চাঁদপুর, শনিবার ২৯ ফেব্রুয়ারি ২০২০, ১৬ ফাল্গুন ১৪২৬, ৪ রজব ১৪৪১
jibon dip

সর্বশেষ খবর :

  • চাঁদপুরে হোম কোয়ারেন্টাইনে ২৪২ জন, আইসোলেশনে থাকার রোগী করোনা আক্রান্ত কিনা জানা যাবে আজ রাতে
হেরার আলো
বাণী চিরন্তন
আল-হাদিস

৬৫-সূরা তালাক


১২ আয়াত, ২ রুকু, মাদানী


পরম করুণাময় ও অসীম দয়ালু আল্লাহর নামে শুরু করছি।


 


২। উহাদের 'ইদ্দাত পূরণের কাল আসন্ন হইলে তোমরা হয় যথাবিধি উহাদিগকে রাখিয়া দিবে, না হয় উহাদিগকে যথাবিধি পরিত্যাগ করিবে এবং তোমাদের মধ্য হইতে দুইজন ন্যায়পরায়ণ লোককে সাক্ষী রাখিবে; আর তোমরা আল্লাহর জন্য সঠিক সাক্ষ্য দিবে। ইহা দ্বারা তোমাদের মধ্যে যে কেহ আল্লাহ ও আখিরাতে বিশ্বাস করে তাহাকে উপদেশ দেওয়া হইতেছে। যে কেহ আল্লাহকে ভয় করে আল্লাহ তাহার পথ করিয়া দিবেন।


 


 


 


ঘুম পরিশ্রমী মানুষকে সৌন্দর্য প্রদান করে।


-টমাস ডেককার।


 


 


 


 


নামাজ হৃদয়ের জ্যোতি, সদ্কা (বদান্যতা) উহার আলো এবং সবুর উহার উজ্জ্বলতা।


 


 


ফটো গ্যালারি
একুশে ফেব্রুয়ারির কিছু কথা
আবদুল বাতেন
২৯ ফেব্রুয়ারি, ২০২০ ০০:০০:০০
প্রিন্টঅ-অ+


ভাষা আন্দোলন কেবল আমাদের মুখের ভাষার অধিকার প্রতিষ্ঠা করেনি, দিয়েছে বাঙালির জাতিসত্তার জাগরণের প্রথম অনুপ্রেরণা, দেশপ্রেম, সাহস, আবেগ ও দৃঢ় প্রতিজ্ঞা গ্রহণের উজ্জীবিত হাতিয়ার। পৃথিবীর ইতিহাসে একমাত্র বাঙালি জাতি ভাষার জন্যে যুদ্ধ করে ভাষার অধিকার প্রতিষ্ঠা করেছে। সেই গর্বিত ইতিহাস হঠাৎ করে তৈরি হয়নি। আজকের বাঙালির ইতিহাস হাজার বছরের পুরানো। সেই পু-ু, রাঢ়, গৌড়, নিষাদ, অস্ট্রিক, দ্রাবিড়, আর্য, মৌর্য, গুপ্ত, পাল, সেন, সুলতান, শাহী, মোঘল, সম্রাট, নবাব, পলাশী, ব্রিটিশ, দ্বি-জাতি তত্ত্ব হয়ে আজকের বাঙালি। প্রতিটি রক্তক্ষয়ী ঘটনাপ্রবাহ বাঙালির অধিকার আদায়ের আন্দোলন-সংগ্রাম। ভাষা আন্দোলন সেই ধারার একটি।



 



