ঢাকা। শনিবার ১২ জানুয়ারি ২০১৯। ২৯ পৌষ ১৪২৫। ৫ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪০
redcricent
jibon dip

সর্বশেষ খবর :

  • ফরিদগঞ্জের মনতলা হাজী বাড়ির মোতাহের হোসেনের ছেলে ফাহিম মাহমুদ (৩) নিজ বাড়ির পুকুরে ডুবে মারা গেছেন। ||  শনিবার সকালে ফাহিমের মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেন হাজীগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের দায়িত্বপ্রাপ্ত চিকিৎসক। || 
হেরার আলো
বাণী চিরন্তন
আল-হাদিস

৪৫-সূরা জাছিয়া :

৩৭ আয়াত, ৪ রুকু, মক্কী

২৮। এবং প্রত্যেক সম্প্রদায়কে দেখিবে ভয়ে নতজানু, প্রত্যেক সম্প্রদায়কে তাহার আমলনামার প্রতি আহ্বান করা হইবে ও বলা হইবে, আজ তোমাদিগকে তাহারই প্রতিফল দেওয়া হইবে যাহা তোমরা করিতে।

 


assets/data_files/web

সৌভাগ্যবান হওয়ার চেয়ে জ্ঞানী হওয়া ভালো।        


-ডাবলিউ জি বেনহাম।


স্বভাবে নম্রতা অর্জন কর।



 


ফটো গ্যালারি
রহস্যময়ী
শামীম ফরহাদ
১২ জানুয়ারি, ২০১৯ ০০:০০:০০
প্রিন্টঅ-অ+

মেয়েটার সাথে রাস্তায় দেখা। হঠাৎই দেখা। এর আগে আর কখনো দেখিনি। কিন্তু কিছু একটা ওর মধ্যে ছিলো। আমি তার মুগ্ধতা এড়াতে পারিনি। কোনো কিছু না ভেবেই তার কাছে গেলাম।

বললাম, এই মেয়ে! চলো একটু হাঁটি। আমার কথা শুনে মেয়েটা চমকে উঠলো। সে তো চমকে উঠবেই। আমাকে সে কখনো দেখিনি। অজানা একজন হুট করে বলবে, চলো একটু হাঁটি! বিস্ময় তো লাগবেই। কিন্তু আমার মনে হলো, মেয়েটির চেয়ে বেশি চমকে উঠলাম আমি। এতো সাহস আমি পেলাম কোথায়_ভেবে নিজেই অবাক হই। আমিই এসব বললাম? এসব যখন ভাবছি তখন মেয়েটি পিটপিট করে আমাকে দেখ্ছিলো। আমি নিজের অজান্তে আবার তাড়া দিলাম, চলো হাঁটি! কী মনে করে মেয়েটি হাসলো। বললো, পাগল!

সে চলে গেলো। কিন্তু মনটা যে নিয়ে গেলো! ওই পথে যেতে মেয়েটাকে প্রায়ই খুঁজতাম। নাম পর্যন্ত জানি না। কীভাবে খুঁজে পাবো। সেদিন ছুটির দিন। কিছু কেনাকাটা করবো। শপিং মলে গিয়ে ভাবলাম, কফি খেয়ে নিই। কফি মাত্র চুমুক দিলাম। এমন সময়ই কফির কাপ ধরে কে যেনো টান দিলো। তাকিয়ে দেখি, সেই মেয়েটা।

কপট রাগ করে বললো, আমাকে রেখেই কফি খাওয়া হচ্ছে? আমি ততোক্ষণে বসা থেকে উঠে দাঁড়িয়েছি। 'না মানে...বসো বসো...কফি খাও' বলার আগেই সে বসে পড়লো। কফি এলো। ততোক্ষণে আমার কফি ঠান্ডা হয়ে গেছে। তার নামটা জিজ্ঞেস করবো? জিজ্ঞেস করেই ফেলি! প্রশ্ন শুনে সে হাসে। নাম অজানা। মানে নাম জানা নেই। আপনার ইচ্ছেমতো ডাকবেন একটা। আমি প্রতিত্তোরে কী বলবো বসে বসে ভাবি। সে হাসিমুখে কফিসে ঠোঁট ভেজায়। আমাকে দেখে আড়চোখে।

কফির কাপ শূন্য হয়। সে বলে, আসি তাহলে। কিছু কেনাকাটা আছে। আমি বলি, আমিও আসি। মেয়েটা ভ্রু কুঁচকায়। কিছুক্ষণ কি সব ভাবে। তারপর বলে, নাহ! আসার দরকার নেই। সে উঠে দাঁড়ায়। বলে, ভালো থাকুন। দেখা হবে। আমি চোখে দুঃখ মেখে বলি, কীভাবে দেখা হবে? নাম বললে না, ঠিকানা জানি না। মোবাইল নম্বরও দিলে না। অন্তত ফেসবুক আইডিটা বলো।

সে কথা শেষ হওয়ার অপেক্ষা করে না। হাঁটতে শুরু করে। কিছুটা হেঁটে একবার পেছনে ফেরে। 'কিছু রহস্য থাকুক। এভাবেই একদিন আবার দেখা হয়ে যাবে হয়তো। হয়তো দেখা হবে না। কিছু রহস্য থাকুক।' বলেই দোকান থেকে বেরিয়ে শপিংমলের ভিড়ের মধ্যে হারিয়ে গেলো।

আমি ঠা-া কফিতে চুমুক দিচ্ছি। ভাবছি, মেয়েটা কি কবি? আবার দেখা হলে সে কবি কিনা জানতে চাইবো_নিজেকেই নিজে বলি।

আজকের পাঠকসংখ্যা
৮১৮৮৪৯
পুরোন সংখ্যা