ঢাকা। শনিবার ১২ জানুয়ারি ২০১৯। ২৯ পৌষ ১৪২৫। ৫ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪০
redcricent
jibon dip

সর্বশেষ খবর :

  • ফরিদগঞ্জের মনতলা হাজী বাড়ির মোতাহের হোসেনের ছেলে ফাহিম মাহমুদ (৩) নিজ বাড়ির পুকুরে ডুবে মারা গেছেন। ||  শনিবার সকালে ফাহিমের মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেন হাজীগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের দায়িত্বপ্রাপ্ত চিকিৎসক। || 
হেরার আলো
বাণী চিরন্তন
আল-হাদিস

৪৫-সূরা জাছিয়া :

৩৭ আয়াত, ৪ রুকু, মক্কী

২৮। এবং প্রত্যেক সম্প্রদায়কে দেখিবে ভয়ে নতজানু, প্রত্যেক সম্প্রদায়কে তাহার আমলনামার প্রতি আহ্বান করা হইবে ও বলা হইবে, আজ তোমাদিগকে তাহারই প্রতিফল দেওয়া হইবে যাহা তোমরা করিতে।

 


assets/data_files/web

সৌভাগ্যবান হওয়ার চেয়ে জ্ঞানী হওয়া ভালো।        


-ডাবলিউ জি বেনহাম।


স্বভাবে নম্রতা অর্জন কর।



 


ফটো গ্যালারি
জ্যোৎস্না রাতের ক্ষণ
সাদিয়া আফরোজ নাবিলা
১২ জানুয়ারি, ২০১৯ ০০:০০:০০
প্রিন্টঅ-অ+


এতো সকালে ফোনের রিংটোনে ঘুম ভাঙ্গতেই খানিকটা বিরক্ত হলাম। আম্মুকে বললাম, নম্বরটা অপরিচিত। তুমি রিসিভ করো। এই বলে আবার চোখের পাতা বন্ধ করতেই আম্মু বললেন, আদিলের ফোন। তোর সাথে কথা বলতে চায়। মেজাজ খারাপ হয়ে গেলো মুহূর্তেই। কোনো মতে হ্যালো বলতেই বললাম, এতো ভোরে কল দিয়েছিস্ যে? কার নম্বর এটা?



-সিয়ামের নম্বর। আপু, আমি আর সিয়াম মিলে ব্যাডমিন্টন কোর্ট করি বাসার পেছন দিকটায়? প্লিজ, না করো না! ওর এমন প্রশ্নের কী উত্তর দিবো ভাবতে ভাবতে ও আবারো একই প্রশ্ন করলো।



আপু, প্লিজ বানাই? তুমি আম্মুকে রাজি করাও।



-আচ্ছা ঠিক আছে, কর্। আমরা তো রওনা দিবো আর কিছুক্ষণ পরই।



-আচ্ছা আপু, আসো। এরপর রেখে দিলাম ফোন।



একবার ঘুম ভেঙ্গে গেলে পুনরায় তাকে ফিরিয়ে আনা খুবই কষ্টসাধ্য। তাই আর চেষ্টা না করে মুখ ধুয়ে ফ্রেশ হয়ে নিলাম। ফারহান আর পিয়াল ভাইয়া তখনো ঘুমোচ্ছে। ওদের জাগিয়ে আর কী লাভ? তবুও কিছুক্ষণ ধরে ডাকলাম যেনো বলে আসতে পারি। সারাশব্দ না পেয়ে ঝটপট সকলে রেডি হয়ে নিলাম চাঁদপুর ফেরার উদ্দেশ্যে। ডাক্তার দেখানোর জন্যই মূলত ঢাকায় আসা। চোখ দুটো ইদানীং বেশ ভোগাচ্ছে। তাই, ঢাকায় না এসে আর পারা গেলো না। ধানমন্ডি থেকে সদরঘাট পেঁৗছে দেয়ার উদ্দেশ্যে জেঠুও আমাদের সাথে যাচ্ছিলেন সিএনজিতে। বাহদুর শাহ পার্কের কাছে আসতেই হঠাৎ এক ট্রাফিক পুলিশ হাত ইশারায় থামালেন আমাদের সিএনজিটা। জেঠুকে জিজ্ঞাসা করলেন, কোথায় নামবেন?



-সদরঘাটে।



-ভাড়া কত?



-তিনশ'।



উত্তর শুনে পুলিশটি ড্রাইভারকে বললেন,



-বেরিয়ে আসুন। লাইসেন্স দেখান। লোকটি লাইসেন্স দেখাতে দেখাতে পুলিশের সঙ্গে চলে গেলো দৃষ্টির অন্তরালে। খানিক বাদেই ফিরে এসে জেঠুকে বলতে লাগলেন,



-আপনেরে কত করে বললাম, ভাড়াটা বইলেন না। জানতে চাইলে বলবেন, মিটারে যা আসে তাই। আর আপনে? ভাগ্যিস্ পুলিশটা খারাপ পড়ে নাই, নইলে বারোশ'র আগে ছাড়তো না আমারে।



-ভাড়া যা তাই তো বললাম। মিথ্যা কেন বলবো? আপনার থেকে কত নিলো?



লোকটা নিচু স্বরে বললো,



-সাতশ'।



 



দুই.



আজ জ্যোৎস্না রাত। ভরা জ্যোৎস্নায় থৈ থৈ করছে সমগ্র আকাশ। কুয়াশারা ধোঁয়ার মতো ওড়াউড়ি করছে সর্বত্র। শীত যেনো জেঁকে বসেছে আজ। এমন এক সময়ে এসব কথা ভাবলে চলে? জীবনকে সাতশ' বা বারোশ'র জালে বেঁধে রেখে কী লাভ? জীবন তো কেবলই আনন্দের। নিজের মতো করে উপভোগ করার। যেখানে ঠাঁই হবে না কোনো কলংকের।



হঠাৎ শুনতে পেলাম আদিলের কণ্ঠ, এ ঠা-ায় তুমি এভাবে বসে আছো যে আপু? এই নাও চাদর।



 


আজকের পাঠকসংখ্যা
৯২০৫০৪
পুরোন সংখ্যা