ঐতিহ্যগতভাবে পাকিস্তানে মুসলমানদের বসবাস। উর্দু একটি ইন্দো আর্য ভাষা। এ ভাষায় ফার্সি, আরবি এবং তুর্কির ঘনিষ্ঠ প্রভাব বিস্তার করেছে। দিল্লীর সুলতান ও মুঘল সাম্রাজ্য সময় দক্ষিণ এশিয়ায় পারসিক আরবিলিপির কারণে উর্দুকে ভারতীয় মুসলমানদের ইসলামী সংস্কৃতিতে গুরুত্বপূর্ণ অংশ হিসেবে বিবেচিত ছিলো এবং হিন্দিকে হিন্দু ধর্মের উপাদান হিসেবে বিবেচনা করা হতো। এ কারণে মুসলমানদের রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব, ধর্মীও নেতাদের মধ্যে খাজা সলিমুল্লাহ, স্যার সৈয়দ আহমদ খান, নবাব ওয়াকার-উল-মুলক মৌলভী প্রমুখদের চেষ্টায় ভারতের মুসলমানদের উর্দু ভাষার লিঙ্গুয়া ফ্রস্কার উন্নত হয়। অপরদিকে পূর্বাঞ্চলীয় বাংলা নবজাগরণের সময় বেশির ভাগ মুসলিম মনীষী বাংলাভাষায় সাহিত্য, সংস্কৃতিচর্চা শুরু করে, ফলে পূর্বাঞ্চলের মুসলমানদের মধ্যে বাংলা জনপ্রিয় হয়ে উঠে।



 



দেশভাগের বহু আগ থেকেই হিন্দু-মুসলমানদের মধ্যে ভাষাগত অমিল ছিলো। ১৯০৬ সালে নিখিল ভারত মুসলিম লীগ প্রতিষ্ঠা সময় ভাষা প্রসঙ্গটি আলোচনা করা হয়। ব্রিটিশবিরোধী আন্দোলনকে সে সময় প্রাধান্য দেয়া হয় বেশি, ফলে ভাষা বিষয়টি চাপা পরে যায়। ১৯১১ সালে বঙ্গভঙ্গ রদ হলে রংপুরে প্রাদেশিক শিক্ষা সম্মেলনে সৈয়দ নওয়াব আলী বাংলাকে ভারতের অন্যতম ভাষা হিসেবে জাতীয় পর্যায়ে স্বীকৃতি দেয়ার দাবি জানায়। ১৯১৮ সালে ডক্টর মুহম্মদ শহীদুল্লাহ বিশ্বভারতীয় সম্মেলনে বাংলাকে ভারতের সাধারণ ভাষা করার দাবি তোলে। ১৯৩৭ সালে বঙ্গীয় সাহিত্য পরিষদে মৌলানা আকরাম খাঁ বাংলাকে ভারতের রাষ্ট্রভাষা করার দাবি তোলে। একই বছর ১৭ মে আলীগড় বিশ্ববিদ্যালয়ে পাকিস্তানের রাষ্ট্রভাষা উর্দু করার প্রস্তার করলে ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহ তার বিরোধিতা করে। ১৯৪৩ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে এসএম হলে প্রথম বাংলাসাহিত্য সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। ১৯৪৭ সালে ২৯ জুলাই দৈনিক আজাদ পত্রিকায় ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহ 'পাকিস্তানের ভাষা সমস্যা' শিরোনামে জ্ঞানগর্ভ নিবন্ধ প্রকাশ করে। ১৯৪৭ সালে দ্বি-জাতি তত্ত্বের ভিত্তিতে দেশভাগ হওয়ার পর ১৫ সেপ্টেম্বর তমদ্দুন মজলিশ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ভাষা বির্তক আয়োজন করে এবং এ তমদ্দুন মজলিশ ও এর প্রতিষ্ঠাতা প্রিন্সিপাল আবুল কাশেমের নেতৃত্বে ভাষা আন্দোলন বেগবান হয়। একই বছর ডিসেম্বর মাসে শেষে তমদ্দুন মজলিশের নেতৃত্বে রাষ্ট্রভাষা সংগ্রাম পরিষদ গঠন করা হয়। করাচিতে জাতীয় শিক্ষা সম্মেলনে উর্দুকে রাষ্ট্রভাষা করার সুপারিশ করলে সেখানে তাৎক্ষণিক পূর্ব পাকিস্তানের প্রতিনিধিরা তা প্রত্যাখান করে প্রতিবাদ করে এবং দাবি জানায় বাংলাকে রাষ্ট্রভাষা করার। এ সময় পাকিস্তান পাবলিক সার্ভিস কমিশন বাংলাকে অনুমোদিত তালিকা থেকে বাদ দেয় এবং মুদ্রা, ডাক টিকেট থেকে বাংলা তুলে দেয়। ফলে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্ররা বিক্ষোভ করে। ১৯৪৮ সালে ২৩ ফেব্রুয়ারি পাকিস্তান গণপরিষদ সদস্য কুমিল্লার ধীরেন্দ্র নাথ দও দাবি জানান, গণপরিষদে উর্দু ও ইংরেজির পাশাপাশি বাংলা ভাষা ব্যবহারের। ১৯৪৮ সালে ২ মার্চ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় সর্বদলীয় রাষ্ট্রভাষা সংগ্রাম পরিষদ গঠন করা হয়। একই বছর ১৯ মার্চ পাকিস্তানের গভর্নর জেনারেল মোহাম্মদ আলী জিন্নাহ ঢাকায় আসে, উদ্ভূত পরিস্থিতিতে ২১ মার্চ সোহরাওয়াদী উদ্যানে আয়োজিত সমাবেশ ঘোষণা করে 'উর্দুই হবে পাকিস্তানের রাষ্ট্রভাষা' এবং ২৪ মার্চ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় একই ঘোষণা দিলে ছাত্ররা তখনই প্রতিবাদ জানায় এবং বাংলাকে রাষ্ট্রভাষা করার জন্যে সস্নোগান দিতে থাকে।



