চাঁদপুর। শনিবার ১৫ ডিসেম্বর ২০১৮। ১ পৌষ ১৪২৫। ৭ রবিউস সানি ১৪৪০
redcricent
jibon dip

সর্বশেষ খবর :

  • -
হেরার আলো
বাণী চিরন্তন
আল-হাদিস

৪৪-সূরা দুখান

৫৯ আয়াত, ৩ রুকু, ‘মক্কী

পরম করুণাময় ও অসীম দয়ালু  আল্লাহর নামে শুরু করছি।

৪৭। উহাকে ধর এবং টানিয়া লইয়া যাও জাহান্নামের মধ্যস্থলে,

৪৮। অতঃপর উহার মস্তকের উপর ফুটন্ত পানি ঢালিয়া শাস্তি দাও-

৪৯। এবং বলা হইবে ‘আস্বাদ গ্রহণ কর, তুমি তো ছিলে সম্মানিত, অভিজাত!   ¬





 


আদেশ সবাই দিতে পারে না।

  -শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়।


যে মানুষের প্রতি কৃতজ্ঞ নয়, সে আল্লাহর প্রতি কৃতজ্ঞ নয়।





 


ফটো গ্যালারি
বিজয়ের অনুরণন বাজে
সাইফ বরকতুল্লাহ
১৫ ডিসেম্বর, ২০১৮ ০০:০০:০০
প্রিন্টঅ-অ+


'স্বাধীনতা তুমি বাগানের ঘর কোকিলের গান/বয়েসী বটের ঝিলিমিলি পাতা/যেমন ইচ্ছে লেখা আমার কবিতার খাতা।' সত্যিই ডিসেম্বর এলেই বিজয়ের অনুরণন বাজে হৃদয়ে। কবি শামসুর রাহমানের ওই লাইনগুলোর মতোই অনেক বিজয়ের গল্প, যুদ্ধের সময়ের নিদারুন সব কাহিনি আমরা শুনতে পাই। আজ থেকে প্রায় চার যুগ আগের গল্প। পাকিস্তান নামক এক অশুভ শক্তিকে হারিয়ে বিজয় অর্জিত হয়েছিল।



 



১৯৭১ সাল। পাকিস্তানের বিরুদ্ধে বাঙালির যুদ্ধটা কিন্তু হঠাৎ করেই শুরু হয়নি সে সময়। এই যুদ্ধ ছিল বাঙালির দীর্ঘদিনের রাজনৈতিক আন্দোলন, স্বাধিকার ও স্বায়ত্তশাসন প্রতিষ্ঠার চূড়ান্ত পরিণতি। নয় মাসের রক্তক্ষয়ী মুক্তিযুদ্ধ শেষে ১৬ ডিসেম্বর বাঙালি জাতি তার বহু কাঙ্ক্ষিত স্বাধীনতার স্বপ্নকে বাস্তবে রূপ দিয়েছিল। পাকিস্তানিদের নিপীড়ন ভেঙে বেরিয়ে আসার অমোঘ বাণী ঘোষণা করেছিলেন জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান, এবারের সংগ্রাম মুক্তির সংগ্রাম, এবারের সংগ্রাম আমাদের স্বাধীনতার সংগ্রাম।



আমরা বিজয় অর্জন করেছি। মুক্তিযুদ্ধ পরবর্তী সময়ে অনেকটা পথ অতিক্রম করেছে বাংলাদেশ। গণতন্ত্র, ধর্মনিরপেক্ষতা, সমাজতন্ত্র এবং জাতীয়তাবাদের যে চেতনায় পাকিস্তাানের বিরুদ্ধে সশস্ত্র মুক্তিযুদ্ধে বাংলাদেশ স্বাধীনতা অর্জন করেছিল, স্বাধীন দেশে সে অর্জন নিয়ে এখন আমাদের ভাবতে হয়। স্বাধীনতার জন্য আত্মত্যাগের পেছনে যে স্বপ্ন ও আকাঙ্ক্ষা ছিল, তার কতটা পেলাম আমরা? মুক্তিযুদ্ধের মূল আকাঙ্ক্ষা ছিল স্বাধীন ও গণতান্ত্রিক দেশ। স্বাধীনতা পেয়েছি, কিন্তু মানুষের মাঝে সমতা প্রতিষ্ঠার অঙ্গীকার ছিল স্বাধীনতার চেতনার গুরুত্বপূর্ণ অংশ। এই বিষয়ে কতটুকু সমাজ পরিবর্তন হয়েছে, কতটা অগ্রগতি সাধিত হয়েছে_এ প্রশ্নের উত্তর আমাদের খোঁজার সময় এসেছে।



 



এবারের বিজয় দিবসের কয়েক দিন পরই একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন। এবার নির্বাচনে সব দল অংশ নিচ্ছে। ২০১৪ সালে বিএনপি-জামায়াত যে অবস্থার সৃষ্টি করেছিল তা থেকে বেরিয়ে এবার তারা নির্বাচনে এসেছে। এটা ইতিবাচক খবর। এছাড়া অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচনের জন্য শান্তিপূর্ণ পরিবেশ দরকার। এ ক্ষেত্রে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীগুলোর সক্রিয় সহযোগিতার বিকল্প নেই। সবার চোখ এখন ৩০ ডিসেম্বর। সবাই অপেক্ষা করছেন নির্বাচন যেন সংঘাতময় না হয়। এছাড়া নির্বাচনে যারাই বিজয়ী হোক, তারা যেন ক্ষমতায় গিয়ে জনগণের আশা ও আকাঙ্ক্ষার প্রতিফলন ঘটায়। এটাই এবারের বিজয় দিবসে আমাদের অঙ্গীকার হোক, এই হোক আমাদের শপথ।



 



লেখক : কথাসাহিত্যিক



 


আজকের পাঠকসংখ্যা
পুরোন সংখ্যা