠ ঝুঁকে যায়

-হলদে অাঁচল ধূসর হয়ে ওঠে, হলদে মাঠের মাড়ায়।

পুরোনোদের হইহুল্লোড়, পাকামো বুলি আমরাও ছিলাম হলদে নারীর মতো।

বধূ নয় কৃষাণী গো কৃষাণী, ধরো হাতমুঠো ধানঅাঁটি, চাঙ তোলো মাড়াইয়ের ওধারে

থফাস থফাস পা নড়ুক নড়ুক তার বুকে

হুর হুর করে চড়াক হলদে রঙের খাড়ি।

খড়কুটো আর হলদে স্তূপে লেগে থাকা কৃষিশ্রমে

সঞ্চিত হোক শূন্য পারা চুলোঘর এবং গোলাঘর

সুখনিহিত পরান ভরে তাড়াক আধধানি বছর...

হলদে বদন ঘামুক-ঘামুক-ঘামুক হলদে মাঠের শীষে দানায়।

মনিরুজ্জামান বাবলু-এর দুইটি কবিতা

সেই তুমি

(স্মরণে : মাহমুদুল বাসার স্যার)

চলেই তো গেলে

অভিমানে...

কার কি আসে?

তুমিই তো সিংহাসনে।

দশটি বই লিখেছিলে

শত কলাম গেঁথেছিলে

ভোরের শত কাগজের পাতায়।

ওরা মাকড়শার বাসা বেঁধে

দেয়ালে বন্দি আর তুমি নীলিমায়

ছড়ানো চন্দ্রবতী।

হৃদয়ের কুটিরে ভালবেসে ছিলে

শোকে স্তব্দ আজ সবাই মিলে

দেহ যেখানেই হোক না সমাধি

প্রাণ তোমার যাক না উড়ে পরপারে,

স্মৃতির আর্কাইভে রবে_থাকবে তুমি

চিরদিন- চিরঋণী।

ঘড়িপেটা

অচেনা পৃথিবী, অচেনা স্রষ্টা

অজানা কিছু কথা, অজানা ইতিহাস।

যুগ যুগ ধরে জানার শ্রেষ্টা।

অন্ধকার কিংবা আলো

মাস কিংবা বছর।

আজও স্বাক্ষী হয়ে আছে

দেয়ালে ঝুলানো ঘড়িপেটা।

ভালোয় ভালোয় যায় সময়,

আসছে অমানিশা।

তবুও কথায় কথায় বলে-দেখা হবে,

কেউ বলে পরপারে,

কেউ বলে হাশর।

আলো অাঁধারের জীবনপথ

যবনিকাপতন হলে চিৎকার দিয়ে বলে সময়টা,

দেয়ালে টিকটিক করে চলছে সেই ঘড়িপেটা।

আজকের পাঠকসংখ্যা
৩৪৮৭৬
পুরোন সংখ্যা