দেশভাগের সময় পাকিস্তানের জনসংখ্যা ৬ কোটি ৯০ লাখের মধ্যে ৪ কোটি ৪০ লাখ বাংলা ভাষার অধিকারী ছিলো। বিশাল এ জনগোষ্ঠী বাংলা ভাষার পরিবর্তে উর্দু ভাষা মেনে নেয়াও ছিলো অযৌক্তিক। তাই পূর্ব পাকিস্তানের জনগণ কোনোভাবেই জিন্নাহর প্রস্তাবকে মেনে নিতে পারেনি।



 



১৯৫০ সালে পাকিস্তান কেন্দ্রীয় সরকার ভাষা উন্নয়ন কমিটি গঠন করে এবং বাংলা বাদ দিয়ে সর্বত্র উর্দু ব্যবহার শুরু করে। এ সময় আবার মিশর বণিক সমিতি পাকিস্তানের কাছে আবেদন জানায়, আরবিকে পাকিস্তানের রাষ্ট্রভাষা করার। ১৯৫১ সালে ১১ মার্চ ভাষা দিবস উপলক্ষে পূর্ব পাকিস্তান হরতাল পালন করে। ১৯৫২ সালে ২৬ জানুয়ারি পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী খাজা নাজিম উদ্দিন পল্টন ময়দানে জিন্নাহ মতোই প্রকাশ্য ঘোষণা করেন 'একমাত্র উর্দুই হবে পাকিস্তানের রাষ্ট্রভাষা'। তিনি ভেবেছিলেন সুদীর্ঘ চারবছর পর পূর্ব বাংলার কেউ রাষ্ট্রভাষার ব্যাপারে কোনো কথা বলবে না। কিন্তু পূর্ব বাংলার ছাত্রসমাজ প্রধানমন্ত্রীর এ ধরনের বক্তৃতায় প্রকাশ্য বিক্ষোভে ফেটে পরে এবং ২৭, ২৮, ২৯ জানুয়ারি ধর্মঘট পালন করে তীব্র প্রতিবাদ জানায়। সাথে সাথে রাষ্ট্রভাষা বাংলা করার দাবি জানায়।



 



