চাঁদপুর। শনিবার ৬ অক্টোবর ২০১৮। ২১ আশ্বিন ১৪২৫। ২৫ মহররম ১৪৪০
redcricent
jibon dip

সর্বশেষ খবর :

  • চাঁদপুর সদর উপজেলার ৫ নং রামপুর ইউনিয়নের দেবপুর বড়হুজুরের বাড়িতে ২ শিশুসন্তানসহ একই পরিবারের ৪জন মারা গেছেন। || চাঁদপুর সদর উপজেলার ৫ নং রামপুর ইউনিয়নের দেবপুর বড়হুজুরের বাড়িতে ২ শিশুসন্তানসহ একই পরিবারের ৪জন মারা গেছেন। || চাঁদপুর সদর উপজেলার ৫ নং রামপুর ইউনিয়নের দেবপুর বড়হুজুরের বাড়িতে ২ শিশুসন্তানসহ একই পরিবারের ৪জন মারা গেছেন। || চাঁদপুর সদর উপজেলার ৫ নং রামপুর ইউনিয়নের দেবপুর বড়হুজুরের বাড়িতে ২ শিশুসন্তানসহ একই পরিবারের ৪জন মারা গেছেন।
হেরার আলো
বাণী চিরন্তন
আল-হাদিস

৪২-সূরা শূরা

৫৪ আয়াত, ৫ রুকু, মক্কী

পরম করুণাময় ও অসীম দয়ালু  আল্লাহর নামে শুরু করছি।

২১। তাদের কি এমন কতকগুলো শরীকও আছে যারা তাদের জন্যে দ্বীনের এমন বিধান প্রবর্তন করেছে যার অনুমতি আল্লাহ দেননি? ফায়সালার ঘোষণা না থাকলে তাদের বিষয়ে তো সিদ্ধান্ত হয়েই যেতো। নিশ্চয়ই যালিমদের জন্যে রয়েছে যন্ত্রণাদায়ক শাস্তি।  

দয়া করে এই অংশটুকু হেফাজত করুন

 


মনে মনে সব মানুষই কবি।      


-ইমারস।


মানুষ মিথ্যাবাদী সাব্যস্ত হবার জন্য এটাই যথেষ্ট যে, সে যা শোনে (যাচাই না করে) তাই বলে বেড়ায়।



 


ফটো গ্যালারি
মনে পড়ে প্রিয়তমা
আজিজুর রহমান লিপন
০৬ অক্টোবর, ২০১৮ ০০:০০:০০
প্রিন্টঅ-অ+


তোমার সেই শ্যামল-সরল চাহনি মাঝে-মাঝে খুঁজে ফিরি স্মৃতির আঙ্গিনাজুড়ে। সময়ের অনেক বড় ব্যবধান পনরটি বছর কম সময় নয়। জীবন নামের রণাঙ্গনে প্রতিনিয়তের লড়াইয়ে মাঝে মাঝে থেমে যেতে হয় পরাজয়ের মারমুখী আগ্রাসনে। ক্লান্ত চোখজুড়ে ভাসতে থাকে অবুঝ কৈশোরের সেই স্মৃতিঘেরা দিনগুলো।



শীতের সকালে দু পাশে ধান খেত মাঝখান দিয়ে সরু আইল। সেই আইলের ওপর শিশিরভেজা দুর্বাঘাস মাড়িয়ে আমরা স্কুলে যেতাম ক'জন ছেলে-মেয়ে মিলে সাথে তুমিও থাকতে।



সারাটা দিন পৃথিবীকে উত্তপ্ত করে সূর্যটা যখন ক্লান্ত, তখন আমরা ফিরে আসতাম কথার ফুলঝুড়ি বিনিময় করতে করতে। বিকেল, গোধূলী পেরিয়ে সন্ধ্যা অস্থির খেলায় কাটতো সময়। তোমরা মেয়েরা কাঁনামাছি আর আমরা ছেলেরা খেলতাম গোল্লাছুট, হা-ডু-ডু।



অনেক রাত পর্যন্ত আমাদের গলা ফাটানো পড়ার আওয়াজে গমগম করত সারা বাড়ি। রাত যখন বাড়তো সবাই ঘুমিয়ে গেলে হারিকেনের টিমটিমে আলোর ভরসায় তোমায় চিঠি লিখতাম-টিনএজের কাঁচা আবেগ ঘন প্রেমের চিঠি। সেই চিঠি প্রেরণ করা হতো পরদিন সকালে নির্দিষ্ট দূতের সাহায্যে।



 



মনে পড়ে, সেইদিনগুলোর স্মৃতি, স্কুলের ক্যাম্পাস, কর্দমাক্ত মেঠোপথ, গ্রামের বাজার, শ্যাওলাপড়া পুকুরঘাট আর মনে পড়ে তোমাকে। তোমার সেই চাহনি আমার স্মৃতিপটে আজ আর নেই, বিলীন হয়ে গেছে। কখনোবা দু চোখের পাতায় ভেসে ওঠো বহুদিনের পুরানো ঝাঁপসা সাদা-কালো ছবির মতো।



জীবন নামের রণাঙ্গনে জীবন-জীবিকার লড়াই করতে গিয়ে অনেক মানুষের সাথে মিশেছি, অনেক ঘাত-প্রতিঘাত, উত্থান-পতনের শিকার হয়েছি, অসংখ্য পরিবর্তনের মুখোমুখি হয়েছি, বহু যোগ-বিয়োগ, স্মৃতি-বিস্মৃতির ঘটনা ঘটেছে। কিন্তু প্রিয়তমা তোমায় ভুলতে পারিনি। আজ এতো বছর পরে তোমার স্মৃতি বুকের গভীরে কেমন যেনো চিন্চিনে এক কাতর অনুভূতি জাগায়!



 


আজকের পাঠকসংখ্যা
৮৭২১৫১
পুরোন সংখ্যা