চাঁদপুর। রোববার ২২ এপ্রিল ২০১৮। ৯ বৈশাখ ১৪২৫। ৫ শাবান ১৪৩৯
redcricent
jibon dip

সর্বশেষ খবর :

  • ফরিদগঞ্জের চান্দ্রার খাড়খাদিয়ায় ট্রাক চাপায় সাইফুল ইসলাম (১২) নামের ৭ম শ্রেনীর শিক্ষার্থী ও সদর উপজেলার দাসাদি এলাকায় পিকআপ ভ্যান চাপায় কৃষক ফেরদৌস খান নিহত,বিল্লাল নামে অপর এক কৃষক আহত হয়েছে।
হেরার আলো
বাণী চিরন্তন
আল-হাদিস

৩৭- সূরা সাফ্ফাত

১৮২ আয়াত, ৫ রুকু, মক্কী

পরম করুণাময় ও অসীম দয়ালু  আল্লাহর নামে শুরু করছি।

৫৪।  আল্লাহ বলবেন, তোমরা কি তাকে উঁকি দিয়ে দেখতে চাও?

৫৫। অপর সে উঁকি দিয়ে দেখবে এবং তাকে জাহান্নামের মাঝখানে দেখতে পাবে।

দয়া করে এই অংশটুকু হেফাজত করুন


পরিশ্রমী লোকের নিকট সবচেয়ে সুখপ্রদ জিনিস হচ্ছে ঘুম।

  -জনবুলিয়ান।


মজুরের গায়ের ঘাম শুকাবার আগে তার মজুরি দিয়ে দাও।


ফটো গ্যালারি
বৈশাখ যেভাবে এলো
আব্দুর রাজ্জাক
২২ এপ্রিল, ২০১৮ ০০:০০:০০
প্রিন্টঅ-অ+


হিন্দু সৌর বছরের প্রথমদিন আসাম, বঙ্গ, কেরল, মণিপুর, নেপাল, উড়িষ্যা, পাঞ্জাব, তামিলনাড়ু ও ত্রিপুরা সংস্কৃতির অংশ হিসেবে অনেক আগে থেকে পালিত হতো বিভিন্ন অনুষ্ঠান। এখন যেমন নববর্ষ নতুন বছরের সূচনার নিমিত্তে পালিত একটি সর্বজনীন উৎসবে পরিণতি হয়েছে, একসময় এমনটি ছিলো না। তখন পহেলা বৈশাখ পালিত হতো আর্তব উৎসব হিসেবে তখন এর মূল তাৎপর্য ছিলো কৃষি কাজ। কারণ প্রযুক্তি প্রয়োগের যুগ শুরু না হওয়া পর্যন্ত কৃষকদের ঋতুর উপরই নির্ভর করতে হতো।



ভারতবর্ষে মুগল সাম্রাজ্য প্রতিষ্ঠার পর সম্রাটরা হিজরি পঞ্জিকার অনুসারে কৃষি পণ্যের খাজনা আদায় করতো। কিন্তু হিজরি সন চাঁদের ওপর নির্ভরশীল হওয়ায় তা কৃষি ফলনের সাথে মিলতো না এতে অসময়ে কৃষকদের খাজনা দিতে বাধ্য করা হতো।



খাজনা আদায়ের সুষ্ঠু প্রণয়নের লক্ষ্যে মুঘল সম্রাট আকবর বাংলা সন প্রর্বতন করেন। তিনি মূলত প্রাচীন বর্ষপঞ্জি সংস্কারের নির্দেশ দেন। সম্রাটের আদেশ মতে তৎকালীন বাংলার বিখ্যাত জ্যোতিবিজ্ঞানী ও চিন্তাবিদ ফতেহউল্লাহ সিরাজী সৌর সন ও আরবি সনের ওপর ভিত্তি করে নতুন বাংলা সন প্রবর্তন করেন। ১৫৮৪ খ্রিস্টাব্দ ১০ মার্চ বা ১১ মার্চ থেকে শুরু হয় বাংলা সন গণনা। তবে এই গণনা পদ্ধতি কার্যকর হয় আকবরের সিংহাসন আরোহণের সময় (৫ই নভেম্বর ১৫৫৬) থেকে। প্রথমে এই সনের নাম ছিলো ফসলি সন, পরে 'বঙ্গাব্দ' বা 'বাংলা নববষ' নামে পরিচিত হয়।



আকবরের সময়কাল থেকে পহেলা বৈশাখ উদ্যাপন শুরু হয় তখন প্রত্যেককে বাংলা চৈত্র মাসের শেষদিনের মধ্যে সকল খাজনা, মাশুল, শুল্ক পরিশোধ করতে হতো। এর পরের দিন অর্থাৎ পহেলা বৈশাখ ভূমির মালিকরা নিজ নিজ অঞ্চলের অধিবাসীদের মিষ্টি দ্বারা আপ্যায়ন করতেন। এ উপলক্ষে বিভিন্ন সামাজিক আচার ও অনুষ্ঠানের আয়োজক করা হতো। হালখাতা, মঙ্গল শোভাযাত্রা, পূজা হত্যাদি। আধুনিক নবর্বষ পালনের খবর পাওয়া ১৯১৭ সালে। প্রথম বিশ্বযুদ্ধে ব্রিটিশদের বিজয় কামনায় হোম কীর্তন ও পূজার ব্যবস্হা করা হয়। এর পর ১৯৩৮ ও ১৯৬৭ সালে অনুরূপ কর্মকা-ের উল্লেখ পাওয়া যায়।



বাংলাদেশে প্রতিবছর ১৪ এপ্রিল সার্বজনীন এ উৎসবটি পালিত হয়। পান্তা-ইলিশ, হালখাতা, মঙ্গল শোভাযাত্রা ও গানে গানে বরণ করে নেয় বাংলাদেশের মানুষ পহেলা বৈশাখকে।



 


আজকের পাঠকসংখ্যা
১১৪৮৪৩২
পুরোন সংখ্যা