৩০ জানুয়ারি কাজি গোলাম মাহমুদকে আহ্বায়ক করে সর্বদলীয় রাষ্ট্রভাষা সংগ্রাম পরিষদ গঠন করা হয়। এ সময় বিভিন্ন দল, সামাজিক, সাংস্কৃতিক সংগঠনগুলো রাষ্ট্রভাষা বাংলার দাবিতে আলাদা আলাদা কর্মসূচি পালন করে। মাওলানা ভাসানীর সভাপ্রধানে আওয়ামী মুসলিম লীগের সভায় সিদ্ধান্ত হয় ভাষা আন্দোলনে ছাত্রদের পাশাপাশি আওয়ামী মুসলিম লীগ সরাসরি অংশগ্রহণ করবে।



 



সর্বদলীয় রাষ্ট্রভাষা সংগ্রাম পরিষদ ২১ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত ধর্মঘট, মিছিল, আলোচনা সভা, মানববন্ধনসহ বিভিন্ন কর্মসূচি ঘোষণা করে। ৪ ফেব্রুয়ারি ছাত্র ধর্মঘটে সারাদেশে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধ হয়ে যায়। এবং ঢাকার রাজপথে ছাত্রদের বিশাল মিছিল অনুষ্ঠিত বের হয়। ১৮ ফেব্রুয়ারি পাকিস্তানের মুখ্যমন্ত্রী নুরুল আমিন সরকারপরবর্তী নির্দেশ না দেয়া পর্যন্ত ঢাকা শহরে ১৪৪ ধারা জারি করে। ২০ ফেব্রুয়ারি রাতে সর্বদলীয় রাষ্ট্রভাষা সংগ্রাম পরিষদ ১৪৪ ধারা ভঙ্গ করার বিষয়ে ইতিবাচক সিদ্ধান্ত গ্রহণ করে। কিন্তু ২১ ফেব্রুয়ারি সকালবেলা উপস্থিত নেতৃবৃন্দ এবং রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দের মধ্যে ১৪৪ ধারা ভঙ্গ করার ব্যাপারে মতানৈক্য দেখা যায়। দুপুরের পর ছাত্রনেতাদের মধ্যে আবদুল মতিন এবং গাজীউল হক ১৪৪ ধারা ভঙ্গ করার পক্ষে সিদ্ধান্তগ্রহণ করে ৩টা ১০ মিনিট এ মিছিল শুরু করলে পুলিশ লাঠিচার্জ, গ্রেফতার ও গুলিবর্ষণ করে। এতে জব্বার, বরকত, সালাম, রফিক, ৯ বছরের শিশু অলিউল্লাহসহ ৫ জন নিহত হয়, ১৭ জন আহত, ৫২ জন গ্রেফতার হয়, ৩ ঘণ্টাব্যাপী সংঘাত চলতে থাকলেও ছাত্রদের স্থানচ্যুত করতে পারেনি পুলিশ। সন্ধ্যানাগাত ছাত্রদের সাথে সাধারণ জনতা যুক্ত হয়। ২২ ফেব্রুয়ারি হাজার হাজার ছাত্র-জনতা নিহতদের জানাজা নামাজ আদায় করে একটি শোক মিছিল বের করে। সেই মিছিলে পুলিশের গুলিতে শফিউর রহমানসহ আরো ৪ জন নিহত হয়। উত্তেজিত জনতা সে সময় সরকারের পক্ষের পত্রিকা দি মনিং নিউজয়ের অফিসে আগুন লাগিয়ে দেয়। উত্তেজনা শহর ছাড়িয়ে গ্রাম পর্যন্ত পেঁৗছে যায়, সমস্ত পূর্ববাংলা আগুনগর্ভে পরিণত হয়। ২৪ ফেব্রুয়ারি ঢাকা মেডিকেল কলেজের পাশে শহীদ স্মরণে প্রথম শহীদ মিনার তৈরি করা হয়। শহীদ মিনার উদ্বোধন করে শহীদ শফিউর রহমানের পিতা। ক্রমবর্ধমান আন্দোলনের ফলে কেন্দ্রীয় সরকার নতি স্বীকার করতে বাধ্য হয়।



 



১৯৫৪ সালে ৭ মে পাকিস্তান গণপরিষদে বাংলা অন্যতম রাষ্ট্রভাষা হিসেবে গৃহীত হয়। ১৯৫৬ সালে প্রথম সংবিধানে ২১৪নং অনুচ্ছেদে বাংলা ও উর্দুকে পাকিস্তানের রাষ্ট্রভাষা হিসেবে উল্লেখ করে। ২১ ফেব্রুয়ারি শহীদ দিবস ও সরকারি ছুটি ঘোষণা করে।



 



স্বাধীনতার পর ১৯৮৭ সালে এরশাদ সরকার বাংলাভাষা প্রচলন আইন পাশ করে। ১৯৯৯ সালে ১৭ নভেম্বর ইউনেস্কো ২১ ফেব্রুয়ারিকে আন্তজাতিক মাতৃভাষা দিবস হিসেবে ঘোষণা করে।



 



১৯৫৪ সালে যুক্তফ্রন্ট নির্বাচন, ১৯৬৬ সালের ৬ দফা, ১৯৬৯-এ গণ-অভ্যুত্থান, ১৯৭১-এ মুক্তিযুদ্ধে ভাষা আন্দোলনে প্রভাব বিস্তার করে। বাঙালি জাতির শিক্ষা, সাহিত্য, সংস্কৃতিতে ভাষা আন্দোলন যেনো এক অবিচ্ছেদ্য অংশ। এদেশের শিল্পী, কবি, সাহিত্যিক তাঁদের কলমের অাঁকরে তুলে ধরেছেন রক্তবর্ণ প্রতিবাদ।



 



কবি আবদুল হাকিম 'বঙ্গবাণী' কবিতায় লিখেছেন_'যেসব বঙ্গেত জন্মি হিংসে বঙ্গবাণী/সে সব কাহার নির্ণয়ন জানি'।



 



অতুলপ্রসাদ সেন লিখেছেন_'মোদের গরব মোদের আশা আমারি বাংলা ভাষা'।



 



২১ নিয়ে প্রথম কবিতা_'কাঁদতে আসিনি, ফাঁসির দাবি নিয়ে এসেছি' লিখেছেন মাহবুব উল আলম চৌধুরী। পাকিস্তান প্রথম শহীদ মিনার ভেঙ্গে ফেলে তখন আলাউদ্দিন আল আজাদ লিখে_'স্মৃতির মিনার ভেঙ্গেছে তোমার?/ভয় কি বন্ধু/আমরা এখনো চার কোটি পরিবার খাড়া রয়েছি তো'।



 



ভাষা শহীদের নামে প্রথম কবিতা লিখে হাসান হাফিজুর রহমান। আবু জাফর ওবায়েদ উল্লাহর কালজয়ী কবিতা 'কোন এক মাকে'।



 



আল মাহমুদের একুশের কবিতা-ফেব্রুয়ারির ২১ তারিখ। জহির রায়হানের উপন্যাস 'আরেক ফাল্গুন'। সেলিনা হোসেনের 'যাপিত জীবন'। শওকত ওসমানের 'আর্তনাদ'। মুনির চৌধুরীর নাটক 'কবর', জহির রায়হানের চলচ্চিত্র 'জীবন থেকে নেওয়া, মুখ ও মুখোশ'। আবদুল গাফ্ফার চৌধুরীর গান 'আমার ভাইয়ের রক্তে রাঙানো একুশে ফেব্রুয়ারি/আমি কি ভুলিতে পারি?'। প্রভাতফেরির এ গান বিবিসি দর্শক জরিপের বাংলা সেরা গানের তালিকায় তৃতীয় স্থান দখল করে আছে। একুশের বইমেলা, একুশে পদক ইত্যাদি ভাষা আন্দোলনকে চির ভাস্বর করে রেখেছে বাঙালি জাগরণের ইতিহাসে।



 



আবদুল বাতেন : প্রভাষক, গৃদকালিন্দিয়া হাজেরা হাসমত বিশ্ববিদ্যালয় কলেজ। চাঁদপুর।



 


আজকের পাঠকসংখ্যা
৫৭৫৩৬৪
পুরোন সংখ্যা